ঢাকা ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এখন কি বলা যাবে উনি ঋণখেলাপি ছিলেন, আসলাম চৌধুরী প্রসঙ্গে জামায়াত এমপি বাবাকে অপমানের ক্ষোভে ৫ বছরের শিশুকে হত্যা করেন নিহা ‘রিফাইন্ড’ বা অন্য নামেও আওয়ামী লীগ কর্মসূচি করতে পারবে না : তথ্য উপদেষ্টা গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূতি উপলক্ষে জামায়াতের মাসব্যাপী কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল রাজধানীর তিন সরকারি হাসপাতালে র‍্যাবের অভিযান, আটক ১৩ পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনা প্রত্যাহার করল বিরোধী দল ১১ বছর পর রায়, বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

১১ বছর পর টেস্টে ফিরলেন পাকিস্তানের ফাওয়াদ!

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

ফাওয়াদ আলম যখন টেস্ট অভিষেক করেন, পাকিস্তানের অধিনায়ক ছিলেন ইউনুস খান। খেলেছিলেন মিসবাহ-উল-হক। তার দ্বিতীয় টেস্টেও তাই। তৃতীয় টেস্টে মোহাম্মদ ইউসুফ ছিলেন অধিনায়ক, ইউনুসকে তখন নিষিদ্ধ করেছে পিসিবি। সেই ইউনুস ফিরে এসেছেন, আরও প্রায় ৫ হাজার রান করে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ রান-সংগ্রাহক হিসেবে অবসর নিয়েছেন। এরপর হয়েছেন ব্যাটিং কোচ। মিসবাহ এর আগেই হয়েছেন পাকিস্তানের হেড কোচ ও প্রধান নির্বাচক। পাকিস্তান খেলে ফেলেছে আরও ৮৮ টেস্ট, ফাওয়াদ আর টেস্ট খেলেননি।

সেই ফাওয়াদ ফিরলেন। পাকিস্তানের টেস্ট একাদশে আবারও সুযোগ পেলেন প্রায় ১১ বছর পর! সাউদাম্পটনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্ট খেলছেন এই বাঁহাতি।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অভিষেক টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসেই সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন ফাওয়াদ। সে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের পর নিউজিল্যান্ড সফরে খেলেছিলেন আরেকটি। ৩ ম্যাচে ৪১.৬৬ গড়ে ২৫০ রান- ফাওয়াদের ক্যারিয়ার থমকে গিয়েছিল সেখানেই। এরপর ২০১৫ সালে পাকিস্তানের হয়ে শেষ খেলেছিলেন। তবে ক্রমাগত ঘরোয়া ক্রিকেটে রান করে গেছেন, নিজের দাবিটা জানিয়ে গেছেন বারবার। এর আগে তাকে দলে না নেওয়াতে বেশ সমালোচনার মুখেও পড়েছিলেন তখনকার প্রধান নির্বাচক ইনজামাম-উল-হক।

শেষ গত বছর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই স্কোয়াডে ডাকা হয়েছিল তাকে দেশের মাটিতে, তবে শেষ পর্যন্ত খেলানো হয়নি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচেও শাদাব খানের ব্যাটিং সামর্থ্যের কথা ভেবে দুই স্পিনার নিয়ে নেমেছিল পাকিস্তান, ফাওয়াদের সুযোগ মেলেনি। এবার শাদাবের বদলে নেওয়া হয়েছে তাকে।

ডানেডিনে নিজের শেষ টেস্টের পর ১০ বছর ২৫৯ কেটে গেছে ফাওয়াদের আরেকটি টেস্টের আগে। পাকিস্তানের হয়ে তার চেয়ে বেশি সময় বিরতি দিয়ে টেস্ট খেলেছেন শুধু একজন– ইউনিস আহমেদ। ১৯৮৭ সালে খেলতে নামার আগে শেষ টেস্ট খেলেছিলেন তিনি ১৯৬৯ সালে।

অবশ্য এ শতাব্দিতে ফাওয়াদের চেয়ে সব মিলিয়ে লম্বা বিরতিতে ‘এগিয়ে’ আছেন একজনই। ২০০৩ সালে অভিষেক করা ইংলিশ অফস্পিনার গ্যারেথ ব্যাটি ২০০৫ সাল পর্যন্ত খেলেছিলেন ৭টি টেস্ট, ৭ম টেস্টটি ছিল বাংলাদেশের বিপক্ষে। এরপর বাদ পড়েন। ১১ বছর ১৩৭ দিন পর ফিরেছিলেন ব্যাটি, বাংলাদেশের বিপক্ষেই। দ্বিতীয় দফাই খেলেছিলেন ২ টেস্ট।

সব মিলিয়ে অবশ্য রেকর্ডটা বেশ লম্বা। ১৯৯২ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের অভিষেক টেস্টে খেলেছিলেন জন ট্রাইকোস। এর আগে শেষ খেলেছিলেন যখন, তখন জিম্বাবুয়ে নামের দেশই ছিল না! দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ১৯৭০ সালে ৩টি টেস্ট খেলেছিলেন ট্রাইকোস। তার এই দুই টেস্টের মাঝে বিরতি ছিল ২২ বছর ২২২ দিন!

