ঢাকা ০৪:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বান্দরবানে দুগ্রুপের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আধিপাত্য বিস্তারের দ্বন্দ্বে বান্দরবানে অস্ত্রধারী দুগ্রুপের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরও তিনজন।

সোমবার মধ্যরাতে সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নের বাঘমারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন– রতন তঞ্চঙ্গা, প্রজিত চাকমা, ডেবিট বাবু, মিলন চাকমা, জয় ত্রিপুরা, দিপেন ত্রিপুরা।

অন্যদিকে গুলিবিদ্ধ দুজন হলেন- খাগড়াছড়ির বাসিন্দার নিং চাকমা (৪২) ও বিদ্যুৎ ত্রিপুরা (৩৩)। হতাহতরা সবাই জেএসএস সংস্কার (এমএন লারমা) গ্রুপের সদস্য।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বান্দরবানের পুলিশ সুপার জেরিন আক্তার।

তিনি জানান, সশস্ত্র সন্ত্রাসী দুগ্রুপের সংঘর্ষে ছয়জন মারা গেছে। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরও তিনজন।

তবে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কারা বিষয়টি তদন্ত না করে বলা ঠিক হবে না। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ হতাহতদের উদ্ধার করেছে।

এ ছাড়া ঘটনাস্থলে গুলির খোসাসহ সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র পাওয়া গেছে বলে জানান পুলিশ সুপার।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নের বাঘমারা এলাকায় অস্ত্রধারী সশস্ত্র সন্ত্রাসী দুগ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এতে উভয় গ্রুপের ছয়জন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং গুলিবিদ্ধ হন তিনজন। তাদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সঙ্গে বান্দরবানে নতুন করে ঘাঁটি গড়ে তোলা জনসংহতি সমিতি সংস্কার (এমএন লারমা) এবং স্থানীয় সশস্ত্র সংগঠন মগ লিবারেশন পার্টি (এমএলপি) আধিপাত্য বিস্তারের বিরোধ চলে আসছে।

এদের পাল্টাপাল্টি হামলায় গত এক বছরে বান্দরবানে আওয়ামী লীগ নেতাসহ প্রায় ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

বান্দরবানে দুগ্রুপের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৬

আপডেট সময় ০১:০৭:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আধিপাত্য বিস্তারের দ্বন্দ্বে বান্দরবানে অস্ত্রধারী দুগ্রুপের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরও তিনজন।

সোমবার মধ্যরাতে সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নের বাঘমারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন– রতন তঞ্চঙ্গা, প্রজিত চাকমা, ডেবিট বাবু, মিলন চাকমা, জয় ত্রিপুরা, দিপেন ত্রিপুরা।

অন্যদিকে গুলিবিদ্ধ দুজন হলেন- খাগড়াছড়ির বাসিন্দার নিং চাকমা (৪২) ও বিদ্যুৎ ত্রিপুরা (৩৩)। হতাহতরা সবাই জেএসএস সংস্কার (এমএন লারমা) গ্রুপের সদস্য।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বান্দরবানের পুলিশ সুপার জেরিন আক্তার।

তিনি জানান, সশস্ত্র সন্ত্রাসী দুগ্রুপের সংঘর্ষে ছয়জন মারা গেছে। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরও তিনজন।

তবে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কারা বিষয়টি তদন্ত না করে বলা ঠিক হবে না। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ হতাহতদের উদ্ধার করেছে।

এ ছাড়া ঘটনাস্থলে গুলির খোসাসহ সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র পাওয়া গেছে বলে জানান পুলিশ সুপার।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নের বাঘমারা এলাকায় অস্ত্রধারী সশস্ত্র সন্ত্রাসী দুগ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এতে উভয় গ্রুপের ছয়জন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং গুলিবিদ্ধ হন তিনজন। তাদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সঙ্গে বান্দরবানে নতুন করে ঘাঁটি গড়ে তোলা জনসংহতি সমিতি সংস্কার (এমএন লারমা) এবং স্থানীয় সশস্ত্র সংগঠন মগ লিবারেশন পার্টি (এমএলপি) আধিপাত্য বিস্তারের বিরোধ চলে আসছে।

এদের পাল্টাপাল্টি হামলায় গত এক বছরে বান্দরবানে আওয়ামী লীগ নেতাসহ প্রায় ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।