ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

সাব্বিরও বুঝতে পারছেন না চট্টগ্রামের উইকেট!

 

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশ যে ৬ উইকেটে ২৫৩ রান করতে পেরেছে এর কৃতিত্ব সাব্বির রহমানের। মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে তাঁর ষষ্ঠ উইকেট জুটিই ম্যাচে ফিরিয়েছে বাংলাদেশকে। তবু চট্টগ্রামের উইকেট এখনো বিরাট ধাঁধা সাব্বিরের কাছে! উইকেটের চরিত্র বুঝতে আরও সময় চান বাংলাদেশ দলের এই ব্যাটসম্যান।

সাব্বির আজ নেমেছেন দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ে। মুশফিকের সঙ্গে শতরানের জুটি গড়ে দলকে নিয়ে গেছেন ভালো অবস্থানে। শুরুতে যেভাবে নাথান লায়নের বলে একের পর এক এলবিডব্লু হয়েছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা, উইকেটকে ভীষণ কঠিনই মনে হয়েছে তখন। আবার সাব্বির-মুশফিক থিতু হয়ে গেলে ঠিক বিপরীত মনে হয়েছে। ১৩৬ মিনিট উইকেটে থেকে ৬৬ রান করা সাব্বির যদিও দিন শেষে উইকেট নিয়ে পরিষ্কার কিছু বলতে পারেননি, ‘প্রথম থেকেই বুঝিনি উইকেট কেমন। আউট হওয়ার পরও না। সামনে বোঝা যাবে উইকেট কেমন আচরণ করে। প্রথম দিনে কিছু বোঝা যায় না।’
তবে উইকেট নিয়ে লায়নের বিশ্লেষণ, ‘আমার মনে হয় উইকেট ভাঙতে শুরু করেছে। আজ যে ২৮ ওভার বোলিং করেছি তার মধ্যে মনে হয় একটা বল ঘুরেছে। খুব একটা বল ঘুরছে না। আমাদের স্পিনারদের জন্য এটা বেশ চ্যালেঞ্জের।’
উইকেট যেমনই হোক, চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম অবশ্য সাব্বিরের কাছে ভীষণ ‘পয়া’। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—তিন ক্রিকেটেই তাঁর অভিষেক এই মাঠে। গত বছর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টে খেলেছিলেন অপরাজিত ৬৪ রানের ইনিংস। আজ একই মাঠে ক্যারিয়ার-সর্বোচ্চ ৬৬।

ব্যাটিং পজিশনে ‘নম্বর সেভেন’ও বেশ পয়া সাব্বিরের। টেস্ট ক্যারিয়ারে যে চারটি ফিফটি পেয়েছেন প্রতিটি সাতে নেমে। তবে কি এই পজিশনই সাব্বিরের প্রিয়? ব্যাটিং পজিশন নিয়ে তাঁর অবশ্য নিজস্ব পছন্দ নেই, ‘শততম টেস্টে আমি চারে খেলেছিলাম। দুটো চল্লিশ রানের ইনিংস ছিল। চারে খেলে আমি শূন্য করি বা সেঞ্চুরি করে ব্যাপার না। মানসিকভাবে কীভাবে নিজেকে স্থির করি, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। শূন্য রানে আউট হয়েছি (গত ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে) বলে সাতে নেমেছি, তা নয়। দলের সমন্বয়ের জন্য সাতে খেলছি।’
অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে শুধু ব্যাটিং-বোলিংয়ে নয়, কথার লড়াইটাও বেশ হচ্ছে সাব্বিরের। জানালেন, লড়াইটা তিনি ভীষণ উপভোগই করছেন, ‘খেলার মাঠে কারও সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হয় না। ওরা স্লেজিং করে, আমিও করি। স্লেজিং করলে আমি আরও মজা পাই ব্যাটিংয়ে। স্লেজিং ফিরিয়েও দিই।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

সাব্বিরও বুঝতে পারছেন না চট্টগ্রামের উইকেট!

