ঢাকা ০৯:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

শুক্রবার মেসিকে সবচেয়ে কঠিন কাজটি করতে হবে

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

লিসবনে বায়ার্নের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আগামীকালের (শুক্রবার) ম্যাচে জয়ের জন্য মেসিকে এমন কলাকৌশল অবলম্বন করতে হবে, যা তাকে এর আগে কখনো করতে হয়নি। শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে কোয়ার্টার ফাইনালের একমাত্র ম্যাচটি। বাংলাদেশ সময় রাত একটায় শুরু হবে ম্যাচ।

স্তাদিও দ্যা লুজে রুদ্ধদ্বারে অনুষ্ঠিত হবে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালটি। কারণ ওই ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছে ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলে অন্যতম সেরা দুটি ক্লাব বার্সেলোনা ও বায়ার্ন মিউনিখ। যারা এর আগে পাঁচবার করে জয় করেছে টুর্নামেন্টের শিরোপা।

মেসির বয়স এখন ৩৩ বছর। তারপরও তার উপর অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় বার্সেলোনাকে বেশি নির্ভরশীল হতে দেখা যাচ্ছে। ২০০৯ সালে পেপ গার্দিওলার নেতৃত্বাধীন কাতালান ক্লাবটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জয়েরর সময় কোয়ার্টার ফাইনালে এই বায়ার্নকেই পেয়েছিল প্রতিপক্ষ হিসেবে। ওই ম্যাচে মেসি একাই করেছিলেন দুই গোল। একই বছর তিনি আর্সেনালের বিপক্ষে করেছিলেন চারটি গোল। ২০১২ সালে বায়ার লিভারকুজেনের বিপক্ষে ৫ গোল করেছিলেন আর্জেন্টাইন সুপার স্টার। তবে ওই দুই আসরে ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল বার্সেলোনা।

২০১১ সালে সান্টিয়াগো বার্নব্যুতে রিয়াল মাদ্রিদকেও ডুবিয়েছিলেন মেসি। প্রথম লেগে তার জোড়া গোলের কল্যাণেই সেমিতে জায়গা করে নিতে পেরেছিল বার্সা। ওই ম্যাচে তার এমন একটি চমৎকার গোল রয়েছে যে গোলটি দীর্ঘদিন স্মরণ রাখবে দর্শকরা।

২০১৭ সালে প্যারিস সেন্ট জার্মেইর (পিএসজি) বিপক্ষে বার্সেলোনাকে অসাধারণ ভাবে ফিরিয়ে আনার কারিগর ছিলেন মেসি। শেষ ষোলোর প্রথম লেগে ৪-০ গোলে পরাজিত দলটি ফিরতি লেগে ফরাসি জায়ান্টকে বিধ্বস্ত করেছিল ৬-১ গোলে।

বর্তমান সময়ে অবশ্য হুমকির ধরন ভিন্ন। তার সহযোগী হিসেবে দলে আছেন লুইস সুয়ারেজ ও আঁতোয়ান গ্রিজম্যান। আর পেছনে থাকছেন ফ্রেঙ্কি ডি জং ও সার্জিও বাসকুইটস। কিছুটা দূরে থাকছেন জর্ডি আলবা। এমনকি রক্ষণে থাকা জেরার্ড পিকে এখনো লা লিগার সেরা ডিফেন্ডার। আর মার্স-আন্দ্রে টের স্টেগান হচ্ছেন বিশ্বের সেরা গোলরক্ষকদের একজন। সুতরাং মেসিকে একা কিছু করতে হচ্ছে না।

এদিকে বার্সা টিভিকে গ্রিজম্যান বলেন, ‘বায়ার্ন পূর্ণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে সত্যি ভাল খেলছে। তবে তাদের হরানোর অস্ত্র আমাদের আছে।’

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বে এর আগে ছয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। বায়ার্নের জয় তিনটি, বার্সেলোনার দুইটি। অন্য ম্যাচটি ড্র। তবে দুই লেগ মিলিয়ে নকআউট পর্ব পেরোনোর হিসাবে বার্সেলোনা দুইবার এবং বায়ার্ন একবার সফল হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাতারে শুরু কৃষি আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা

