ঢাকা ১০:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

৬ মাসের শিশুকে হত্যা; ধর্ষণের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

হত্যার দীর্ঘ ৮ মাস পর ময়নাতদন্তসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর আশুলিয়ায় ৬ মাসের শিশু মারিয়া কে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। এঘটানায় অভিযুক্ত ধর্ষক ও হত্যাকারী শিমুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। খবর পেয়ে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় বন্যায় পানিবন্দী বাবা ও স্বজনরা ছুটে এসেছেন নির্মম ঘটনার বিচারের আশায়।

শনিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার এস আই সাজ্জাদুর রহমান। এর আগে শুক্রবার রাতে তাকে আশুলিয়ার গাজীরচটের বুড়িবাজার থেকে শিমুলকে গ্রেফতার করা হয়। সঙ্গে তার শাশুড়ি ও নিহত শিশুটির পরিচর্যাকারী নুরজাহান বেগমকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। নিহত শিশুর বাবা ফারুক প্রারমানিক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

গ্রেফতার শিমুল (২৫) নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের রসুলপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। সে আশুলিয়ার কাইচাবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতো। এবং নুরজাহান জামালপুর জেলার আটাবরি এলাকার মৃত মেহের আলীর স্ত্রী। শিমুল সম্পর্কে নুরজাহান বেগমের মেয়ের জামাই। তিনিও আশুলিয়ার গাজীরচটের বুড়িরবাজার এলাকায় ভাড়া থেকে শিশু পরিচর্যা করে জীবিকা নির্বাহ করতো।

শিশুর এমন নির্মম ঘটনার বিচার চাইলেন হতভাগা বাবা। আর এভাবে যেন কোন শিশুকে প্রাণ হারাতে না হয়, সেই দাবিও জানালেন তিনি।

পুলিশ জানায়, গত ২৩ ডিসেম্বর আশুলিয়ার বুড়িবাজার এলাকায় পরিচর্যাকারী নরুজাহানের কাছে থাকা অবস্থায় শিশু মারিয়ার রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তখন শিশুর শরীরে ও মলদ্বারে কিছু অস্বাভিবকতা ছিল। পরে নিহত শিশুর ময়নাতদন্তসহ বিভিন্ন পরীক্ষা নীরিক্ষা দেয়া হয়। বেশ কয়েকটি পরীক্ষার করানোর পর নিশ্চিত হন শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে। সেই সূত্র ধরে শিশু পরিচর্যাকারী নুরজাহানের মেয়ের জামাই শিমুলকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া তথ্য গোপন ও অপরাধীকে বাঁচানোর চেষ্টার জন্য শিমুলের শাশুড়ি নরুজাহান বেগমকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৬ মাসের শিশুকে হত্যা; ধর্ষণের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ

আপডেট সময় ১০:২৫:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

হত্যার দীর্ঘ ৮ মাস পর ময়নাতদন্তসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর আশুলিয়ায় ৬ মাসের শিশু মারিয়া কে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। এঘটানায় অভিযুক্ত ধর্ষক ও হত্যাকারী শিমুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। খবর পেয়ে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় বন্যায় পানিবন্দী বাবা ও স্বজনরা ছুটে এসেছেন নির্মম ঘটনার বিচারের আশায়।

শনিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার এস আই সাজ্জাদুর রহমান। এর আগে শুক্রবার রাতে তাকে আশুলিয়ার গাজীরচটের বুড়িবাজার থেকে শিমুলকে গ্রেফতার করা হয়। সঙ্গে তার শাশুড়ি ও নিহত শিশুটির পরিচর্যাকারী নুরজাহান বেগমকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। নিহত শিশুর বাবা ফারুক প্রারমানিক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

গ্রেফতার শিমুল (২৫) নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের রসুলপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। সে আশুলিয়ার কাইচাবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতো। এবং নুরজাহান জামালপুর জেলার আটাবরি এলাকার মৃত মেহের আলীর স্ত্রী। শিমুল সম্পর্কে নুরজাহান বেগমের মেয়ের জামাই। তিনিও আশুলিয়ার গাজীরচটের বুড়িরবাজার এলাকায় ভাড়া থেকে শিশু পরিচর্যা করে জীবিকা নির্বাহ করতো।

শিশুর এমন নির্মম ঘটনার বিচার চাইলেন হতভাগা বাবা। আর এভাবে যেন কোন শিশুকে প্রাণ হারাতে না হয়, সেই দাবিও জানালেন তিনি।

পুলিশ জানায়, গত ২৩ ডিসেম্বর আশুলিয়ার বুড়িবাজার এলাকায় পরিচর্যাকারী নরুজাহানের কাছে থাকা অবস্থায় শিশু মারিয়ার রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তখন শিশুর শরীরে ও মলদ্বারে কিছু অস্বাভিবকতা ছিল। পরে নিহত শিশুর ময়নাতদন্তসহ বিভিন্ন পরীক্ষা নীরিক্ষা দেয়া হয়। বেশ কয়েকটি পরীক্ষার করানোর পর নিশ্চিত হন শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে। সেই সূত্র ধরে শিশু পরিচর্যাকারী নুরজাহানের মেয়ের জামাই শিমুলকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া তথ্য গোপন ও অপরাধীকে বাঁচানোর চেষ্টার জন্য শিমুলের শাশুড়ি নরুজাহান বেগমকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।