ঢাকা ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই সনদকে অস্বীকার করে বিএনপি জাতির সঙ্গে গাদ্দারি করছে:নাহিদ ইসলাম দেশের স্বার্থে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী মিরপুরে সরকারি অফিসার্স কোয়ার্টারে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট ধ্বংসস্তূপের নিচে ৩২ ঘণ্টার বিভীষিকা, যেভাবে বেঁচে ফিরল ১২ বছরের কিশোরী ব্যাটিং ব্যর্থতায় জিম্বাবুয়ের কাছে হারল বাংলাদেশ প্রতিটি ক্লাশরুমে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, শ্রেণিকক্ষেই স্কুলছাত্রের বিষপান খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম জুলাইয়ের ৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার ক্ষমতাচ্যুত হাসিনা দেশে ফিরলে আইনের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে: রুমিন ফারহানা

৬ মাসের শিশুকে হত্যা; ধর্ষণের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

হত্যার দীর্ঘ ৮ মাস পর ময়নাতদন্তসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর আশুলিয়ায় ৬ মাসের শিশু মারিয়া কে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। এঘটানায় অভিযুক্ত ধর্ষক ও হত্যাকারী শিমুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। খবর পেয়ে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় বন্যায় পানিবন্দী বাবা ও স্বজনরা ছুটে এসেছেন নির্মম ঘটনার বিচারের আশায়।

শনিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার এস আই সাজ্জাদুর রহমান। এর আগে শুক্রবার রাতে তাকে আশুলিয়ার গাজীরচটের বুড়িবাজার থেকে শিমুলকে গ্রেফতার করা হয়। সঙ্গে তার শাশুড়ি ও নিহত শিশুটির পরিচর্যাকারী নুরজাহান বেগমকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। নিহত শিশুর বাবা ফারুক প্রারমানিক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

গ্রেফতার শিমুল (২৫) নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের রসুলপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। সে আশুলিয়ার কাইচাবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতো। এবং নুরজাহান জামালপুর জেলার আটাবরি এলাকার মৃত মেহের আলীর স্ত্রী। শিমুল সম্পর্কে নুরজাহান বেগমের মেয়ের জামাই। তিনিও আশুলিয়ার গাজীরচটের বুড়িরবাজার এলাকায় ভাড়া থেকে শিশু পরিচর্যা করে জীবিকা নির্বাহ করতো।

শিশুর এমন নির্মম ঘটনার বিচার চাইলেন হতভাগা বাবা। আর এভাবে যেন কোন শিশুকে প্রাণ হারাতে না হয়, সেই দাবিও জানালেন তিনি।

পুলিশ জানায়, গত ২৩ ডিসেম্বর আশুলিয়ার বুড়িবাজার এলাকায় পরিচর্যাকারী নরুজাহানের কাছে থাকা অবস্থায় শিশু মারিয়ার রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তখন শিশুর শরীরে ও মলদ্বারে কিছু অস্বাভিবকতা ছিল। পরে নিহত শিশুর ময়নাতদন্তসহ বিভিন্ন পরীক্ষা নীরিক্ষা দেয়া হয়। বেশ কয়েকটি পরীক্ষার করানোর পর নিশ্চিত হন শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে। সেই সূত্র ধরে শিশু পরিচর্যাকারী নুরজাহানের মেয়ের জামাই শিমুলকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া তথ্য গোপন ও অপরাধীকে বাঁচানোর চেষ্টার জন্য শিমুলের শাশুড়ি নরুজাহান বেগমকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই সনদকে অস্বীকার করে বিএনপি জাতির সঙ্গে গাদ্দারি করছে:নাহিদ ইসলাম

৬ মাসের শিশুকে হত্যা; ধর্ষণের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ

আপডেট সময় ১০:২৫:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

হত্যার দীর্ঘ ৮ মাস পর ময়নাতদন্তসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর আশুলিয়ায় ৬ মাসের শিশু মারিয়া কে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। এঘটানায় অভিযুক্ত ধর্ষক ও হত্যাকারী শিমুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। খবর পেয়ে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় বন্যায় পানিবন্দী বাবা ও স্বজনরা ছুটে এসেছেন নির্মম ঘটনার বিচারের আশায়।

শনিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার এস আই সাজ্জাদুর রহমান। এর আগে শুক্রবার রাতে তাকে আশুলিয়ার গাজীরচটের বুড়িবাজার থেকে শিমুলকে গ্রেফতার করা হয়। সঙ্গে তার শাশুড়ি ও নিহত শিশুটির পরিচর্যাকারী নুরজাহান বেগমকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। নিহত শিশুর বাবা ফারুক প্রারমানিক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

গ্রেফতার শিমুল (২৫) নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের রসুলপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। সে আশুলিয়ার কাইচাবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতো। এবং নুরজাহান জামালপুর জেলার আটাবরি এলাকার মৃত মেহের আলীর স্ত্রী। শিমুল সম্পর্কে নুরজাহান বেগমের মেয়ের জামাই। তিনিও আশুলিয়ার গাজীরচটের বুড়িরবাজার এলাকায় ভাড়া থেকে শিশু পরিচর্যা করে জীবিকা নির্বাহ করতো।

শিশুর এমন নির্মম ঘটনার বিচার চাইলেন হতভাগা বাবা। আর এভাবে যেন কোন শিশুকে প্রাণ হারাতে না হয়, সেই দাবিও জানালেন তিনি।

পুলিশ জানায়, গত ২৩ ডিসেম্বর আশুলিয়ার বুড়িবাজার এলাকায় পরিচর্যাকারী নরুজাহানের কাছে থাকা অবস্থায় শিশু মারিয়ার রহস্যজনক মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তখন শিশুর শরীরে ও মলদ্বারে কিছু অস্বাভিবকতা ছিল। পরে নিহত শিশুর ময়নাতদন্তসহ বিভিন্ন পরীক্ষা নীরিক্ষা দেয়া হয়। বেশ কয়েকটি পরীক্ষার করানোর পর নিশ্চিত হন শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে। সেই সূত্র ধরে শিশু পরিচর্যাকারী নুরজাহানের মেয়ের জামাই শিমুলকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া তথ্য গোপন ও অপরাধীকে বাঁচানোর চেষ্টার জন্য শিমুলের শাশুড়ি নরুজাহান বেগমকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।