শুক্রবার মেসিকে সবচেয়ে কঠিন কাজটি করতে হবে

আপডেট সময় ০৯:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

লিসবনে বায়ার্নের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আগামীকালের (শুক্রবার) ম্যাচে জয়ের জন্য মেসিকে এমন কলাকৌশল অবলম্বন করতে হবে, যা তাকে এর আগে কখনো করতে হয়নি। শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে কোয়ার্টার ফাইনালের একমাত্র ম্যাচটি। বাংলাদেশ সময় রাত একটায় শুরু হবে ম্যাচ।

স্তাদিও দ্যা লুজে রুদ্ধদ্বারে অনুষ্ঠিত হবে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালটি। কারণ ওই ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছে ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলে অন্যতম সেরা দুটি ক্লাব বার্সেলোনা ও বায়ার্ন মিউনিখ। যারা এর আগে পাঁচবার করে জয় করেছে টুর্নামেন্টের শিরোপা।

মেসির বয়স এখন ৩৩ বছর। তারপরও তার উপর অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় বার্সেলোনাকে বেশি নির্ভরশীল হতে দেখা যাচ্ছে। ২০০৯ সালে পেপ গার্দিওলার নেতৃত্বাধীন কাতালান ক্লাবটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জয়েরর সময় কোয়ার্টার ফাইনালে এই বায়ার্নকেই পেয়েছিল প্রতিপক্ষ হিসেবে। ওই ম্যাচে মেসি একাই করেছিলেন দুই গোল। একই বছর তিনি আর্সেনালের বিপক্ষে করেছিলেন চারটি গোল। ২০১২ সালে বায়ার লিভারকুজেনের বিপক্ষে ৫ গোল করেছিলেন আর্জেন্টাইন সুপার স্টার। তবে ওই দুই আসরে ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল বার্সেলোনা।

২০১১ সালে সান্টিয়াগো বার্নব্যুতে রিয়াল মাদ্রিদকেও ডুবিয়েছিলেন মেসি। প্রথম লেগে তার জোড়া গোলের কল্যাণেই সেমিতে জায়গা করে নিতে পেরেছিল বার্সা। ওই ম্যাচে তার এমন একটি চমৎকার গোল রয়েছে যে গোলটি দীর্ঘদিন স্মরণ রাখবে দর্শকরা।

২০১৭ সালে প্যারিস সেন্ট জার্মেইর (পিএসজি) বিপক্ষে বার্সেলোনাকে অসাধারণ ভাবে ফিরিয়ে আনার কারিগর ছিলেন মেসি। শেষ ষোলোর প্রথম লেগে ৪-০ গোলে পরাজিত দলটি ফিরতি লেগে ফরাসি জায়ান্টকে বিধ্বস্ত করেছিল ৬-১ গোলে।

বর্তমান সময়ে অবশ্য হুমকির ধরন ভিন্ন। তার সহযোগী হিসেবে দলে আছেন লুইস সুয়ারেজ ও আঁতোয়ান গ্রিজম্যান। আর পেছনে থাকছেন ফ্রেঙ্কি ডি জং ও সার্জিও বাসকুইটস। কিছুটা দূরে থাকছেন জর্ডি আলবা। এমনকি রক্ষণে থাকা জেরার্ড পিকে এখনো লা লিগার সেরা ডিফেন্ডার। আর মার্স-আন্দ্রে টের স্টেগান হচ্ছেন বিশ্বের সেরা গোলরক্ষকদের একজন। সুতরাং মেসিকে একা কিছু করতে হচ্ছে না।

এদিকে বার্সা টিভিকে গ্রিজম্যান বলেন, ‘বায়ার্ন পূর্ণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে সত্যি ভাল খেলছে। তবে তাদের হরানোর অস্ত্র আমাদের আছে।’

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বে এর আগে ছয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। বায়ার্নের জয় তিনটি, বার্সেলোনার দুইটি। অন্য ম্যাচটি ড্র। তবে দুই লেগ মিলিয়ে নকআউট পর্ব পেরোনোর হিসাবে বার্সেলোনা দুইবার এবং বায়ার্ন একবার সফল হয়েছে।