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এখন কি বলা যাবে উনি ঋণখেলাপি ছিলেন, আসলাম চৌধুরী প্রসঙ্গে জামায়াত এমপি

১১ বছর পর টেস্টে ফিরলেন পাকিস্তানের ফাওয়াদ!

আপডেট সময় ০৮:২২:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

ফাওয়াদ আলম যখন টেস্ট অভিষেক করেন, পাকিস্তানের অধিনায়ক ছিলেন ইউনুস খান। খেলেছিলেন মিসবাহ-উল-হক। তার দ্বিতীয় টেস্টেও তাই। তৃতীয় টেস্টে মোহাম্মদ ইউসুফ ছিলেন অধিনায়ক, ইউনুসকে তখন নিষিদ্ধ করেছে পিসিবি। সেই ইউনুস ফিরে এসেছেন, আরও প্রায় ৫ হাজার রান করে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ রান-সংগ্রাহক হিসেবে অবসর নিয়েছেন। এরপর হয়েছেন ব্যাটিং কোচ। মিসবাহ এর আগেই হয়েছেন পাকিস্তানের হেড কোচ ও প্রধান নির্বাচক। পাকিস্তান খেলে ফেলেছে আরও ৮৮ টেস্ট, ফাওয়াদ আর টেস্ট খেলেননি।

সেই ফাওয়াদ ফিরলেন। পাকিস্তানের টেস্ট একাদশে আবারও সুযোগ পেলেন প্রায় ১১ বছর পর! সাউদাম্পটনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্ট খেলছেন এই বাঁহাতি।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অভিষেক টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসেই সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন ফাওয়াদ। সে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের পর নিউজিল্যান্ড সফরে খেলেছিলেন আরেকটি। ৩ ম্যাচে ৪১.৬৬ গড়ে ২৫০ রান- ফাওয়াদের ক্যারিয়ার থমকে গিয়েছিল সেখানেই। এরপর ২০১৫ সালে পাকিস্তানের হয়ে শেষ খেলেছিলেন। তবে ক্রমাগত ঘরোয়া ক্রিকেটে রান করে গেছেন, নিজের দাবিটা জানিয়ে গেছেন বারবার। এর আগে তাকে দলে না নেওয়াতে বেশ সমালোচনার মুখেও পড়েছিলেন তখনকার প্রধান নির্বাচক ইনজামাম-উল-হক।

শেষ গত বছর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই স্কোয়াডে ডাকা হয়েছিল তাকে দেশের মাটিতে, তবে শেষ পর্যন্ত খেলানো হয়নি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচেও শাদাব খানের ব্যাটিং সামর্থ্যের কথা ভেবে দুই স্পিনার নিয়ে নেমেছিল পাকিস্তান, ফাওয়াদের সুযোগ মেলেনি। এবার শাদাবের বদলে নেওয়া হয়েছে তাকে।

ডানেডিনে নিজের শেষ টেস্টের পর ১০ বছর ২৫৯ কেটে গেছে ফাওয়াদের আরেকটি টেস্টের আগে। পাকিস্তানের হয়ে তার চেয়ে বেশি সময় বিরতি দিয়ে টেস্ট খেলেছেন শুধু একজন– ইউনিস আহমেদ। ১৯৮৭ সালে খেলতে নামার আগে শেষ টেস্ট খেলেছিলেন তিনি ১৯৬৯ সালে।

অবশ্য এ শতাব্দিতে ফাওয়াদের চেয়ে সব মিলিয়ে লম্বা বিরতিতে ‘এগিয়ে’ আছেন একজনই। ২০০৩ সালে অভিষেক করা ইংলিশ অফস্পিনার গ্যারেথ ব্যাটি ২০০৫ সাল পর্যন্ত খেলেছিলেন ৭টি টেস্ট, ৭ম টেস্টটি ছিল বাংলাদেশের বিপক্ষে। এরপর বাদ পড়েন। ১১ বছর ১৩৭ দিন পর ফিরেছিলেন ব্যাটি, বাংলাদেশের বিপক্ষেই। দ্বিতীয় দফাই খেলেছিলেন ২ টেস্ট।

সব মিলিয়ে অবশ্য রেকর্ডটা বেশ লম্বা। ১৯৯২ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের অভিষেক টেস্টে খেলেছিলেন জন ট্রাইকোস। এর আগে শেষ খেলেছিলেন যখন, তখন জিম্বাবুয়ে নামের দেশই ছিল না! দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ১৯৭০ সালে ৩টি টেস্ট খেলেছিলেন ট্রাইকোস। তার এই দুই টেস্টের মাঝে বিরতি ছিল ২২ বছর ২২২ দিন!