ঢাকা ০৩:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রাষ্ট্রীয় প্রধানের পদ থেকে ব্রিটেনের রানিকে সরাবে বারবাডোস

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

রাষ্ট্রীয় প্রধানের পদ থেকে ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে সরিয়ে প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র বারবাডোস।

রয়টার্স জানায়, একসময় ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল বারবাডোস।

১৯৬৬ সালের ৩০ নভেম্বর ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হয় দেশটি। তারপরও দেশটি ব্রিটিশ রাজবংশের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক রক্ষা করে চলছিল। তবে এবার ঔপনিবেশিক অতীত থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে চায় বারবাডোস। ২০২১ সালের নভেম্বরে স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকীতে রাষ্ট্রীয় প্রধানের পদ থেকে ব্রিটিনের রানিকে সরিয়ে দিতে চায় দেশটির সরকার।

বারবাডোসের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে ব্রিটেনের রানি দ্বীপরাষ্ট্রটির গভর্নর জেনারেল নিয়োগ দেন। গভর্নর জেনারেল সংসদ অধিবেশনসহ রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন আনুষ্ঠান উদ্বোধনে রানির প্রতিনিধিত্ব করেন।

বারবাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া মোটলির পক্ষ থেকে গভর্নর জেনারেল সান্ড্রা মেসন বলেন, ‘আমাদের ঔপনিবেশিক অতীত পুরোপুরি পেছনে ফেলে আসার সময় হয়েছে। বারবাডিয়ান কাউকেই রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে দেখতে চান বারবাডোসবাসী। ’

এদিকে, বাকিংহাম প্যালেস থেকে বলা হয়েছে, বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে বারবাডোসবাসীর। ব্রিটেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকেও বলা হয়েছে, এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার শুধু বারবাডোসের জনগণের। সিদ্ধান্ত যা-ই হোক না কেন, বারবাডোসের সঙ্গে ব্রিটেনের সম্পর্ক আগের মতোই থাকবে।

রানি এলিজাবেথ যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রীয় প্রধান হওয়ার পাশাপাশি অতীতে ব্রিটিশ শাসনাধীনে থাকা আরও ১৫টি দেশের রাষ্ট্রীয় প্রধানের মর্যাদায় আছেন। এর মধ্যে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডা, জ্যামাইকাসহ ক্যারিবীয় দ্বীপ এবং ভারত মহাসাগরের কিছু দেশ। এর আগেও বেশ কিছু দেশ রাষ্ট্রপ্রধানের পদ থেকে ব্রিটেনের রানিকে বাদ দেওয়ার মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রীয় প্রধানের পদ থেকে ব্রিটেনের রানিকে সরাবে বারবাডোস

আপডেট সময় ১২:৪৭:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  

রাষ্ট্রীয় প্রধানের পদ থেকে ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে সরিয়ে প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র বারবাডোস।

রয়টার্স জানায়, একসময় ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল বারবাডোস।

১৯৬৬ সালের ৩০ নভেম্বর ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হয় দেশটি। তারপরও দেশটি ব্রিটিশ রাজবংশের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক রক্ষা করে চলছিল। তবে এবার ঔপনিবেশিক অতীত থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে চায় বারবাডোস। ২০২১ সালের নভেম্বরে স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকীতে রাষ্ট্রীয় প্রধানের পদ থেকে ব্রিটিনের রানিকে সরিয়ে দিতে চায় দেশটির সরকার।

বারবাডোসের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে ব্রিটেনের রানি দ্বীপরাষ্ট্রটির গভর্নর জেনারেল নিয়োগ দেন। গভর্নর জেনারেল সংসদ অধিবেশনসহ রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন আনুষ্ঠান উদ্বোধনে রানির প্রতিনিধিত্ব করেন।

বারবাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া মোটলির পক্ষ থেকে গভর্নর জেনারেল সান্ড্রা মেসন বলেন, ‘আমাদের ঔপনিবেশিক অতীত পুরোপুরি পেছনে ফেলে আসার সময় হয়েছে। বারবাডিয়ান কাউকেই রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে দেখতে চান বারবাডোসবাসী। ’

এদিকে, বাকিংহাম প্যালেস থেকে বলা হয়েছে, বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে বারবাডোসবাসীর। ব্রিটেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকেও বলা হয়েছে, এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার শুধু বারবাডোসের জনগণের। সিদ্ধান্ত যা-ই হোক না কেন, বারবাডোসের সঙ্গে ব্রিটেনের সম্পর্ক আগের মতোই থাকবে।

রানি এলিজাবেথ যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রীয় প্রধান হওয়ার পাশাপাশি অতীতে ব্রিটিশ শাসনাধীনে থাকা আরও ১৫টি দেশের রাষ্ট্রীয় প্রধানের মর্যাদায় আছেন। এর মধ্যে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডা, জ্যামাইকাসহ ক্যারিবীয় দ্বীপ এবং ভারত মহাসাগরের কিছু দেশ। এর আগেও বেশ কিছু দেশ রাষ্ট্রপ্রধানের পদ থেকে ব্রিটেনের রানিকে বাদ দেওয়ার মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়েছে।