ঢাকা ০৯:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু নারী ও পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ে তুলব: জামায়াত আমির হাসিনা যুগের সমাপ্তি? জয় বললেন ‘সম্ভবত তাই’ ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ ধ্বনিতে মুখরিত সিলেটের আলিয়া মাঠ ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারের বিপুল ভোটে জিতে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে : নাহিদ ইসলাম ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব টেক্সটাইল মিল বন্ধের ঘোষণা ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : শফিকুল আলম কারচুপির খেলা খেলার স্পর্ধা যেন কোনো রাজনৈতিক দল না দেখায়: রুমিন ফারহানার হুঁশিয়ারি

ডা. সাবরিনার আইনজীবীদের নথি দেওয়ার নির্দেশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা পরীক্ষা না করে মনগড়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগের মামলায় চার্জশিটের সঙ্গে যুক্ত থাকা নথি ডা. সাবরিনা শারমিন হোসেনের আইনজীবীদের দেখতে দিতে এবং সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সাইফুজ্জামান তুহিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

এ মামলায় নিম্ন আদালতে জেকেজির ডা. সাবরিনা, তার স্বামী ও প্রতিষ্ঠানটির সিইও আরিফুল হক চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। গত ২০ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ূন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী, বিপ্লব দাস, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা। সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

আইনজীবী সাইফুজ্জামান তুহিন বলেন, এ মামলার মূল অভিযোগ হলো করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট। আমরা ভুয়া রিপোর্টের সেই নথিগুলো চেয়ে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু নিম্ন আদালত সেটি খারিজ করে দিয়েছেন। পরে নথি দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে উচ্চ আদালতে আবেদন করা হয়। আদালত চার্জশিটে যুক্ত থাকা নথি দেখতে দিতে এবং সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছেন।

গত ৫ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক লিয়াকত আলী। অভিযোগপত্রটি দেখার পর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুলফিকার হায়াত তা বিচারের জন্য বদলির আদেশ দেন। এরপর বিচারের জন্য মামলাটি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাফুজ্জামান আনসারীর আদালতে আসে।

মামলার অভিযোগপত্রে সাবরিনা ও আরিফুলকে জালিয়াতি, প্রতারণার মূল হোতা এবং বাকি ছয়জনকে অপরাধে সহায়তাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেওয়া প্রতিষ্ঠান জেকেজি হেলথ কেয়ারের কর্ণধার আরিফুল চৌধুরীর স্ত্রী ডা. সাবরিনা জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের একজন চিকিৎসক।

গত ১২ জুলাই সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তেজগাঁও বিভাগীয় উপ-পুলিশ (ডিসি) কার্যালয়ে আনা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন জেকেজির প্রতারণা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিসিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সদুত্তর দিতে না পারায় তাকে তেজগাঁও থানায় আগেই আরিফুলের বিরুদ্ধে হওয়া মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

পরদিন গত ১৩ জুলাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনদিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। সাবরিনার রিমান্ড চলাকালেই গত ১৫ জুলাই কারাগারে থাকা তার স্বামী আরিফুলকে চারদিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। এর মধ্যে গত ১৭ জুলাই সাবরিনাকে ফের দু’দিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। রিমান্ডে নিয়ে দু’জনকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়।

গত ২৩ জুন করোনার ভুয়া সনদ দেওয়া, জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে আরিফুলসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। গ্রেফতারের পর থানা হাজতে থাকা অবস্থায় আরিফুলের ক্যাডার বাহিনী ভাঙচুর ও হামলা করে থানায়। মারধর করে পুলিশকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

The Daily Akash

জনপ্রিয় সংবাদ

রহস্যময়ী ফেসবুক পোস্টে কাকে ইঙ্গিত করলেন ওমর সানী?

ডা. সাবরিনার আইনজীবীদের নথি দেওয়ার নির্দেশ

আপডেট সময় ০১:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনা পরীক্ষা না করে মনগড়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগের মামলায় চার্জশিটের সঙ্গে যুক্ত থাকা নথি ডা. সাবরিনা শারমিন হোসেনের আইনজীবীদের দেখতে দিতে এবং সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সাইফুজ্জামান তুহিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

এ মামলায় নিম্ন আদালতে জেকেজির ডা. সাবরিনা, তার স্বামী ও প্রতিষ্ঠানটির সিইও আরিফুল হক চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। গত ২০ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ূন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী, বিপ্লব দাস, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা। সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

আইনজীবী সাইফুজ্জামান তুহিন বলেন, এ মামলার মূল অভিযোগ হলো করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট। আমরা ভুয়া রিপোর্টের সেই নথিগুলো চেয়ে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু নিম্ন আদালত সেটি খারিজ করে দিয়েছেন। পরে নথি দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে উচ্চ আদালতে আবেদন করা হয়। আদালত চার্জশিটে যুক্ত থাকা নথি দেখতে দিতে এবং সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছেন।

গত ৫ আগস্ট তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক লিয়াকত আলী। অভিযোগপত্রটি দেখার পর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুলফিকার হায়াত তা বিচারের জন্য বদলির আদেশ দেন। এরপর বিচারের জন্য মামলাটি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাফুজ্জামান আনসারীর আদালতে আসে।

মামলার অভিযোগপত্রে সাবরিনা ও আরিফুলকে জালিয়াতি, প্রতারণার মূল হোতা এবং বাকি ছয়জনকে অপরাধে সহায়তাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেওয়া প্রতিষ্ঠান জেকেজি হেলথ কেয়ারের কর্ণধার আরিফুল চৌধুরীর স্ত্রী ডা. সাবরিনা জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের একজন চিকিৎসক।

গত ১২ জুলাই সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তেজগাঁও বিভাগীয় উপ-পুলিশ (ডিসি) কার্যালয়ে আনা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন জেকেজির প্রতারণা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিসিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সদুত্তর দিতে না পারায় তাকে তেজগাঁও থানায় আগেই আরিফুলের বিরুদ্ধে হওয়া মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

পরদিন গত ১৩ জুলাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনদিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। সাবরিনার রিমান্ড চলাকালেই গত ১৫ জুলাই কারাগারে থাকা তার স্বামী আরিফুলকে চারদিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। এর মধ্যে গত ১৭ জুলাই সাবরিনাকে ফের দু’দিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। রিমান্ডে নিয়ে দু’জনকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়।

গত ২৩ জুন করোনার ভুয়া সনদ দেওয়া, জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে আরিফুলসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। গ্রেফতারের পর থানা হাজতে থাকা অবস্থায় আরিফুলের ক্যাডার বাহিনী ভাঙচুর ও হামলা করে থানায়। মারধর করে পুলিশকে।