ঢাকা ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইতালিতে মৃতের সংখ্যা নেমে এলো দুই অংকের ঘরে

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত ইতালিতে দীর্ঘ ৬৮ দিন পরে মৃতের সংখ্যা দুই অংকের ঘরে নেমে এসেছে। সোমবার (১৮ মে) মারা গেছে ৯৯ জন, যা গত ৯ মার্চের পরে সর্বনিম্ন। ৯ মার্চ মৃতের সংখ্যা ছিল ৯৩ জন। এদিন দেশটিতে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে এক হাজার ৮৯১ জন। সোমবার নতুন আক্রান্ত হয়েছে ৪৫১ জন। সোমবার প্রাণহানির সংখ্যা ছিল লকডাউনের পরে সর্বনিম্ন। এ নিয়ে ইতালিতে করোনাভাইরাসে প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়াল ৩২ হাজার সাতজনে।

গুরুতর অসুস্থ রোগীর সংখ্যা দিন দিন কমতে শুরু করেছে। সোমবার এ সংখ্যা ছিল ৭৪৯ জন। মোট চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ৬৬ হাজার ৫৫৩ জন এবং দেশটিতে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দুই লাখ ২৫ হাজার ৮৮৬ জন বলে জানিয়েছে নাগরিক সুরক্ষা সংস্থা। দেশটির সুরক্ষা দিতে সরকার করোনা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে বলেও জানায় সংস্থাটি। ফলে এ পর্যন্ত চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে এক লাখ ২৭ হাজার ৩২৬ জন।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সোমবার থেকে দোকানপাট এবং রেঁস্তোরা খুলে দেয়া হয়েছে। দীর্ঘ প্রায় আড়াই মাস পরে মনে হচ্ছে ইতালি কিছুটা হলেও প্রাণ ফিরে পেয়েছে।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জোসেপ্পে কন্তে স্বীকার করেছেন যে, দেশটি লকডাউন আরো শিথিল করার যে পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে তাতে ‘সুনির্দিষ্ট ঝুঁকি’ রয়েছে। সম্প্রতি এক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী কন্তে বলেন, ‘আমরা সুনির্দিষ্ট কিছু ঝুঁকির মুখে পড়তে যাচ্ছি, আর তা হলো সংক্রমণের রেখা আবারো ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে। এটা আমাদেরকে মেনে নিতে হবে। তা না হলে আমরা আর কখনোই নতুন করে শুরু করতে পারবো না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতালি করোনা প্রতিষেধক আবিষ্কার হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারবে না কারণ, তাহলে দেশে অর্থনৈতিক ও সামাজিকে ক্ষেত্রে বড় ভাঙন দেখা দিতে পারে।

তিনি বলেন, টিকা আবিষ্কারের জন্য বসে থাকার মতো সক্ষমতা দেশটির আর নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ইতালিতে মৃতের সংখ্যা নেমে এলো দুই অংকের ঘরে

আপডেট সময় ১২:০৩:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত ইতালিতে দীর্ঘ ৬৮ দিন পরে মৃতের সংখ্যা দুই অংকের ঘরে নেমে এসেছে। সোমবার (১৮ মে) মারা গেছে ৯৯ জন, যা গত ৯ মার্চের পরে সর্বনিম্ন। ৯ মার্চ মৃতের সংখ্যা ছিল ৯৩ জন। এদিন দেশটিতে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে এক হাজার ৮৯১ জন। সোমবার নতুন আক্রান্ত হয়েছে ৪৫১ জন। সোমবার প্রাণহানির সংখ্যা ছিল লকডাউনের পরে সর্বনিম্ন। এ নিয়ে ইতালিতে করোনাভাইরাসে প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়াল ৩২ হাজার সাতজনে।

গুরুতর অসুস্থ রোগীর সংখ্যা দিন দিন কমতে শুরু করেছে। সোমবার এ সংখ্যা ছিল ৭৪৯ জন। মোট চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ৬৬ হাজার ৫৫৩ জন এবং দেশটিতে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দুই লাখ ২৫ হাজার ৮৮৬ জন বলে জানিয়েছে নাগরিক সুরক্ষা সংস্থা। দেশটির সুরক্ষা দিতে সরকার করোনা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে বলেও জানায় সংস্থাটি। ফলে এ পর্যন্ত চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে এক লাখ ২৭ হাজার ৩২৬ জন।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সোমবার থেকে দোকানপাট এবং রেঁস্তোরা খুলে দেয়া হয়েছে। দীর্ঘ প্রায় আড়াই মাস পরে মনে হচ্ছে ইতালি কিছুটা হলেও প্রাণ ফিরে পেয়েছে।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জোসেপ্পে কন্তে স্বীকার করেছেন যে, দেশটি লকডাউন আরো শিথিল করার যে পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে তাতে ‘সুনির্দিষ্ট ঝুঁকি’ রয়েছে। সম্প্রতি এক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী কন্তে বলেন, ‘আমরা সুনির্দিষ্ট কিছু ঝুঁকির মুখে পড়তে যাচ্ছি, আর তা হলো সংক্রমণের রেখা আবারো ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে। এটা আমাদেরকে মেনে নিতে হবে। তা না হলে আমরা আর কখনোই নতুন করে শুরু করতে পারবো না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতালি করোনা প্রতিষেধক আবিষ্কার হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারবে না কারণ, তাহলে দেশে অর্থনৈতিক ও সামাজিকে ক্ষেত্রে বড় ভাঙন দেখা দিতে পারে।

তিনি বলেন, টিকা আবিষ্কারের জন্য বসে থাকার মতো সক্ষমতা দেশটির আর নেই।