ঢাকা ১০:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আপাতত গ্রুপ অনুশীলন শুরুর পরিকল্পনা নেই বিসিবির

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ব্যবস্থাপনায় দেশের ৫টি ভেন্যুতে একক অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছিল জাতীয় ক্রিকেট দলের বেশ কিছু ক্রিকেটার। তবে চাইলে জাতীয় দলের বাইরের ক্রিকেটাররাও এই সুযোগ গ্রহণ করতে পারবেন।

নাদিফ চৌধুরী, ইলিয়াস সানি, শামসুর রহমান শুভ’র মত ক্রিকেটাররা ঘরোয়া ক্রিকেটের পরিচিত মুখ। ক্যারিয়ারের বিভিন্ন পর্যায়ে তারা জাতীয় দলেরও প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এমন ক্রিকেটাররা নিজেদের ফিটনেস ধরে রাখার জন্য অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন নিজেদের মতো করে।

বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স এর চেয়ারম্যান আকরাম খান বলেন, এ ধরনের খেলোয়াড়রা ইচ্ছা করলে মুশফিকুর রহিমদের মত একক অনুশীলনের সুযোগ নিতে পারেন। জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক বলেছেন, ‘যাদের আগ্রহ আছে তারা আমাদের কাছে আবেদন করতে পারেন। বিসিবি অবশ্যই তাদের জন্য অনুশীলনের ব্যবস্থা করে দেবে।’

তবে এই মুহূর্তেই গ্রুপ অনুশীলনের পক্ষে নন আকরাম। এমনকি আগ্রহী খেলোয়াড়ের সংখ্যা বেড়ে গেলে তাদের সবার জন্য একক অনুশীলনের ব্যবস্থা কারাটাও বিসিবির জন্য কঠিন হবে। বাইরের খেলোয়াড় ছাড়া জাতীয় দলের অনেক খেলোয়াড় রয়েছেন যারা ঈদ উল আজহার ছুটির পর মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও দেশের অন্যান্য স্টেডিয়ামে অনুশীলন করতে ঝাপিয়ে পড়তে পারেন। তাই এই সময় এসব ভেন্যুতে ভিড় বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আকরাম বলেন, ‘সব খেলোয়াড়েরর জন্য একক অনুশীলনের আয়োজন করাটা কঠিন হবে। তবে আমরা যেকোনোভাবেই এর ব্যবস্থা করতে পারব। এখনো করোনা পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ। তাই গ্রুপ অনুশীলন শুরুর কোনো পরিকল্পনা আপাতত আমাদের নেই। তবে আমরা পরিস্থিতির উপর বেশ ভালোভাবেই নজর রাখছি।’

এর আগে কোভিড-১৯ এর স্বাস্থ্য বিধি মেনে প্রথম দফার অনুশীলনের সুযোগ কাজে লাগিয়েছে জাতীয় দলের ১৪ জন ক্রিকেটার। খেলোয়াড়দের আউটডোর অনুশীলনেরর আগ্রহের কারণে বিসিবি ১৯ জুলাই ৯ জন খেলোয়াড় নিয়ে অনুশীলনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। এসব খেলোয়াড়রা ঢাকা, সিলেট, খুলনা ও চট্টগ্রামের ভেন্যুতে একক অনুশীলন শুরু করেন।

এরপর রাজশাহী ভেন্যুটিকেও অনুশীলনের জন্য খুলে দেয় বোর্ড। যেখানে অনুশীলন শুরু করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিথুন, শফিউল ইসলাম, ইমরুল কায়েস, তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান রানা তাদের অনুশীলনের জন্য বেছে নেন শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামকে। পরে তাদের সঙ্গী হন এনামুল হক বিজয়।

মেহেদী হাসান মিরাজ, মেহেদী হাসান ও নুরুল হাসান সোহান অনুশীলন করেছেন খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে। নাসুম আহমেদ ও সৈয়দ খালেদ আহমেদ অনুশীলন করেছেন সিলেটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। আর চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুশীলন করেছেন নাঈম হাসান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

