ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নির্দেশনা মেনে চললে সংক্রমণ আরও কম হতো: হানিফ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে সরকার ও চিকিৎসকদের নির্দেশ মেনে চললে সংক্রমণ আরও কম হতো বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ।

মঙ্গলবার দুপুরে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপকমিটির আয়োজনে কোভিড-১৯ বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষণ কর্মশালার ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

হানিফ বলেন,“বিশ্বের মানুষের কাছে চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এই ভাইরাস থেকে কিভাবে মানুষ মুক্তি পাবে। উন্নত বিশ্বের মতো আমরাও বড় একটি দুর্যোগের মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত করছি। ইতিমধ্যে সরকার প্রধান শেখ হাসিনার সরকার অনেকগুলো পদক্ষেপ শুরু থেকে পদক্ষেপ নিয়েছে।”

“দিন দিন সংক্রমণ বাড়ছে, তবে সরকার ও চিকিৎসকদের নির্দেশ মেনে চললে এতো সংক্রমণ হতো না।“

মানুষের খাদ্য ও চিকিৎসায় যেন কোনো ঘাটতি না থাকে সে জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতি মুহূর্ত মনিটরিং করছেন বলেও জানান হানিফ।

তিনি বলেন, “এই দুর্যোগ মেকাবিলা করতে শুরু থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটি মুহূর্ত মনিটরিং করেছেন। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছেন্ যাতে দুর্যোগকে মোকাবিলা করতে পারি। মানুষ যাতে খাদ্য চিকিৎসায় কষ্ট না পায় সেজন্য সার্বক্ষণিক নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন।”

“এর পাশপাশি জীবন ও জীবিকার কথা মাথায় রেখে অনেক সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আজকে গার্মেন্ট শ্রমিকগুলো চালু হওয়ার পর অনেকেই চিন্তা করেছেন এতে হয়তো সংক্রমণ আরও বাড়বে। কিন্তু আমরা মনে করি অনেক প্রজ্ঞা ও দুরদর্শী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

“আমাদের দেশের অর্থনীতির একটি মূল স্তম্ভ হচ্ছে এই পোশাক শিল্প। এই শিল্পখাতটি বিশেষ করে আমাদের যারা প্রতিযোগী ভিয়েতনাম, মায়ানমারম, শ্রীলঙ্কা এসব দেশ যখন তারা তাদের প্রতিষ্ঠান খুলে দিয়েছে তখন আমরা যদি আমাদের কারখানা বন্ধ রাখি তাহলে আমাদের বাজারটা আস্তে আস্ত আমরা হারিয়ে ফেলব। এখনই যদি আমরা যদি কাজ শুরু না করি তাহলে ক্ষতি হয়ে যাবে। এই কথা চিন্তা করেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”

সেইফটিকে অগ্রাধিকার দিলে সংক্রমণ হওয়ার সুযোগ নেই জানিয়ে হানিফ বলেন, এটি কঠিন কাজ নয়। মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করা। নাকে মুখে যতটটা সম্ভব হাত না দেয়া, হাত ধোয়া এবং সামাজিক দূরত্ব যদি রাখতে পারি তাহলে আমরা করোনার এই ট্রান্সমিশন বন্ধ রাখতে পারি।”

“করোনাভাইরাস যেটি মহামারী আকারে পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে সেজন্য আমরা সচেতন হই। শেখ হাসিনার ওপর আস্থা রাখুন। উনি দায়িত্ব নেয়ার পর সকল সেক্টরে এগিয়ে গেছি। তিনি এই দুর্যোগ মোকাবিলা করে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সফর হবেন।”

অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপকমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক হোসেন মনসুর।আলোচনা অনুষ্ঠানটি আওয়ামী লীগের ফেইসবুক পেইজ থেকে থেকে ইন্টারনেটে সম্প্রচার করা হয়।

ভার্চুয়াল এই অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর বলেন, “অনলাইনে কোভিড-১৯ বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষণ কর্মশালা দেশের প্রত্যেক জেলা উপজেলা পর্যা য় পর্যয়ন্ত হবে। আমরা প্রথমে বিভাগ ভিক্তিক করবো, পর্যাকয়ক্রমে জেলা উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যাপয়ে শুরু করব।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

