ঢাকা ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অবশেষে নির্যাতিতার বাড়িতে গেলেন রাহুল-প্রিয়াংকা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ভারতের উত্তরপ্রদেশের হাথরসে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তাদের কথা শুনেছেন প্রিয়াংকা ও রাহুল গান্ধী।

পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে নির্যাতিতা দলিত তরুণীর বাড়ি গিয়ে কংগ্রেসের ওই দুই নেতা বলেন, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে বুঝতে হবে, যেখানেই অন্যায় হবে, সেখানেই আমরা যাব। আমাদের কেউ আটকাতে পারবে না। আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়ব। খবর এনডিটিভি ও আনন্দবাজারের।

রাহুল-প্রিয়াংকার পৌঁছার ২ মিনিটের মধ্যেই উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর দফতর হাথরসের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

রাজনীতিকরা মনে করছেন, ঘরে-বাইরে চাপের মুখেই এ সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে যোগীকে। এর মধ্যে বিরোধীদের রাজনৈতিক অস্ত্র ভোঁতা করে দেয়ার কৌশলও রয়েছে।

হাথরসের ঘটনায় পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছিল। যোগীকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরানোরও দাবি উঠেছিল। যোগী শনিবার নিজের পুলিশ-প্রশাসন থেকে সিবিআইয়ের দিকে নজর ঘুরিয়ে দিতে চাইলেন।

যোগীর ওপরে চাপ বাড়াতে রাহুল-প্রিয়াংকা কংগ্রেসের ৩৫ জন এমপিকে নিয়ে হাথরসের উদ্দেশে এআইসিসি সদর দফতর থেকে রওনা দিয়েছিলেন।

এমপিরা ছিলেন মিনিবাসে। সঙ্গে কয়েকশ সমর্থক। কিন্তু দিল্লি পেরিয়ে উত্তরপ্রদেশে ঢোকার মুখে ডিএনডি (দিল্লি-নয়ডা-দিল্লি) ফ্লাইওভারের মুখে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করে কার্যত খাকি উর্দির প্রাচীর তৈরি করে ফেলা হয়।

রাহুল হাথরস রওনা হওয়ার আগেই বলেছিলেন, ‘দুনিয়ার কোনো শক্তি আমাকে আটকাতে পারবে না।’

হাথরসে গত তিন দিন ধরে দলিত তরুণীর গণধর্ষণ ও মৃত্যুর ঘটনা নিয়েই ভারতের রাজনীতি উত্তাল। মঙ্গলবার মাঝরাতে পরিবারের আপত্তি সত্ত্বেও পুলিশ প্রশাসন তরুণীর মৃতদেহ জ্বালিয়ে দেয়।

পরিবারের লোকেদের দাবি, ধর্ষিতাকে সৎকারের সুযোগ দেয়া হয়নি। বৃহস্পতিবার থেকে হাথরসে বুল গড়হী গ্রামে সাংবাদিকদের প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া ও রাহুল-প্রিয়াংকাকে যেতে না দেয়ায় পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে ওঠে। শুক্রবার তৃণমূলের এমপিরাও গ্রামে ঢুকতে পারেননি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

অবশেষে নির্যাতিতার বাড়িতে গেলেন রাহুল-প্রিয়াংকা

আপডেট সময় ০১:৫৪:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ভারতের উত্তরপ্রদেশের হাথরসে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তাদের কথা শুনেছেন প্রিয়াংকা ও রাহুল গান্ধী।

পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে নির্যাতিতা দলিত তরুণীর বাড়ি গিয়ে কংগ্রেসের ওই দুই নেতা বলেন, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে বুঝতে হবে, যেখানেই অন্যায় হবে, সেখানেই আমরা যাব। আমাদের কেউ আটকাতে পারবে না। আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়ব। খবর এনডিটিভি ও আনন্দবাজারের।

রাহুল-প্রিয়াংকার পৌঁছার ২ মিনিটের মধ্যেই উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর দফতর হাথরসের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

রাজনীতিকরা মনে করছেন, ঘরে-বাইরে চাপের মুখেই এ সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে যোগীকে। এর মধ্যে বিরোধীদের রাজনৈতিক অস্ত্র ভোঁতা করে দেয়ার কৌশলও রয়েছে।

হাথরসের ঘটনায় পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছিল। যোগীকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরানোরও দাবি উঠেছিল। যোগী শনিবার নিজের পুলিশ-প্রশাসন থেকে সিবিআইয়ের দিকে নজর ঘুরিয়ে দিতে চাইলেন।

যোগীর ওপরে চাপ বাড়াতে রাহুল-প্রিয়াংকা কংগ্রেসের ৩৫ জন এমপিকে নিয়ে হাথরসের উদ্দেশে এআইসিসি সদর দফতর থেকে রওনা দিয়েছিলেন।

এমপিরা ছিলেন মিনিবাসে। সঙ্গে কয়েকশ সমর্থক। কিন্তু দিল্লি পেরিয়ে উত্তরপ্রদেশে ঢোকার মুখে ডিএনডি (দিল্লি-নয়ডা-দিল্লি) ফ্লাইওভারের মুখে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করে কার্যত খাকি উর্দির প্রাচীর তৈরি করে ফেলা হয়।

রাহুল হাথরস রওনা হওয়ার আগেই বলেছিলেন, ‘দুনিয়ার কোনো শক্তি আমাকে আটকাতে পারবে না।’

হাথরসে গত তিন দিন ধরে দলিত তরুণীর গণধর্ষণ ও মৃত্যুর ঘটনা নিয়েই ভারতের রাজনীতি উত্তাল। মঙ্গলবার মাঝরাতে পরিবারের আপত্তি সত্ত্বেও পুলিশ প্রশাসন তরুণীর মৃতদেহ জ্বালিয়ে দেয়।

পরিবারের লোকেদের দাবি, ধর্ষিতাকে সৎকারের সুযোগ দেয়া হয়নি। বৃহস্পতিবার থেকে হাথরসে বুল গড়হী গ্রামে সাংবাদিকদের প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া ও রাহুল-প্রিয়াংকাকে যেতে না দেয়ায় পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে ওঠে। শুক্রবার তৃণমূলের এমপিরাও গ্রামে ঢুকতে পারেননি।