ঢাকা ১০:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নবজাতককে ফেলে পালিয়ে গেলেন মা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সন্তান (মেয়ে) জন্ম দিয়ে তাকে রেখে পালিয়ে গেছেন সাঈদা বেগম নামে এক মা।

বিকেল ৪টায় ওই নবজাতকের জন্ম হয় বলে নিশ্চিত করেছেন জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মধু সূধন ধর।

রোববার (০৮ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গতকাল শনিবার বিকেলে সাঈদা বেগম নামে এক অন্তঃসত্ত্বা প্রসব ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তার স্বামীর নাম ফারুক মিয়া। ঠিকানা উল্লেখ করেছেন উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের বালিকান্দি। নবজাতকটির জন্মের পর তার কোনো স্বজনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে কোনো এক সময় তার মাও তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে চলে যান।

জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মধু সূধন ধর বলেন, গতকাল শিশুটিকে জন্ম দেওয়ার পর থেকেই শিশুটির মা-বাবাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, তারা হাসপাতালে শিশুটিকে রেখে পালিয়ে গেছেন। আমরা আইনি পরামর্শ নিয়ে বাচ্চাটিকে সিলেটে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। বাচ্চাটি বর্তমানে সুস্থ রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নবজাতককে ফেলে পালিয়ে গেলেন মা

আপডেট সময় ০৫:৪১:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সন্তান (মেয়ে) জন্ম দিয়ে তাকে রেখে পালিয়ে গেছেন সাঈদা বেগম নামে এক মা।

বিকেল ৪টায় ওই নবজাতকের জন্ম হয় বলে নিশ্চিত করেছেন জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মধু সূধন ধর।

রোববার (০৮ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গতকাল শনিবার বিকেলে সাঈদা বেগম নামে এক অন্তঃসত্ত্বা প্রসব ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তার স্বামীর নাম ফারুক মিয়া। ঠিকানা উল্লেখ করেছেন উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের বালিকান্দি। নবজাতকটির জন্মের পর তার কোনো স্বজনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে কোনো এক সময় তার মাও তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে চলে যান।

জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মধু সূধন ধর বলেন, গতকাল শিশুটিকে জন্ম দেওয়ার পর থেকেই শিশুটির মা-বাবাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, তারা হাসপাতালে শিশুটিকে রেখে পালিয়ে গেছেন। আমরা আইনি পরামর্শ নিয়ে বাচ্চাটিকে সিলেটে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। বাচ্চাটি বর্তমানে সুস্থ রয়েছে।