ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

উইন্ডিজ ক্রিকেটারদের রাজার চোখে দেখা হয় পাকিস্তানে: আফ্রিদি

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

এক শ্বেতাঙ্গ পুলিশের হাতে নির্যাতনের শিকার হয়ে আফ্রিকান-আমেরিকান নাগরিক জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুতে বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠেছে পুরো বিশ্ব। ক্রীড়াঙ্গনেও পড়েছে তার ছাপ। কয়েকদিন আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক অধিনায়ক ড্যারেন স্যামিও বর্ণবাদের শিকার হওয়ার কথা জানিয়ে সেই পালে হাওয়া দিয়েছেন।

গত সোমবার (০৮ জুন) স্যামি জানান, আইপিএলের দল সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের সতীর্থরা তার সঙ্গে বর্ণবাদী আচরণ করতো। গায়ের রঙ কালো হওয়ায় সতীর্থরা তাকে ‘কালু’ নামে ডাকতো বলে জানান। এই শব্দের অর্থ শুরুতে বুঝতে না পারলেও পরে জ্ঞাত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্যামি। ২০১৩-১৪ মৌসুমে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদে খেলতেন তিনি।

কেবল স্যামি নয়, আরও দুই ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার ক্রিস গেইল ও ড্যারেন ব্রাভোরও একই অভিযোগ। বর্ণবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার এই তিন তারকাই মুখ খুলেছেন। নিজে কখনও বর্ণ-বিদ্বেষের শিকার হওয়ার প্রতিশোধ না নিলেও ব্রাভো ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘যথেষ্ট হয়েছে।’

ভারতের ফ্র্যাঞ্জাইজি আইপিএলের খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে যখন বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ তখন পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) বসে থেকে কি আর পারে? পিএসএলের এক শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি জানিয়েছেন, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটারদের সঙ্গে রাজার মতো ব্যবহার করা হয় পাকিস্তানে।

পিএসএলের দল পেশওয়ার জালমির মালিক জাভেদ আফ্রিদি দ্য নিউজ নামের এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘স্যামির মতো অন্যান্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটারদের সঙ্গে রাজার মতো ব্যবহার করা হয় পাকিস্তানে। তারা স্বভাবতই দুর্দান্ত খেলোয়াড় এবং ম্যাচ বিজয়ী হিসাবে গণ্য হন। বিশেষত পিএসএলে পাকিস্তানি ভক্তরা তাদের দেখতে এবং সমর্থন করতে পছন্দ করেন।

স্যামি অবশ্য পাকিস্তানে অন্য ধরনের মর্যাদা পান পাকিস্তানে। পেশোয়ার জালমির এই অলরাউন্ডার দেশটিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরাতে সাহায্য করছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাশাপাশি পাকিস্তানের নাগরিকত্বও আছে স্যামির।

জাভেদ আফ্রিদিরও পছন্দের মানুষ তিনি। জালমির মালিক যার কারণে আরও বলেন, ‘জালমির সমর্থকরা স্যামির সঙ্গে নায়কের মতো ব্যবহার করে এবং তার আসলে এটা প্রাপ্য।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

উইন্ডিজ ক্রিকেটারদের রাজার চোখে দেখা হয় পাকিস্তানে: আফ্রিদি

আপডেট সময় ০৯:১২:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২০

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:  

এক শ্বেতাঙ্গ পুলিশের হাতে নির্যাতনের শিকার হয়ে আফ্রিকান-আমেরিকান নাগরিক জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুতে বর্ণ-বৈষম্যের বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠেছে পুরো বিশ্ব। ক্রীড়াঙ্গনেও পড়েছে তার ছাপ। কয়েকদিন আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক অধিনায়ক ড্যারেন স্যামিও বর্ণবাদের শিকার হওয়ার কথা জানিয়ে সেই পালে হাওয়া দিয়েছেন।

গত সোমবার (০৮ জুন) স্যামি জানান, আইপিএলের দল সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের সতীর্থরা তার সঙ্গে বর্ণবাদী আচরণ করতো। গায়ের রঙ কালো হওয়ায় সতীর্থরা তাকে ‘কালু’ নামে ডাকতো বলে জানান। এই শব্দের অর্থ শুরুতে বুঝতে না পারলেও পরে জ্ঞাত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্যামি। ২০১৩-১৪ মৌসুমে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদে খেলতেন তিনি।

কেবল স্যামি নয়, আরও দুই ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার ক্রিস গেইল ও ড্যারেন ব্রাভোরও একই অভিযোগ। বর্ণবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার এই তিন তারকাই মুখ খুলেছেন। নিজে কখনও বর্ণ-বিদ্বেষের শিকার হওয়ার প্রতিশোধ না নিলেও ব্রাভো ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘যথেষ্ট হয়েছে।’

ভারতের ফ্র্যাঞ্জাইজি আইপিএলের খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে যখন বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ তখন পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) বসে থেকে কি আর পারে? পিএসএলের এক শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি জানিয়েছেন, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটারদের সঙ্গে রাজার মতো ব্যবহার করা হয় পাকিস্তানে।

পিএসএলের দল পেশওয়ার জালমির মালিক জাভেদ আফ্রিদি দ্য নিউজ নামের এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘স্যামির মতো অন্যান্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটারদের সঙ্গে রাজার মতো ব্যবহার করা হয় পাকিস্তানে। তারা স্বভাবতই দুর্দান্ত খেলোয়াড় এবং ম্যাচ বিজয়ী হিসাবে গণ্য হন। বিশেষত পিএসএলে পাকিস্তানি ভক্তরা তাদের দেখতে এবং সমর্থন করতে পছন্দ করেন।

স্যামি অবশ্য পাকিস্তানে অন্য ধরনের মর্যাদা পান পাকিস্তানে। পেশোয়ার জালমির এই অলরাউন্ডার দেশটিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরাতে সাহায্য করছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাশাপাশি পাকিস্তানের নাগরিকত্বও আছে স্যামির।

জাভেদ আফ্রিদিরও পছন্দের মানুষ তিনি। জালমির মালিক যার কারণে আরও বলেন, ‘জালমির সমর্থকরা স্যামির সঙ্গে নায়কের মতো ব্যবহার করে এবং তার আসলে এটা প্রাপ্য।’