নির্দেশনা মেনে চললে সংক্রমণ আরও কম হতো: হানিফ

আপডেট সময় ০৮:১৩:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে সরকার ও চিকিৎসকদের নির্দেশ মেনে চললে সংক্রমণ আরও কম হতো বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ।

মঙ্গলবার দুপুরে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপকমিটির আয়োজনে কোভিড-১৯ বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষণ কর্মশালার ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

হানিফ বলেন,“বিশ্বের মানুষের কাছে চ্যালেঞ্জ হচ্ছে এই ভাইরাস থেকে কিভাবে মানুষ মুক্তি পাবে। উন্নত বিশ্বের মতো আমরাও বড় একটি দুর্যোগের মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত করছি। ইতিমধ্যে সরকার প্রধান শেখ হাসিনার সরকার অনেকগুলো পদক্ষেপ শুরু থেকে পদক্ষেপ নিয়েছে।”

“দিন দিন সংক্রমণ বাড়ছে, তবে সরকার ও চিকিৎসকদের নির্দেশ মেনে চললে এতো সংক্রমণ হতো না।“

মানুষের খাদ্য ও চিকিৎসায় যেন কোনো ঘাটতি না থাকে সে জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতি মুহূর্ত মনিটরিং করছেন বলেও জানান হানিফ।

তিনি বলেন, “এই দুর্যোগ মেকাবিলা করতে শুরু থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটি মুহূর্ত মনিটরিং করেছেন। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছেন্ যাতে দুর্যোগকে মোকাবিলা করতে পারি। মানুষ যাতে খাদ্য চিকিৎসায় কষ্ট না পায় সেজন্য সার্বক্ষণিক নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন।”

“এর পাশপাশি জীবন ও জীবিকার কথা মাথায় রেখে অনেক সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আজকে গার্মেন্ট শ্রমিকগুলো চালু হওয়ার পর অনেকেই চিন্তা করেছেন এতে হয়তো সংক্রমণ আরও বাড়বে। কিন্তু আমরা মনে করি অনেক প্রজ্ঞা ও দুরদর্শী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

“আমাদের দেশের অর্থনীতির একটি মূল স্তম্ভ হচ্ছে এই পোশাক শিল্প। এই শিল্পখাতটি বিশেষ করে আমাদের যারা প্রতিযোগী ভিয়েতনাম, মায়ানমারম, শ্রীলঙ্কা এসব দেশ যখন তারা তাদের প্রতিষ্ঠান খুলে দিয়েছে তখন আমরা যদি আমাদের কারখানা বন্ধ রাখি তাহলে আমাদের বাজারটা আস্তে আস্ত আমরা হারিয়ে ফেলব। এখনই যদি আমরা যদি কাজ শুরু না করি তাহলে ক্ষতি হয়ে যাবে। এই কথা চিন্তা করেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”

সেইফটিকে অগ্রাধিকার দিলে সংক্রমণ হওয়ার সুযোগ নেই জানিয়ে হানিফ বলেন, এটি কঠিন কাজ নয়। মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করা। নাকে মুখে যতটটা সম্ভব হাত না দেয়া, হাত ধোয়া এবং সামাজিক দূরত্ব যদি রাখতে পারি তাহলে আমরা করোনার এই ট্রান্সমিশন বন্ধ রাখতে পারি।”

“করোনাভাইরাস যেটি মহামারী আকারে পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে সেজন্য আমরা সচেতন হই। শেখ হাসিনার ওপর আস্থা রাখুন। উনি দায়িত্ব নেয়ার পর সকল সেক্টরে এগিয়ে গেছি। তিনি এই দুর্যোগ মোকাবিলা করে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সফর হবেন।”

অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপকমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক হোসেন মনসুর।আলোচনা অনুষ্ঠানটি আওয়ামী লীগের ফেইসবুক পেইজ থেকে থেকে ইন্টারনেটে সম্প্রচার করা হয়।

ভার্চুয়াল এই অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর বলেন, “অনলাইনে কোভিড-১৯ বিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষণ কর্মশালা দেশের প্রত্যেক জেলা উপজেলা পর্যা য় পর্যয়ন্ত হবে। আমরা প্রথমে বিভাগ ভিক্তিক করবো, পর্যাকয়ক্রমে জেলা উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যাপয়ে শুরু করব।”