আপাতত গ্রুপ অনুশীলন শুরুর পরিকল্পনা নেই বিসিবির

আপডেট সময় ০৯:৩১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ব্যবস্থাপনায় দেশের ৫টি ভেন্যুতে একক অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছিল জাতীয় ক্রিকেট দলের বেশ কিছু ক্রিকেটার। তবে চাইলে জাতীয় দলের বাইরের ক্রিকেটাররাও এই সুযোগ গ্রহণ করতে পারবেন।

নাদিফ চৌধুরী, ইলিয়াস সানি, শামসুর রহমান শুভ’র মত ক্রিকেটাররা ঘরোয়া ক্রিকেটের পরিচিত মুখ। ক্যারিয়ারের বিভিন্ন পর্যায়ে তারা জাতীয় দলেরও প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এমন ক্রিকেটাররা নিজেদের ফিটনেস ধরে রাখার জন্য অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন নিজেদের মতো করে।

বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স এর চেয়ারম্যান আকরাম খান বলেন, এ ধরনের খেলোয়াড়রা ইচ্ছা করলে মুশফিকুর রহিমদের মত একক অনুশীলনের সুযোগ নিতে পারেন। জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক বলেছেন, ‘যাদের আগ্রহ আছে তারা আমাদের কাছে আবেদন করতে পারেন। বিসিবি অবশ্যই তাদের জন্য অনুশীলনের ব্যবস্থা করে দেবে।’

তবে এই মুহূর্তেই গ্রুপ অনুশীলনের পক্ষে নন আকরাম। এমনকি আগ্রহী খেলোয়াড়ের সংখ্যা বেড়ে গেলে তাদের সবার জন্য একক অনুশীলনের ব্যবস্থা কারাটাও বিসিবির জন্য কঠিন হবে। বাইরের খেলোয়াড় ছাড়া জাতীয় দলের অনেক খেলোয়াড় রয়েছেন যারা ঈদ উল আজহার ছুটির পর মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও দেশের অন্যান্য স্টেডিয়ামে অনুশীলন করতে ঝাপিয়ে পড়তে পারেন। তাই এই সময় এসব ভেন্যুতে ভিড় বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আকরাম বলেন, ‘সব খেলোয়াড়েরর জন্য একক অনুশীলনের আয়োজন করাটা কঠিন হবে। তবে আমরা যেকোনোভাবেই এর ব্যবস্থা করতে পারব। এখনো করোনা পরিস্থিতি ঝুঁকিপূর্ণ। তাই গ্রুপ অনুশীলন শুরুর কোনো পরিকল্পনা আপাতত আমাদের নেই। তবে আমরা পরিস্থিতির উপর বেশ ভালোভাবেই নজর রাখছি।’

এর আগে কোভিড-১৯ এর স্বাস্থ্য বিধি মেনে প্রথম দফার অনুশীলনের সুযোগ কাজে লাগিয়েছে জাতীয় দলের ১৪ জন ক্রিকেটার। খেলোয়াড়দের আউটডোর অনুশীলনেরর আগ্রহের কারণে বিসিবি ১৯ জুলাই ৯ জন খেলোয়াড় নিয়ে অনুশীলনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। এসব খেলোয়াড়রা ঢাকা, সিলেট, খুলনা ও চট্টগ্রামের ভেন্যুতে একক অনুশীলন শুরু করেন।

এরপর রাজশাহী ভেন্যুটিকেও অনুশীলনের জন্য খুলে দেয় বোর্ড। যেখানে অনুশীলন শুরু করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিথুন, শফিউল ইসলাম, ইমরুল কায়েস, তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান রানা তাদের অনুশীলনের জন্য বেছে নেন শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামকে। পরে তাদের সঙ্গী হন এনামুল হক বিজয়।

মেহেদী হাসান মিরাজ, মেহেদী হাসান ও নুরুল হাসান সোহান অনুশীলন করেছেন খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে। নাসুম আহমেদ ও সৈয়দ খালেদ আহমেদ অনুশীলন করেছেন সিলেটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। আর চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুশীলন করেছেন নাঈম হাসান।