ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বিধ্বংসী সামরিক প্রস্তুতির ভিডিও প্রকাশ করে চীনকে বার্তা তাইওয়ানের

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

চীন হামলা চলতে এলে ছেড়ে কথা বলবে না তাইওয়ান। সামরিক প্রস্তুতির একটি বিধ্বংসী ভিডিও প্রকাশ করে এমনটাই জানিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রটি। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে সর্বস্ব দিয়ে লড়াই চালানো হবে বলেও হুমকি দিয়েছে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। খবর সংবাদ প্রতিদিনের।

দক্ষিণ চীন সাগরে আমেরিকার সঙ্গে সংঘাত বাড়ার পর থেকেই তাইওয়ান দখলে সক্রিয় হয়েছে চীন। বিগত কয়েক মাসে বহুবার দ্বীপরাষ্ট্রটির জলসীমা ও বায়ুসীমায় অনুপ্রবেশ করেছে চীনা রণতরী ও যুদ্ধবিমান। বেজিংয়ের মতলব যে ভাল নয়, তা বুঝতে পেরে কয়েকদিন আগেই যুদ্ধের প্রস্তুতি সেরে ফেলতে সামরিক মহড়া চালিয়েছে তাইওয়ান। এমন টালমাটাল পরিবেশে চীনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

লোমহর্ষক ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, একযোগে যুদ্ধের মহড়া চালাচ্ছে আর্মি, নেভি ও এয়ারফোর্স। অদৃশ্য শত্রুর উদ্দেশে দিগন্ত কাঁপিয়ে উড়ে যাচ্ছে মিসাইল। একর পর এক গোলা ছুঁড়ছে ট্যাংক বাহিনী। সমুদ্রে টহল দিচ্ছে নৌবাহিনীর জাহাজ। আকাশে টহল দিচ্ছে তাইওয়ানের বায়ুসেনার এফ-১৬ যুদ্ধবিমানগুলো। শত্রুপক্ষের বিমান ধ্বংস করতে উড়ে চলেছে ক্ষেপণাস্ত্র। সব মিলিয়ে একটি অত্যন্ত অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত সুশিক্ষিত বাহিনীর ছবি ফুটে উঠেছে ভিডিওটিতে। হামলা চালাতে এলে চীন যে নিজেই রক্তাক্ত হবে ভিডিওটিতে সেই বার্তাই দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার পর গত মাসে তাইওয়ানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসে ওয়াশিংটন। বিশ্লেষকদের মতে, ‘এক চীন’ নীতি থেকে দূরে সরে বেইজিংকে বৈঠকের মাধ্যমে স্পষ্ট বার্তা দেয় ওয়াশিংটন। বিষয়টি যে চীনের কাছেও স্পষ্ট তা বোঝা গিয়েছিল মার্কিন সচিবের ভ্রমণ নিয়ে বেইজিংয়ের অস্বস্তি ও শক্তি প্রদর্শনে। বরাবরই তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ হিসেবে দাবি করে এসেছে চীন। তাই আমেরিকাকে বার্তা দিতেই দু’দেশের বৈঠকের ঠিক আগে তাইওয়ানের প্রণালী দিয়ে জে ১১, জে ১০ যুদ্ধবিমান পাঠায় চীন। যদিও দু’টি যুদ্ধবিমানকে ধরে ফেলে ভূমি থেকে আকাশে ছোঁড়া যুদ্ধবিমান ধ্বংসকারী ক্ষেপণাস্ত্র। এই নিয়ে তৃতীয়বার তাইওয়ানের আকাশসীমায় ঢুকে চীনা যুদ্ধবিমান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বিধ্বংসী সামরিক প্রস্তুতির ভিডিও প্রকাশ করে চীনকে বার্তা তাইওয়ানের

আপডেট সময় ১০:০৪:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

চীন হামলা চলতে এলে ছেড়ে কথা বলবে না তাইওয়ান। সামরিক প্রস্তুতির একটি বিধ্বংসী ভিডিও প্রকাশ করে এমনটাই জানিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রটি। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে সর্বস্ব দিয়ে লড়াই চালানো হবে বলেও হুমকি দিয়েছে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। খবর সংবাদ প্রতিদিনের।

দক্ষিণ চীন সাগরে আমেরিকার সঙ্গে সংঘাত বাড়ার পর থেকেই তাইওয়ান দখলে সক্রিয় হয়েছে চীন। বিগত কয়েক মাসে বহুবার দ্বীপরাষ্ট্রটির জলসীমা ও বায়ুসীমায় অনুপ্রবেশ করেছে চীনা রণতরী ও যুদ্ধবিমান। বেজিংয়ের মতলব যে ভাল নয়, তা বুঝতে পেরে কয়েকদিন আগেই যুদ্ধের প্রস্তুতি সেরে ফেলতে সামরিক মহড়া চালিয়েছে তাইওয়ান। এমন টালমাটাল পরিবেশে চীনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

লোমহর্ষক ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, একযোগে যুদ্ধের মহড়া চালাচ্ছে আর্মি, নেভি ও এয়ারফোর্স। অদৃশ্য শত্রুর উদ্দেশে দিগন্ত কাঁপিয়ে উড়ে যাচ্ছে মিসাইল। একর পর এক গোলা ছুঁড়ছে ট্যাংক বাহিনী। সমুদ্রে টহল দিচ্ছে নৌবাহিনীর জাহাজ। আকাশে টহল দিচ্ছে তাইওয়ানের বায়ুসেনার এফ-১৬ যুদ্ধবিমানগুলো। শত্রুপক্ষের বিমান ধ্বংস করতে উড়ে চলেছে ক্ষেপণাস্ত্র। সব মিলিয়ে একটি অত্যন্ত অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত সুশিক্ষিত বাহিনীর ছবি ফুটে উঠেছে ভিডিওটিতে। হামলা চালাতে এলে চীন যে নিজেই রক্তাক্ত হবে ভিডিওটিতে সেই বার্তাই দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার পর গত মাসে তাইওয়ানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসে ওয়াশিংটন। বিশ্লেষকদের মতে, ‘এক চীন’ নীতি থেকে দূরে সরে বেইজিংকে বৈঠকের মাধ্যমে স্পষ্ট বার্তা দেয় ওয়াশিংটন। বিষয়টি যে চীনের কাছেও স্পষ্ট তা বোঝা গিয়েছিল মার্কিন সচিবের ভ্রমণ নিয়ে বেইজিংয়ের অস্বস্তি ও শক্তি প্রদর্শনে। বরাবরই তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ হিসেবে দাবি করে এসেছে চীন। তাই আমেরিকাকে বার্তা দিতেই দু’দেশের বৈঠকের ঠিক আগে তাইওয়ানের প্রণালী দিয়ে জে ১১, জে ১০ যুদ্ধবিমান পাঠায় চীন। যদিও দু’টি যুদ্ধবিমানকে ধরে ফেলে ভূমি থেকে আকাশে ছোঁড়া যুদ্ধবিমান ধ্বংসকারী ক্ষেপণাস্ত্র। এই নিয়ে তৃতীয়বার তাইওয়ানের আকাশসীমায় ঢুকে চীনা যুদ্ধবিমান।