আপডেট সময় ০৮:৫২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

 

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশ যে ৬ উইকেটে ২৫৩ রান করতে পেরেছে এর কৃতিত্ব সাব্বির রহমানের। মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে তাঁর ষষ্ঠ উইকেট জুটিই ম্যাচে ফিরিয়েছে বাংলাদেশকে। তবু চট্টগ্রামের উইকেট এখনো বিরাট ধাঁধা সাব্বিরের কাছে! উইকেটের চরিত্র বুঝতে আরও সময় চান বাংলাদেশ দলের এই ব্যাটসম্যান।

সাব্বির আজ নেমেছেন দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ে। মুশফিকের সঙ্গে শতরানের জুটি গড়ে দলকে নিয়ে গেছেন ভালো অবস্থানে। শুরুতে যেভাবে নাথান লায়নের বলে একের পর এক এলবিডব্লু হয়েছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা, উইকেটকে ভীষণ কঠিনই মনে হয়েছে তখন। আবার সাব্বির-মুশফিক থিতু হয়ে গেলে ঠিক বিপরীত মনে হয়েছে। ১৩৬ মিনিট উইকেটে থেকে ৬৬ রান করা সাব্বির যদিও দিন শেষে উইকেট নিয়ে পরিষ্কার কিছু বলতে পারেননি, ‘প্রথম থেকেই বুঝিনি উইকেট কেমন। আউট হওয়ার পরও না। সামনে বোঝা যাবে উইকেট কেমন আচরণ করে। প্রথম দিনে কিছু বোঝা যায় না।’
তবে উইকেট নিয়ে লায়নের বিশ্লেষণ, ‘আমার মনে হয় উইকেট ভাঙতে শুরু করেছে। আজ যে ২৮ ওভার বোলিং করেছি তার মধ্যে মনে হয় একটা বল ঘুরেছে। খুব একটা বল ঘুরছে না। আমাদের স্পিনারদের জন্য এটা বেশ চ্যালেঞ্জের।’
উইকেট যেমনই হোক, চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম অবশ্য সাব্বিরের কাছে ভীষণ ‘পয়া’। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—তিন ক্রিকেটেই তাঁর অভিষেক এই মাঠে। গত বছর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টে খেলেছিলেন অপরাজিত ৬৪ রানের ইনিংস। আজ একই মাঠে ক্যারিয়ার-সর্বোচ্চ ৬৬।

ব্যাটিং পজিশনে ‘নম্বর সেভেন’ও বেশ পয়া সাব্বিরের। টেস্ট ক্যারিয়ারে যে চারটি ফিফটি পেয়েছেন প্রতিটি সাতে নেমে। তবে কি এই পজিশনই সাব্বিরের প্রিয়? ব্যাটিং পজিশন নিয়ে তাঁর অবশ্য নিজস্ব পছন্দ নেই, ‘শততম টেস্টে আমি চারে খেলেছিলাম। দুটো চল্লিশ রানের ইনিংস ছিল। চারে খেলে আমি শূন্য করি বা সেঞ্চুরি করে ব্যাপার না। মানসিকভাবে কীভাবে নিজেকে স্থির করি, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। শূন্য রানে আউট হয়েছি (গত ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে) বলে সাতে নেমেছি, তা নয়। দলের সমন্বয়ের জন্য সাতে খেলছি।’
অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে শুধু ব্যাটিং-বোলিংয়ে নয়, কথার লড়াইটাও বেশ হচ্ছে সাব্বিরের। জানালেন, লড়াইটা তিনি ভীষণ উপভোগই করছেন, ‘খেলার মাঠে কারও সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হয় না। ওরা স্লেজিং করে, আমিও করি। স্লেজিং করলে আমি আরও মজা পাই ব্যাটিংয়ে। স্লেজিং ফিরিয়েও দিই।’