ঢাকা ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আজারবাইজান-আর্মেনিয়া যুদ্ধ নিয়ে ইরানের সতর্ক বার্তা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া যুদ্ধ নিয়ে সতর্ক বার্তা দিয়েছে ইরান। এ দুই দেশের যুদ্ধের আঁচ লেগেছে সামরিক দিক দিয়ে মুসলিম বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দেশটিতে।

বিরোধপূর্ণ অঞ্চল নিয়ে দুই দেশের যুদ্ধের গোলাবারুদ ইরানের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে পড়ছে। এতে তাদের নাগরিকরা নানা শংকায় পড়েছেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খাতিবজাদেহ আজ (শনিবার) বলেছেন, ইরানের সীমানায় কোনো পক্ষের আঘাতই সহ্য করাা হবে না।

তিনি আরও বলেন, ইরানের সীমান্ত অঞ্চলে সব ধরণের তৎপরতা স্পর্শকাতরতার সঙ্গে খুবই ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ইরানের সীমানা লঙ্ঘনের বিষয়ে উভয় পক্ষকেই আমরা কঠোরভাবে সতর্ক করে দিচ্ছি। তাদেরকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

সম্প্রতি আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর ইরানের সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামে রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র এসে পড়েছে। এর ফলে ইরানের এক শিশু আহত হয়েছে। দু’টি দেশের সঙ্গেই ইরানের স্থলসীমা রয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আজারবাইজানের ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান দেখানোরও আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সংঘাতের অবসান এবং সংলাপের ওপর গুরুত্ব দেন। খাতিবজাদেহ বলেন, এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে ইসলামি ইরান প্রস্তুত রয়েছে।

দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের বিরোধপূর্ণ নগরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে কয়েক দশক ধরে আজারবাইজান এবং আর্মেনিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাত চলে আসছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে অঞ্চলটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত হলেও আর্মেনিয়া সেখানে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে রেখেছে।

গত রোববার থেকে নগরনো-কারাবাখ অঞ্চলে নতুন করে বড় রকমের সংঘর্ষ শুরু হয়েছে এবং এ পর্যন্ত সেখানে ২০০’র বেশি মানুষ মারা গেছে যার মধ্যে ৩০ জনের বেশি বেসামরিক ব্যক্তি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

আজারবাইজান-আর্মেনিয়া যুদ্ধ নিয়ে ইরানের সতর্ক বার্তা

আপডেট সময় ১১:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া যুদ্ধ নিয়ে সতর্ক বার্তা দিয়েছে ইরান। এ দুই দেশের যুদ্ধের আঁচ লেগেছে সামরিক দিক দিয়ে মুসলিম বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দেশটিতে।

বিরোধপূর্ণ অঞ্চল নিয়ে দুই দেশের যুদ্ধের গোলাবারুদ ইরানের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে পড়ছে। এতে তাদের নাগরিকরা নানা শংকায় পড়েছেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খাতিবজাদেহ আজ (শনিবার) বলেছেন, ইরানের সীমানায় কোনো পক্ষের আঘাতই সহ্য করাা হবে না।

তিনি আরও বলেন, ইরানের সীমান্ত অঞ্চলে সব ধরণের তৎপরতা স্পর্শকাতরতার সঙ্গে খুবই ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ইরানের সীমানা লঙ্ঘনের বিষয়ে উভয় পক্ষকেই আমরা কঠোরভাবে সতর্ক করে দিচ্ছি। তাদেরকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

সম্প্রতি আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর ইরানের সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামে রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র এসে পড়েছে। এর ফলে ইরানের এক শিশু আহত হয়েছে। দু’টি দেশের সঙ্গেই ইরানের স্থলসীমা রয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আজারবাইজানের ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান দেখানোরও আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সংঘাতের অবসান এবং সংলাপের ওপর গুরুত্ব দেন। খাতিবজাদেহ বলেন, এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে ইসলামি ইরান প্রস্তুত রয়েছে।

দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের বিরোধপূর্ণ নগরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে কয়েক দশক ধরে আজারবাইজান এবং আর্মেনিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাত চলে আসছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে অঞ্চলটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত হলেও আর্মেনিয়া সেখানে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে রেখেছে।

গত রোববার থেকে নগরনো-কারাবাখ অঞ্চলে নতুন করে বড় রকমের সংঘর্ষ শুরু হয়েছে এবং এ পর্যন্ত সেখানে ২০০’র বেশি মানুষ মারা গেছে যার মধ্যে ৩০ জনের বেশি বেসামরিক ব্যক্তি।