ঢাকা ১০:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সবাই আত্মবিশ্বাসী হলে দলগত অনুশীলন সম্ভব: মুশফিক

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

ঈদুল আজহার বিরতির পর সংক্ষিপ্ত আকারে দলগত অনুশীলনের উপর জোড় দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। তার বিশ্বাস মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের পরিবেশ আরামদায়ক ও নিরাপদ।

তিনি জানান, ব্যক্তিগত অনুশীলনের জন্য মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে আসার পর করোনাভাইরাস নিয়ে ভয় অনেকটাই দূর হয়ে গেছে।

অবশ্য মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামটি করোনাভাইরাসের কারনে রেড জোন হিসেবে বিবেচিত ছিলো, আর খেলোয়াড়দের এটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণও হিসেবে আশঙ্কাও করা হয়েছিলো।

কিন্তু নিজেদের ফিট রাখতে শেষ পর্যন্ত মাঠে ফিরে খেলোয়াড়রা। খেলোয়াড়দের সুরক্ষার জন্য সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

আজ অনুশীলনের প্রথম পর্ব শেষ হবার পর মুশফিক বলেন, ‘শুরুর দিকে আমি দ্বিধায় ছিলাম। একটু ভয় লাগছিল যে, কীভাবে কি হবে, আর সবকিছু ঠিক-ঠাক হবে কি-না। যেহেতু মিরপুরের আশেপাশে সব জায়গায় রেড জোন। এখানে এসে, আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে।’

তিনি আর বলেন, ‘এখানে পরিবেশ সুন্দর ও পরিষ্কার। আমি মনে করি, ব্যক্তিগত অনুশীলনে বাকি যে ৫-৬ জন আমার সঙ্গে করেছে তারাও একমত হবে। খুবই ভালো একটা পরিবেশে আমরা অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছি। যদি সকলে আত্মবিশ্বাসী হয়, তবে আমার মনে হয় গ্রুপে ১৫-২০ জন না হলেও দুই-পাঁচ বা সাতজন এক সাথে অনুশীলন শুরু করতে পারি।’

খেলোয়াড়দের জন্য কড়া প্রটোকলের অনুশীলনের ব্যবস্থা করায়, বিসিবিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুুশফিক। তিনি বলেন, ‘বিসিবি তাদের কাজটি দারুনভাবে সম্পন্ন করেছে। আমাদের বিসিবিকে ধন্যবাদ জানাতে হবে, বিশেষভাবে ক্রিকেট অপারেশন্স ডিপার্টমেন্টকে। সব কিছুই দারুনভাবে পরিচালনা করা হয়েছে এবং শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে এখানে অনুশীলনের জন্য একটি ভালো পরিকল্পনা করা হয়। বক্তিগত অনুশীলনটি আমাদের ভালো ছিলো। বাড়িতে চার মাস থাকার পর সূর্যের আলোতে আমরা অনুশীলন করার সুযোগ পাই, যা আমাদের জন্যঅত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিলো।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

সবাই আত্মবিশ্বাসী হলে দলগত অনুশীলন সম্ভব: মুশফিক

আপডেট সময় ০৯:৪০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

ঈদুল আজহার বিরতির পর সংক্ষিপ্ত আকারে দলগত অনুশীলনের উপর জোড় দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। তার বিশ্বাস মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের পরিবেশ আরামদায়ক ও নিরাপদ।

তিনি জানান, ব্যক্তিগত অনুশীলনের জন্য মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে আসার পর করোনাভাইরাস নিয়ে ভয় অনেকটাই দূর হয়ে গেছে।

অবশ্য মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামটি করোনাভাইরাসের কারনে রেড জোন হিসেবে বিবেচিত ছিলো, আর খেলোয়াড়দের এটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণও হিসেবে আশঙ্কাও করা হয়েছিলো।

কিন্তু নিজেদের ফিট রাখতে শেষ পর্যন্ত মাঠে ফিরে খেলোয়াড়রা। খেলোয়াড়দের সুরক্ষার জন্য সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

আজ অনুশীলনের প্রথম পর্ব শেষ হবার পর মুশফিক বলেন, ‘শুরুর দিকে আমি দ্বিধায় ছিলাম। একটু ভয় লাগছিল যে, কীভাবে কি হবে, আর সবকিছু ঠিক-ঠাক হবে কি-না। যেহেতু মিরপুরের আশেপাশে সব জায়গায় রেড জোন। এখানে এসে, আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে।’

তিনি আর বলেন, ‘এখানে পরিবেশ সুন্দর ও পরিষ্কার। আমি মনে করি, ব্যক্তিগত অনুশীলনে বাকি যে ৫-৬ জন আমার সঙ্গে করেছে তারাও একমত হবে। খুবই ভালো একটা পরিবেশে আমরা অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছি। যদি সকলে আত্মবিশ্বাসী হয়, তবে আমার মনে হয় গ্রুপে ১৫-২০ জন না হলেও দুই-পাঁচ বা সাতজন এক সাথে অনুশীলন শুরু করতে পারি।’

খেলোয়াড়দের জন্য কড়া প্রটোকলের অনুশীলনের ব্যবস্থা করায়, বিসিবিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুুশফিক। তিনি বলেন, ‘বিসিবি তাদের কাজটি দারুনভাবে সম্পন্ন করেছে। আমাদের বিসিবিকে ধন্যবাদ জানাতে হবে, বিশেষভাবে ক্রিকেট অপারেশন্স ডিপার্টমেন্টকে। সব কিছুই দারুনভাবে পরিচালনা করা হয়েছে এবং শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে এখানে অনুশীলনের জন্য একটি ভালো পরিকল্পনা করা হয়। বক্তিগত অনুশীলনটি আমাদের ভালো ছিলো। বাড়িতে চার মাস থাকার পর সূর্যের আলোতে আমরা অনুশীলন করার সুযোগ পাই, যা আমাদের জন্যঅত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিলো।’