ঢাকা ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী জঙ্গল সলিমপুরে পানিতে বিষ মিশিয়ে যৌথবাহিনী সদস্যদের হত্যাচেষ্টা! দেশে ১ কোটি লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান জনগণের স্বার্থের বিপরীতে কিছু করলে দায়ভার সরকারের ওপরই পড়বে: মান্না অস্ত্র প্রস্তুত, তবে ইরানকে ‘কিছুটা সময়’ দিচ্ছেন ট্রাম্প : মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিএনপি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চায়: আখতার প্রতিমন্ত্রী ইশরাককে ঘিরে উত্তেজনা-ধস্তাধস্তি, বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান গণতন্ত্র যতবারই হোঁচট খেয়েছে, ততবারই মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: ডা. জাহিদ বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়লো কুর্মিটোলা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে, নিহত ১

রুচিবোধ নিয়ে বাকযুদ্ধে সৃজিত বনাম সুমন

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

সম্প্রতি পরিচালক হিসেবে ১০ বছর পূর্ণ করেছেন ভারতের বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম শীর্ষ নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি। সৃজিতকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে তার রুচিবোধ নিয়ে প্রশ্ন তুলে টুইটারে বাকযুদ্ধ করলেন আরেক নির্মাতা ‍সুমন ঘোষ।

নন্দিত নির্মাতার বিশেষ দিনে সামাজিকমাধ্যমে সারাদিন ধরেই এসেছে শুভেচ্ছাবার্তা। আপ্লুত পরিচালক নিজেও। টুইটারে সৃজিতকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পেশায় অর্থনীতির শিক্ষক এবং নেশায় চিত্রপরিচালক সুমন ঘোষও। তার ৫টি বাক্যের শুভেচ্ছা টুইটে ‘রুচি’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুমন। তাতেই তাল কেটে গিয়ে শুরু হয় প্রকাশ্য বাকবিতণ্ডা।

সুমন তার টুইটে বলেন, ‘বাংলা চলচ্চিত্রে আপনার অবদানের জন্য অনেক শুভেচ্ছা। কিন্তু আপনাকে নিজের স্কোরকার্ড এভাবে প্রচার করতে দেখে কিছুটা অস্বস্তি হচ্ছে। এই পেশার সঙ্গে যুক্ত কাউকে আগে এ রকম করতে দেখিনি। তবে আমি বিদ্বেষ থেকে এ কথা বলছি না। পুরোটাই হয়তো রুচির উপর নির্ভরশীল’।

সুমন এই বাক্যগুলো লিখেছেন সৃজিতেরই একটি টুইট শেয়ার করে। সেই টুইটে সৃজিত দর্শককে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন পাশে থাকার জন্য। টুইটের শুরুতেই ছিল পরিসংখ্যান। গত ১০ বছরে তিনি পরিচালক হিসেবে কী কী সাফল্য পেয়েছেন সেই ফিরিস্তিও দিয়েছিলেন পরিচালক। লিখেছিলেন, ‘১০ বছর। ১৮টি চলচ্চিত্র। ২টি ওয়েব ফিল্ম। ১টি ওয়েব সিরিজ। ১৭টি রিলিজ। ১৪টি সুপারহিট। ১৭৭টি আই অ্যাওয়ার্ড। ৫৯টি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’।

সাফল্যের এই খতিয়ান নিয়েই আপত্তি তুলেছেন সুমন। তাঁর বক্তব্য, এভাবে নিজের সাফল্যের তালিকা দেওয়াটা ‘রুচিহীন’। সৃজিতও ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নন। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে উত্তর দিয়েছেন সুমনকে। লিখেছেন, ‘একজন পরিসংখ্যানবিদ/অর্থনীতিবিদের থেকে এ রকম কথা শুনে অবাক হচ্ছি। যে মানুষ অন্যের বক্স অফিস ফিগার জানতে বা সাফল্যকে সেই নিরিখে বিচার করতে কুণ্ঠাবোধ করেন না, তিনি এমন কথা বললে অবাক লাগে। কিন্তু এটা রুচিবোধের বিষয়। সেটা সকলের এক নয়’।

সৃজিতের সেই টুইটের কথায় সুমনের জবাব, ‘সাফল্যের কথা নিশ্চয়ই বলবেন। তবে যে সফল সে নিজে বলবে না। বলবে অন্যরা। ’

পাশাপাশিই অবশ্য সুমন পরিষ্কার জানান, তিনি সৃজিতের দেওয়া তথ্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন না। তার টুইট, ‘এই বিষয়টা হলো, শচীন তার দেশের জন্য কতগুলো সেঞ্চুরি করেছেন, সে কথা তার নিজেরই গর্ব করে বলার মতো। সে কথা তো বাকিরা বলবে। ’ সুমন জানিয়েছিলেন, তিনি কোনও বিদ্বেষ থেকে এ কথা বলছেন না।

পাল্টা খোঁচা দিয়ে সৃজিতের উত্তর, ‘নিশ্চয়ই আপনার উপলব্ধি কোনও বিদ্বেষ, হিংসা বা নিরাপত্তাহীনতা থেকে আসেনি। কেনই বা আসবে?’

