ঢাকা ০২:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

প্রকল্পে অস্বাভাবিক খরচ ঠেকাতে সরকারের উদ্যোগ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অস্বাভাবিক খরচের বিষয়টি প্রায়ই উঠে আসে গণমাধ্যমে। এমন আস্বাভাবিক খরচ যেন না হয় সে বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয়া হবে এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবসহ ৩০টি মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। সবাই একমত হয়েছেন যে, এসব বিষয় আর মেনে নেয়া যাবে না। এগুলো শোধরানোর জন্য এ বছর থেকেই সবাই একসঙ্গে কাজ করবেন। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এর বাস্তবায়ন দেখা যাবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সবাই একমত হয়েছি যে, করোনার জন্য নয়, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় যেকোনো পরিস্থিতিতে পরিহার করতে হবে। এটা অপরিহার্য। প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন সময় আমি শেয়ার করেছি। তিনি বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। তিনি আমাদেরকে এ সম্বন্ধে আমাদেরকে নির্দেশনা দিয়েছেন যে, এগুলো গ্রহণ করবেন না। আমাদের কাছ থেকে শুনেন, তা নয়। তার (প্রধানমন্ত্রীর) নিজের নজরেও আসছে। বিশেষ প্রকল্পের রিভিশন নিয়ে তিনি প্রায়ই প্রশ্ন করেন, এত রিভিশন কেন করেন। প্রথমে বললেন দুই-তিন বছরের প্রকল্প। তারপরে এক বছরের মাথায় এসে বলেন, চার বছর লাগবে। আরেক বছর পরে আবার এসে বললেন ব্যয় বাড়াতে হবে। এগুলো তিনি মনে করেন যে, শৃঙ্খলাবিরোধী। এটা আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি।’

একজন লোকের কাছে চারটা, পাঁচটা, ছয়টা প্রকল্প। ১০টা প্রকল্পও পাওয়া গেছে এমন তথ্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘এটা আমাদের সার্কুলার বিরোধী, বিধান বিরোধী। তারপরও করে যাচ্ছি এটা। সুনামগঞ্জের প্রকল্পে প্রকল্প পরিচালক ঢাকায়। এটা গ্রহণযোগ্য নয়। এটা আগেও আলোচনা করেছি। আবার আলোচনা করছি। বারবার করে করে এটাকে আমরা শোধরাবার চেষ্টা করছি। শোধরানো দরকার। এ সমন্ধে কোনো সন্দেহ নাই। আমরা সবাই একমত। আমরা একমত হয়েছি, এসব বিষয় আর মেনে নেয়া যাবে না। এগুলো শোধরানোর জন্য আমরা সবাই আবার একসঙ্গে কাজ করবো।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

প্রকল্পে অস্বাভাবিক খরচ ঠেকাতে সরকারের উদ্যোগ

আপডেট সময় ০৭:৫৮:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অস্বাভাবিক খরচের বিষয়টি প্রায়ই উঠে আসে গণমাধ্যমে। এমন আস্বাভাবিক খরচ যেন না হয় সে বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেয়া হবে এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবসহ ৩০টি মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। সবাই একমত হয়েছেন যে, এসব বিষয় আর মেনে নেয়া যাবে না। এগুলো শোধরানোর জন্য এ বছর থেকেই সবাই একসঙ্গে কাজ করবেন। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এর বাস্তবায়ন দেখা যাবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সবাই একমত হয়েছি যে, করোনার জন্য নয়, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় যেকোনো পরিস্থিতিতে পরিহার করতে হবে। এটা অপরিহার্য। প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন সময় আমি শেয়ার করেছি। তিনি বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। তিনি আমাদেরকে এ সম্বন্ধে আমাদেরকে নির্দেশনা দিয়েছেন যে, এগুলো গ্রহণ করবেন না। আমাদের কাছ থেকে শুনেন, তা নয়। তার (প্রধানমন্ত্রীর) নিজের নজরেও আসছে। বিশেষ প্রকল্পের রিভিশন নিয়ে তিনি প্রায়ই প্রশ্ন করেন, এত রিভিশন কেন করেন। প্রথমে বললেন দুই-তিন বছরের প্রকল্প। তারপরে এক বছরের মাথায় এসে বলেন, চার বছর লাগবে। আরেক বছর পরে আবার এসে বললেন ব্যয় বাড়াতে হবে। এগুলো তিনি মনে করেন যে, শৃঙ্খলাবিরোধী। এটা আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি।’

একজন লোকের কাছে চারটা, পাঁচটা, ছয়টা প্রকল্প। ১০টা প্রকল্পও পাওয়া গেছে এমন তথ্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘এটা আমাদের সার্কুলার বিরোধী, বিধান বিরোধী। তারপরও করে যাচ্ছি এটা। সুনামগঞ্জের প্রকল্পে প্রকল্প পরিচালক ঢাকায়। এটা গ্রহণযোগ্য নয়। এটা আগেও আলোচনা করেছি। আবার আলোচনা করছি। বারবার করে করে এটাকে আমরা শোধরাবার চেষ্টা করছি। শোধরানো দরকার। এ সমন্ধে কোনো সন্দেহ নাই। আমরা সবাই একমত। আমরা একমত হয়েছি, এসব বিষয় আর মেনে নেয়া যাবে না। এগুলো শোধরানোর জন্য আমরা সবাই আবার একসঙ্গে কাজ করবো।’