ঢাকা ০৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

করোনার চিকিৎসায় কার্যকর নয় রেমডিসিভির: ডব্লিউএইচও

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ রেমডিসিভির কার্যত কোনো কাজ করছে না বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

করোনার চিকিৎসায় কোন ওষুধ কেমন কাজ করছে জানতে ডব্লিউএইচও চারটি ওষুধের ওপর ‘সলিডারিটি’ ট্রায়াল করেছে।

রেমডিসিভির ছাড়াও ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন, ইন্টারফেরন এবং এইচআইভির চিকিৎসায় ব্যবহৃত লোপিনাভির/রিটোনাভিরের ওপর সলিডারিটি ট্রায়াল করা হয়। ওষুধ চারটি ৩০টি দেশের ১১ হাজার ২৬৬ জন রোগীর ওপর প্রয়োগ করা হয়। রোগীদের ২৮ দিনের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল।

করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় মে মাসে প্রথম রেমডিসিভির ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প করোনায় আক্রান্ত হলে তাকেও রেমডিসিভির দেওয়া হয়েছিল বলে তার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলাফল প্রাথমিক বিশ্লেষণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় রেমডিসিভিরের কার্যকারিতা শূন্য বা একেবারেই সামান্য। কোভিড রোগীদের হাসপাতালে থাকার মেয়াদ কমাতে ব্যর্থ এই ওষুধ। রেমডিসিভি প্রয়োগে কোভিড-১৯ আক্রান্তদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি।

একইভাবে করোনা আক্রান্তদের মৃত্যু ঠেকাতেও কোনো কাজ করছে না রেমডিসিভির। এই ফলাফল ‘প্রি-প্রিন্ট’ সার্ভারে আপলোড করা হয়েছে এবং ফলাফল পুনর্বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

ডব্লিউএইচও’র প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথ বলেন, কার্যকারিতা প্রমাণিত না হওয়ায় ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের মাঝ পথে গত জুনে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন এবং লোপানিভির/রিটোনাভিরের প্রয়োগ। তবে অন্য দুটি ওষুধের পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া হয়েছে ৩০টি দেশের পাঁচ শতাধিক হাসপাতালে।

সৌম্য স্বামীনাথ বলেন, আমরা পরবর্তী পদক্ষেপের অপেক্ষায় আছি। গত কয়েক মাসে নতুন তৈরি হওয়া কিছু ওষুধের ওপর আমরা নজর রাখছি।

তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুসন্ধান প্রত্যাখ্যান করেছে রেমডিসিভিরের প্রস্তুতকারক গিলিয়াড সায়েন্স। এক বিবৃতিতে কোম্পানিটি বলেছে, গবেষণার ফলাফলগুলি অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং ফলাফলগুলি এখনো পর্যালোচনা করা হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

করোনার চিকিৎসায় কার্যকর নয় রেমডিসিভির: ডব্লিউএইচও

আপডেট সময় ০৬:০৩:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ রেমডিসিভির কার্যত কোনো কাজ করছে না বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

করোনার চিকিৎসায় কোন ওষুধ কেমন কাজ করছে জানতে ডব্লিউএইচও চারটি ওষুধের ওপর ‘সলিডারিটি’ ট্রায়াল করেছে।

রেমডিসিভির ছাড়াও ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন, ইন্টারফেরন এবং এইচআইভির চিকিৎসায় ব্যবহৃত লোপিনাভির/রিটোনাভিরের ওপর সলিডারিটি ট্রায়াল করা হয়। ওষুধ চারটি ৩০টি দেশের ১১ হাজার ২৬৬ জন রোগীর ওপর প্রয়োগ করা হয়। রোগীদের ২৮ দিনের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল।

করোনা ভাইরাসের চিকিৎসায় মে মাসে প্রথম রেমডিসিভির ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প করোনায় আক্রান্ত হলে তাকেও রেমডিসিভির দেওয়া হয়েছিল বলে তার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলাফল প্রাথমিক বিশ্লেষণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় রেমডিসিভিরের কার্যকারিতা শূন্য বা একেবারেই সামান্য। কোভিড রোগীদের হাসপাতালে থাকার মেয়াদ কমাতে ব্যর্থ এই ওষুধ। রেমডিসিভি প্রয়োগে কোভিড-১৯ আক্রান্তদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি।

একইভাবে করোনা আক্রান্তদের মৃত্যু ঠেকাতেও কোনো কাজ করছে না রেমডিসিভির। এই ফলাফল ‘প্রি-প্রিন্ট’ সার্ভারে আপলোড করা হয়েছে এবং ফলাফল পুনর্বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

ডব্লিউএইচও’র প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথ বলেন, কার্যকারিতা প্রমাণিত না হওয়ায় ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের মাঝ পথে গত জুনে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন এবং লোপানিভির/রিটোনাভিরের প্রয়োগ। তবে অন্য দুটি ওষুধের পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া হয়েছে ৩০টি দেশের পাঁচ শতাধিক হাসপাতালে।

সৌম্য স্বামীনাথ বলেন, আমরা পরবর্তী পদক্ষেপের অপেক্ষায় আছি। গত কয়েক মাসে নতুন তৈরি হওয়া কিছু ওষুধের ওপর আমরা নজর রাখছি।

তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুসন্ধান প্রত্যাখ্যান করেছে রেমডিসিভিরের প্রস্তুতকারক গিলিয়াড সায়েন্স। এক বিবৃতিতে কোম্পানিটি বলেছে, গবেষণার ফলাফলগুলি অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং ফলাফলগুলি এখনো পর্যালোচনা করা হয়নি।