আপাতত এখানেই থমকে আছে টুইটার যুদ্ধ।

সুমন এবং সৃজিত দু’জনেই টলিউডের সফল পরিচালক। আমেরিকা প্রবাসী সুমনের ঝুলিতে রয়েছে ‘পদক্ষেপ’, ‘দ্বন্দ্ব’, ‘নোবেল চোর’-এর মতো সফল চলচ্চিত্র। ২০০৮ সালে ‘পদক্ষেপ’-এর জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছিলেন তিনি। অন্যদিকে, সৃজিত তার প্রথম সিনেমাতেই সাড়া ফেলেছিলেন। ‘অটোগ্রাফ’ থেকে ‘ দ্বিতীয় পুরুষ’— দর্শক পছন্দ করেছেন তার বেশিরভাগ সিনেমাকেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত-এনসিপির বক্তব্যে দেশপ্রেম নিয়ে আশাবাদী হওয়া যাচ্ছে না:পানিসম্পদ মন্ত্রী

রুচিবোধ নিয়ে বাকযুদ্ধে সৃজিত বনাম সুমন

আপডেট সময় ১০:৩০:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২০

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

সম্প্রতি পরিচালক হিসেবে ১০ বছর পূর্ণ করেছেন ভারতের বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম শীর্ষ নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি। সৃজিতকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে তার রুচিবোধ নিয়ে প্রশ্ন তুলে টুইটারে বাকযুদ্ধ করলেন আরেক নির্মাতা ‍সুমন ঘোষ।

নন্দিত নির্মাতার বিশেষ দিনে সামাজিকমাধ্যমে সারাদিন ধরেই এসেছে শুভেচ্ছাবার্তা। আপ্লুত পরিচালক নিজেও। টুইটারে সৃজিতকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পেশায় অর্থনীতির শিক্ষক এবং নেশায় চিত্রপরিচালক সুমন ঘোষও। তার ৫টি বাক্যের শুভেচ্ছা টুইটে ‘রুচি’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুমন। তাতেই তাল কেটে গিয়ে শুরু হয় প্রকাশ্য বাকবিতণ্ডা।

সুমন তার টুইটে বলেন, ‘বাংলা চলচ্চিত্রে আপনার অবদানের জন্য অনেক শুভেচ্ছা। কিন্তু আপনাকে নিজের স্কোরকার্ড এভাবে প্রচার করতে দেখে কিছুটা অস্বস্তি হচ্ছে। এই পেশার সঙ্গে যুক্ত কাউকে আগে এ রকম করতে দেখিনি। তবে আমি বিদ্বেষ থেকে এ কথা বলছি না। পুরোটাই হয়তো রুচির উপর নির্ভরশীল’।

সুমন এই বাক্যগুলো লিখেছেন সৃজিতেরই একটি টুইট শেয়ার করে। সেই টুইটে সৃজিত দর্শককে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন পাশে থাকার জন্য। টুইটের শুরুতেই ছিল পরিসংখ্যান। গত ১০ বছরে তিনি পরিচালক হিসেবে কী কী সাফল্য পেয়েছেন সেই ফিরিস্তিও দিয়েছিলেন পরিচালক। লিখেছিলেন, ‘১০ বছর। ১৮টি চলচ্চিত্র। ২টি ওয়েব ফিল্ম। ১টি ওয়েব সিরিজ। ১৭টি রিলিজ। ১৪টি সুপারহিট। ১৭৭টি আই অ্যাওয়ার্ড। ৫৯টি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’।

সাফল্যের এই খতিয়ান নিয়েই আপত্তি তুলেছেন সুমন। তাঁর বক্তব্য, এভাবে নিজের সাফল্যের তালিকা দেওয়াটা ‘রুচিহীন’। সৃজিতও ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নন। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে উত্তর দিয়েছেন সুমনকে। লিখেছেন, ‘একজন পরিসংখ্যানবিদ/অর্থনীতিবিদের থেকে এ রকম কথা শুনে অবাক হচ্ছি। যে মানুষ অন্যের বক্স অফিস ফিগার জানতে বা সাফল্যকে সেই নিরিখে বিচার করতে কুণ্ঠাবোধ করেন না, তিনি এমন কথা বললে অবাক লাগে। কিন্তু এটা রুচিবোধের বিষয়। সেটা সকলের এক নয়’।

সৃজিতের সেই টুইটের কথায় সুমনের জবাব, ‘সাফল্যের কথা নিশ্চয়ই বলবেন। তবে যে সফল সে নিজে বলবে না। বলবে অন্যরা। ’

পাশাপাশিই অবশ্য সুমন পরিষ্কার জানান, তিনি সৃজিতের দেওয়া তথ্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন না। তার টুইট, ‘এই বিষয়টা হলো, শচীন তার দেশের জন্য কতগুলো সেঞ্চুরি করেছেন, সে কথা তার নিজেরই গর্ব করে বলার মতো। সে কথা তো বাকিরা বলবে। ’ সুমন জানিয়েছিলেন, তিনি কোনও বিদ্বেষ থেকে এ কথা বলছেন না।

পাল্টা খোঁচা দিয়ে সৃজিতের উত্তর, ‘নিশ্চয়ই আপনার উপলব্ধি কোনও বিদ্বেষ, হিংসা বা নিরাপত্তাহীনতা থেকে আসেনি। কেনই বা আসবে?’

আপাতত এখানেই থমকে আছে টুইটার যুদ্ধ।

সুমন এবং সৃজিত দু’জনেই টলিউডের সফল পরিচালক। আমেরিকা প্রবাসী সুমনের ঝুলিতে রয়েছে ‘পদক্ষেপ’, ‘দ্বন্দ্ব’, ‘নোবেল চোর’-এর মতো সফল চলচ্চিত্র। ২০০৮ সালে ‘পদক্ষেপ’-এর জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছিলেন তিনি। অন্যদিকে, সৃজিত তার প্রথম সিনেমাতেই সাড়া ফেলেছিলেন। ‘অটোগ্রাফ’ থেকে ‘ দ্বিতীয় পুরুষ’— দর্শক পছন্দ করেছেন তার বেশিরভাগ সিনেমাকেই।