ঢাকা ০৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ গুলশানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান, লার্ভা পাওয়ায় জরিমানা বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নেবেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কার আনা হবে : প্রতিমন্ত্রী জামায়াতের অধিকাংশ এমপি অধ্যাপক জাফর ইকবালের মতো: রাশেদ আরেক মামলায় গ্রেফতার কণ্ঠশিল্পী মমতাজ ১০ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর দাবি, নতুন বিতর্কের মুখে শুভেন্দু মসজিদের ভেতরে ইমামের ঝুলন্ত লাশ, পাশে পাওয়া গেছে চিরকুট বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইনহাউস কোচিংয়ের ব্যবস্থা রাখতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

সাব্বিরও বুঝতে পারছেন না চট্টগ্রামের উইকেট!

 

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশ যে ৬ উইকেটে ২৫৩ রান করতে পেরেছে এর কৃতিত্ব সাব্বির রহমানের। মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে তাঁর ষষ্ঠ উইকেট জুটিই ম্যাচে ফিরিয়েছে বাংলাদেশকে। তবু চট্টগ্রামের উইকেট এখনো বিরাট ধাঁধা সাব্বিরের কাছে! উইকেটের চরিত্র বুঝতে আরও সময় চান বাংলাদেশ দলের এই ব্যাটসম্যান।

সাব্বির আজ নেমেছেন দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ে। মুশফিকের সঙ্গে শতরানের জুটি গড়ে দলকে নিয়ে গেছেন ভালো অবস্থানে। শুরুতে যেভাবে নাথান লায়নের বলে একের পর এক এলবিডব্লু হয়েছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা, উইকেটকে ভীষণ কঠিনই মনে হয়েছে তখন। আবার সাব্বির-মুশফিক থিতু হয়ে গেলে ঠিক বিপরীত মনে হয়েছে। ১৩৬ মিনিট উইকেটে থেকে ৬৬ রান করা সাব্বির যদিও দিন শেষে উইকেট নিয়ে পরিষ্কার কিছু বলতে পারেননি, ‘প্রথম থেকেই বুঝিনি উইকেট কেমন। আউট হওয়ার পরও না। সামনে বোঝা যাবে উইকেট কেমন আচরণ করে। প্রথম দিনে কিছু বোঝা যায় না।’
তবে উইকেট নিয়ে লায়নের বিশ্লেষণ, ‘আমার মনে হয় উইকেট ভাঙতে শুরু করেছে। আজ যে ২৮ ওভার বোলিং করেছি তার মধ্যে মনে হয় একটা বল ঘুরেছে। খুব একটা বল ঘুরছে না। আমাদের স্পিনারদের জন্য এটা বেশ চ্যালেঞ্জের।’
উইকেট যেমনই হোক, চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম অবশ্য সাব্বিরের কাছে ভীষণ ‘পয়া’। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—তিন ক্রিকেটেই তাঁর অভিষেক এই মাঠে। গত বছর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টে খেলেছিলেন অপরাজিত ৬৪ রানের ইনিংস। আজ একই মাঠে ক্যারিয়ার-সর্বোচ্চ ৬৬।

ব্যাটিং পজিশনে ‘নম্বর সেভেন’ও বেশ পয়া সাব্বিরের। টেস্ট ক্যারিয়ারে যে চারটি ফিফটি পেয়েছেন প্রতিটি সাতে নেমে। তবে কি এই পজিশনই সাব্বিরের প্রিয়? ব্যাটিং পজিশন নিয়ে তাঁর অবশ্য নিজস্ব পছন্দ নেই, ‘শততম টেস্টে আমি চারে খেলেছিলাম। দুটো চল্লিশ রানের ইনিংস ছিল। চারে খেলে আমি শূন্য করি বা সেঞ্চুরি করে ব্যাপার না। মানসিকভাবে কীভাবে নিজেকে স্থির করি, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। শূন্য রানে আউট হয়েছি (গত ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে) বলে সাতে নেমেছি, তা নয়। দলের সমন্বয়ের জন্য সাতে খেলছি।’
অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে শুধু ব্যাটিং-বোলিংয়ে নয়, কথার লড়াইটাও বেশ হচ্ছে সাব্বিরের। জানালেন, লড়াইটা তিনি ভীষণ উপভোগই করছেন, ‘খেলার মাঠে কারও সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হয় না। ওরা স্লেজিং করে, আমিও করি। স্লেজিং করলে আমি আরও মজা পাই ব্যাটিংয়ে। স্লেজিং ফিরিয়েও দিই।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

সাব্বিরও বুঝতে পারছেন না চট্টগ্রামের উইকেট!

