ঢাকা ০১:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এখন কি বলা যাবে উনি ঋণখেলাপি ছিলেন, আসলাম চৌধুরী প্রসঙ্গে জামায়াত এমপি বাবাকে অপমানের ক্ষোভে ৫ বছরের শিশুকে হত্যা করেন নিহা ‘রিফাইন্ড’ বা অন্য নামেও আওয়ামী লীগ কর্মসূচি করতে পারবে না : তথ্য উপদেষ্টা গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূতি উপলক্ষে জামায়াতের মাসব্যাপী কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল রাজধানীর তিন সরকারি হাসপাতালে র‍্যাবের অভিযান, আটক ১৩ পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনা প্রত্যাহার করল বিরোধী দল ১১ বছর পর রায়, বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

এখন এক সিরিজ আয়োজনে প্রয়োজন ১০০ কোটি টাকা!

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ না কমলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা শুরু করেছে ইংল্যান্ড। ইতোমধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলেছে ইংলিশরা।

এখন পাকিস্তানের সঙ্গে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলছে। বাবর আজমদের সঙ্গে এরপর খেলেবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। তবে করোনার সময়ে সিরিজ আয়োজন অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় খরচ বেশি হচ্ছে বলে বিসিবিকে জানিয়েছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)।

দেশের একটি জনপ্রিয় দৈনিককে দেয়া সাক্ষাতকারে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, এখন বায়োসিকিউরিটি বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত কঠিন। এখন সিরিজ আয়োজন অস্বাভাবিক খরুচে ব্যাপার। ইসিবি জানিয়েছে, একটা সিরিজে নাকি ৭-৮ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ হচ্ছে। প্রায় ১০০ কোটি টাকা! সরকারের সাহায্য ছাড়া বিসিবির পক্ষে এত টাকা খরচ করা সম্ভব নয়। যদি তাড়াতাড়ি করোনাভাইরাস এখান থেকে চলে যায় তাহলে ভালো।

মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে বড় ক্ষতি হয়ে গেল বাংলাদেশ দলের। এ বছরই রেকর্ডসংখ্যক টেস্ট ম্যাচ খেলার কথা ছিল টাইগারদের। কিন্তু করোনায় সেই সুযোগ নষ্ট হয়ে গেছে।

চলতি বছরের এপ্রিলে একটি ওয়ানডে ও একটি টেস্ট ম্যাচ খেলতে পাকিস্তান সফরে যাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ দলের। মে মাসে আয়ারল্যান্ড সফরে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার কথা ছিল। জুনে দুটি টেস্ট খেলতে বাংলাদেশে আসার কথা ছিল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার। জুলাই মাসে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে যাওয়ার কথা ছিল শ্রীলংকায়। এরপর আগস্টে দুই টেস্ট খেলতে আসার কথা ছিল নিউজিল্যান্ডের। করোনায় এতগুলো সিরিজ বাতিল হয়ে গেছে।

করোনাকালীন দেশে সিরিজ আয়োজন প্রসঙ্গে পাপন বলেছেন, এফটিপিতে এ বছর আমাদের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যেসব সিরিজ ছিল তারা সবাই আমাকে নিশ্চিত করেছে খেলাগুলো হবে। নতুন করে সূচি করতে হবে। শুধু অস্ট্রেলিয়া সিরিজের জন্য সময় বের করা যাচ্ছে না। আর সামনে যে সিরিজগুলো হওয়ার কথা সেগুলো ঠিকই আছে। ফেব্রুয়ারিতে আমরা নিউজিল্যান্ড যাব। জানুয়ারির ৪ তারিখে বাংলাদেশে আসবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মার্চে আসবে শ্রীলঙ্কা। পরিস্থিতি ভালো থাকলে সিরিজগুলো হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এখন কি বলা যাবে উনি ঋণখেলাপি ছিলেন, আসলাম চৌধুরী প্রসঙ্গে জামায়াত এমপি

এখন এক সিরিজ আয়োজনে প্রয়োজন ১০০ কোটি টাকা!

আপডেট সময় ০৯:০৪:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ না কমলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা শুরু করেছে ইংল্যান্ড। ইতোমধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলেছে ইংলিশরা।

এখন পাকিস্তানের সঙ্গে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলছে। বাবর আজমদের সঙ্গে এরপর খেলেবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। তবে করোনার সময়ে সিরিজ আয়োজন অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় খরচ বেশি হচ্ছে বলে বিসিবিকে জানিয়েছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)।

দেশের একটি জনপ্রিয় দৈনিককে দেয়া সাক্ষাতকারে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, এখন বায়োসিকিউরিটি বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত কঠিন। এখন সিরিজ আয়োজন অস্বাভাবিক খরুচে ব্যাপার। ইসিবি জানিয়েছে, একটা সিরিজে নাকি ৭-৮ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ হচ্ছে। প্রায় ১০০ কোটি টাকা! সরকারের সাহায্য ছাড়া বিসিবির পক্ষে এত টাকা খরচ করা সম্ভব নয়। যদি তাড়াতাড়ি করোনাভাইরাস এখান থেকে চলে যায় তাহলে ভালো।

মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে বড় ক্ষতি হয়ে গেল বাংলাদেশ দলের। এ বছরই রেকর্ডসংখ্যক টেস্ট ম্যাচ খেলার কথা ছিল টাইগারদের। কিন্তু করোনায় সেই সুযোগ নষ্ট হয়ে গেছে।

চলতি বছরের এপ্রিলে একটি ওয়ানডে ও একটি টেস্ট ম্যাচ খেলতে পাকিস্তান সফরে যাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ দলের। মে মাসে আয়ারল্যান্ড সফরে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার কথা ছিল। জুনে দুটি টেস্ট খেলতে বাংলাদেশে আসার কথা ছিল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার। জুলাই মাসে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে যাওয়ার কথা ছিল শ্রীলংকায়। এরপর আগস্টে দুই টেস্ট খেলতে আসার কথা ছিল নিউজিল্যান্ডের। করোনায় এতগুলো সিরিজ বাতিল হয়ে গেছে।

করোনাকালীন দেশে সিরিজ আয়োজন প্রসঙ্গে পাপন বলেছেন, এফটিপিতে এ বছর আমাদের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যেসব সিরিজ ছিল তারা সবাই আমাকে নিশ্চিত করেছে খেলাগুলো হবে। নতুন করে সূচি করতে হবে। শুধু অস্ট্রেলিয়া সিরিজের জন্য সময় বের করা যাচ্ছে না। আর সামনে যে সিরিজগুলো হওয়ার কথা সেগুলো ঠিকই আছে। ফেব্রুয়ারিতে আমরা নিউজিল্যান্ড যাব। জানুয়ারির ৪ তারিখে বাংলাদেশে আসবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মার্চে আসবে শ্রীলঙ্কা। পরিস্থিতি ভালো থাকলে সিরিজগুলো হবে।