ঢাকা ১২:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ভারত সীমান্তে চীনের রণহুংকার, পাল্টা জবাবে এক দশক পিছিয়ে দিল্লি গ্যাস সংকট স্বাভাবিক হতে লাগবে আরও ১০–১৫ দিন: জ্বালানিমন্ত্রী গ্রন্থাগারে ঢুকে শিক্ষার্থীদের মারধর করলেন রাকসু ও শিবির নেতারা চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণ শুরু, আসবে ১.৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের আন্দোলনের সফলতাকে নিজেদের বলে দাবি করেছে জামায়াতের বুদ্ধিজীবীরা: রাশেদ খাঁন ৩ শর্তে লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল মানুষের আস্থার কেন্দ্র, চিকিৎসাসেবা হতে হবে রোগীবান্ধব: তথ্যমন্ত্রী

বান্দরবানে দুগ্রুপের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আধিপাত্য বিস্তারের দ্বন্দ্বে বান্দরবানে অস্ত্রধারী দুগ্রুপের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরও তিনজন।

সোমবার মধ্যরাতে সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নের বাঘমারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন– রতন তঞ্চঙ্গা, প্রজিত চাকমা, ডেবিট বাবু, মিলন চাকমা, জয় ত্রিপুরা, দিপেন ত্রিপুরা।

অন্যদিকে গুলিবিদ্ধ দুজন হলেন- খাগড়াছড়ির বাসিন্দার নিং চাকমা (৪২) ও বিদ্যুৎ ত্রিপুরা (৩৩)। হতাহতরা সবাই জেএসএস সংস্কার (এমএন লারমা) গ্রুপের সদস্য।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বান্দরবানের পুলিশ সুপার জেরিন আক্তার।

তিনি জানান, সশস্ত্র সন্ত্রাসী দুগ্রুপের সংঘর্ষে ছয়জন মারা গেছে। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরও তিনজন।

তবে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কারা বিষয়টি তদন্ত না করে বলা ঠিক হবে না। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ হতাহতদের উদ্ধার করেছে।

এ ছাড়া ঘটনাস্থলে গুলির খোসাসহ সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র পাওয়া গেছে বলে জানান পুলিশ সুপার।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নের বাঘমারা এলাকায় অস্ত্রধারী সশস্ত্র সন্ত্রাসী দুগ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এতে উভয় গ্রুপের ছয়জন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং গুলিবিদ্ধ হন তিনজন। তাদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সঙ্গে বান্দরবানে নতুন করে ঘাঁটি গড়ে তোলা জনসংহতি সমিতি সংস্কার (এমএন লারমা) এবং স্থানীয় সশস্ত্র সংগঠন মগ লিবারেশন পার্টি (এমএলপি) আধিপাত্য বিস্তারের বিরোধ চলে আসছে।

এদের পাল্টাপাল্টি হামলায় গত এক বছরে বান্দরবানে আওয়ামী লীগ নেতাসহ প্রায় ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী

বান্দরবানে দুগ্রুপের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৬

আপডেট সময় ০১:০৭:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আধিপাত্য বিস্তারের দ্বন্দ্বে বান্দরবানে অস্ত্রধারী দুগ্রুপের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরও তিনজন।

সোমবার মধ্যরাতে সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নের বাঘমারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন– রতন তঞ্চঙ্গা, প্রজিত চাকমা, ডেবিট বাবু, মিলন চাকমা, জয় ত্রিপুরা, দিপেন ত্রিপুরা।

অন্যদিকে গুলিবিদ্ধ দুজন হলেন- খাগড়াছড়ির বাসিন্দার নিং চাকমা (৪২) ও বিদ্যুৎ ত্রিপুরা (৩৩)। হতাহতরা সবাই জেএসএস সংস্কার (এমএন লারমা) গ্রুপের সদস্য।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বান্দরবানের পুলিশ সুপার জেরিন আক্তার।

তিনি জানান, সশস্ত্র সন্ত্রাসী দুগ্রুপের সংঘর্ষে ছয়জন মারা গেছে। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরও তিনজন।

তবে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কারা বিষয়টি তদন্ত না করে বলা ঠিক হবে না। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ হতাহতদের উদ্ধার করেছে।

এ ছাড়া ঘটনাস্থলে গুলির খোসাসহ সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র পাওয়া গেছে বলে জানান পুলিশ সুপার।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নের বাঘমারা এলাকায় অস্ত্রধারী সশস্ত্র সন্ত্রাসী দুগ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এতে উভয় গ্রুপের ছয়জন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং গুলিবিদ্ধ হন তিনজন। তাদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সঙ্গে বান্দরবানে নতুন করে ঘাঁটি গড়ে তোলা জনসংহতি সমিতি সংস্কার (এমএন লারমা) এবং স্থানীয় সশস্ত্র সংগঠন মগ লিবারেশন পার্টি (এমএলপি) আধিপাত্য বিস্তারের বিরোধ চলে আসছে।

এদের পাল্টাপাল্টি হামলায় গত এক বছরে বান্দরবানে আওয়ামী লীগ নেতাসহ প্রায় ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।