আপডেট সময় ০৮:৫২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

 

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশ যে ৬ উইকেটে ২৫৩ রান করতে পেরেছে এর কৃতিত্ব সাব্বির রহমানের। মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে তাঁর ষষ্ঠ উইকেট জুটিই ম্যাচে ফিরিয়েছে বাংলাদেশকে। তবু চট্টগ্রামের উইকেট এখনো বিরাট ধাঁধা সাব্বিরের কাছে! উইকেটের চরিত্র বুঝতে আরও সময় চান বাংলাদেশ দলের এই ব্যাটসম্যান।

সাব্বির আজ নেমেছেন দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ে। মুশফিকের সঙ্গে শতরানের জুটি গড়ে দলকে নিয়ে গেছেন ভালো অবস্থানে। শুরুতে যেভাবে নাথান লায়নের বলে একের পর এক এলবিডব্লু হয়েছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা, উইকেটকে ভীষণ কঠিনই মনে হয়েছে তখন। আবার সাব্বির-মুশফিক থিতু হয়ে গেলে ঠিক বিপরীত মনে হয়েছে। ১৩৬ মিনিট উইকেটে থেকে ৬৬ রান করা সাব্বির যদিও দিন শেষে উইকেট নিয়ে পরিষ্কার কিছু বলতে পারেননি, ‘প্রথম থেকেই বুঝিনি উইকেট কেমন। আউট হওয়ার পরও না। সামনে বোঝা যাবে উইকেট কেমন আচরণ করে। প্রথম দিনে কিছু বোঝা যায় না।’
তবে উইকেট নিয়ে লায়নের বিশ্লেষণ, ‘আমার মনে হয় উইকেট ভাঙতে শুরু করেছে। আজ যে ২৮ ওভার বোলিং করেছি তার মধ্যে মনে হয় একটা বল ঘুরেছে। খুব একটা বল ঘুরছে না। আমাদের স্পিনারদের জন্য এটা বেশ চ্যালেঞ্জের।’
উইকেট যেমনই হোক, চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম অবশ্য সাব্বিরের কাছে ভীষণ ‘পয়া’। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—তিন ক্রিকেটেই তাঁর অভিষেক এই মাঠে। গত বছর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টে খেলেছিলেন অপরাজিত ৬৪ রানের ইনিংস। আজ একই মাঠে ক্যারিয়ার-সর্বোচ্চ ৬৬।

ব্যাটিং পজিশনে ‘নম্বর সেভেন’ও বেশ পয়া সাব্বিরের। টেস্ট ক্যারিয়ারে যে চারটি ফিফটি পেয়েছেন প্রতিটি সাতে নেমে। তবে কি এই পজিশনই সাব্বিরের প্রিয়? ব্যাটিং পজিশন নিয়ে তাঁর অবশ্য নিজস্ব পছন্দ নেই, ‘শততম টেস্টে আমি চারে খেলেছিলাম। দুটো চল্লিশ রানের ইনিংস ছিল। চারে খেলে আমি শূন্য করি বা সেঞ্চুরি করে ব্যাপার না। মানসিকভাবে কীভাবে নিজেকে স্থির করি, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। শূন্য রানে আউট হয়েছি (গত ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে) বলে সাতে নেমেছি, তা নয়। দলের সমন্বয়ের জন্য সাতে খেলছি।’
অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে শুধু ব্যাটিং-বোলিংয়ে নয়, কথার লড়াইটাও বেশ হচ্ছে সাব্বিরের। জানালেন, লড়াইটা তিনি ভীষণ উপভোগই করছেন, ‘খেলার মাঠে কারও সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হয় না। ওরা স্লেজিং করে, আমিও করি। স্লেজিং করলে আমি আরও মজা পাই ব্যাটিংয়ে। স্লেজিং ফিরিয়েও দিই।’