ঢাকা ০১:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ধেয়ে আসছে ভয়ঙ্কর ২ ‌হাজার মাইলের ধুলো ‘‌ঝড়’‌, সতর্ক করল নাসা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

আফ্রিকার উপকূল থেকে প্রতিবছরই সাহারা মরুভূমি ফেরত ধুলো বাতাসে বয়ে এসে বিপত্তি বাঁধায়। কিন্তু এই বছর সে বিষয়টি আরও ভয়ানক হতে চলেছে। সম্প্রতি নাসার একটি উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছে, দীর্ঘ দু হাজার মাইল লম্বা ভয়ঙ্কর এক ধুলোর ঝড় ধেয়ে আসছে। উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের ওপরে সেই ধুলোর ঝড় আপাতত অবস্থান করছে। কিন্তু এর লেজের অংশ এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে যদি সত্যিই এটি সাগর পেরিয়ে এসে পড়ে, তাহলে এর আকার হতে পারে প্রায় পাঁচ হাজার মাইল।

জানা গেছে, এ এক অবিশ্বাস্য রকমের ধুলোর ঝড় আসছে। ‌প্রায় একসপ্তাহ আগে উপগ্রহ চিত্রে প্রথম ধরা পড়ে যে আফ্রিকার উপকূল থেকে ধুলোর ঝড় আসতে শুরু করেছে। কিন্তু সেই সময়টা প্রায় একসপ্তাহ আগে। এখনও সেই ঝড়ের শেষ অংশ উপকূলেই রয়েছে। তার মানে এটি আকারে মারাত্মক বড়। এভাবে যদি এর গতিপথ থাকে, তাহলে এটি উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন অংশে তাণ্ডব চালাতে পারে। বিশেষত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন সেই মানুষেরা, যাদের নিঃশ্বাসের কষ্ট রয়েছে।

সাধারণ, মরু অঞ্চলের উষ্ণ বায়ু দ্রুত গতিতে অংশের ধুলো ও বালির কনা বহন করে নিয়ে চলে। ক্রমে সেই ধুলো ও বালির কনার পরিমাণ বাড়তে বাড়তে মারাত্মক ধুলো ঝড়ের সৃষ্টি হয়। ভারতে রাজস্থানের মরু অংশে এই ধরণের ধুলোর ঝড়কে বলা হয় আঁধি। এর ফলে আকাশ ঢেকে যায় কালো মেঘের মতো ধুলোর চাদরে। আমেরিকা যতদিন যাচ্ছে, এই ধুলোর ঝড়ের দাপট বাড়ছে বলেই শোনা যাচ্ছে। এরফলে মরুভূমিও একটু একটু করে নিজের এলাকা বাড়িয়ে নিচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢামেকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

ধেয়ে আসছে ভয়ঙ্কর ২ ‌হাজার মাইলের ধুলো ‘‌ঝড়’‌, সতর্ক করল নাসা

আপডেট সময় ০৭:১৩:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

আফ্রিকার উপকূল থেকে প্রতিবছরই সাহারা মরুভূমি ফেরত ধুলো বাতাসে বয়ে এসে বিপত্তি বাঁধায়। কিন্তু এই বছর সে বিষয়টি আরও ভয়ানক হতে চলেছে। সম্প্রতি নাসার একটি উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছে, দীর্ঘ দু হাজার মাইল লম্বা ভয়ঙ্কর এক ধুলোর ঝড় ধেয়ে আসছে। উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের ওপরে সেই ধুলোর ঝড় আপাতত অবস্থান করছে। কিন্তু এর লেজের অংশ এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে যদি সত্যিই এটি সাগর পেরিয়ে এসে পড়ে, তাহলে এর আকার হতে পারে প্রায় পাঁচ হাজার মাইল।

জানা গেছে, এ এক অবিশ্বাস্য রকমের ধুলোর ঝড় আসছে। ‌প্রায় একসপ্তাহ আগে উপগ্রহ চিত্রে প্রথম ধরা পড়ে যে আফ্রিকার উপকূল থেকে ধুলোর ঝড় আসতে শুরু করেছে। কিন্তু সেই সময়টা প্রায় একসপ্তাহ আগে। এখনও সেই ঝড়ের শেষ অংশ উপকূলেই রয়েছে। তার মানে এটি আকারে মারাত্মক বড়। এভাবে যদি এর গতিপথ থাকে, তাহলে এটি উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন অংশে তাণ্ডব চালাতে পারে। বিশেষত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন সেই মানুষেরা, যাদের নিঃশ্বাসের কষ্ট রয়েছে।

সাধারণ, মরু অঞ্চলের উষ্ণ বায়ু দ্রুত গতিতে অংশের ধুলো ও বালির কনা বহন করে নিয়ে চলে। ক্রমে সেই ধুলো ও বালির কনার পরিমাণ বাড়তে বাড়তে মারাত্মক ধুলো ঝড়ের সৃষ্টি হয়। ভারতে রাজস্থানের মরু অংশে এই ধরণের ধুলোর ঝড়কে বলা হয় আঁধি। এর ফলে আকাশ ঢেকে যায় কালো মেঘের মতো ধুলোর চাদরে। আমেরিকা যতদিন যাচ্ছে, এই ধুলোর ঝড়ের দাপট বাড়ছে বলেই শোনা যাচ্ছে। এরফলে মরুভূমিও একটু একটু করে নিজের এলাকা বাড়িয়ে নিচ্ছে।