ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

ত্রাণ নয় বিনিয়োগ চান, বাপ-দাদার মতো বোকা না কিম

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আজই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বহুল কাঙ্ক্ষিত সেই আলোচনায় বসবেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। প্রশ্ন হচ্ছে, ট্রাম্পের সঙ্গে এ বৈঠক থেকে কি চান কিম। সম্প্রতি দেয়া এ বক্তব্যের মধ্যেই এ প্রশ্নের উত্তর নিহিত রয়েছে।

চলতি বছর নববর্ষের ভাষণে বিশ্বের উদ্দেশে কিম বলেন, দেশের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্নতি অর্জন করেছি আমরা। এখন থেকে আমরা আর ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাতে চাই না। এখন উত্তর কোরিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে মনোযোগ দিতে চাই আমরা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, কিমের এ বক্তব্যই প্রমাণ করে বাপ-দাদার মতো বোকা নন তিনি। দেশের অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য ত্রাণ নয়, বৈদেশিক বিনিয়োগ চান তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, নিজের স্বার্থেই দেশের অর্থনীতির উন্নয়ন চান কিম। আরও অনেকটা সময় উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতায় থাকতে চান তিনি। আর দেশটির অর্থনৈতিক উন্নতির ওপরই নির্ভর করছে তার ক্ষমতা। তিন পুরুষ ধরে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন এই দেশটিকে শাসন করে আসছে কিম পরিবার।

১৯৫০-৫৩ পর্যন্ত চলা কোরীয় যুদ্ধের মাধ্যমে আলাদা হওয়ার পর গত ৬৮ বছরে অর্থনীতির ক্ষেত্রে সহোদর দেশ দক্ষিণ কোরিয়া ও প্রতিবেশী মিত্র দেশ চীন ব্যাপক উন্নয়ন করেছে।

অন্যদিকে কিমের বাপ-দাদার নানা ভুল নীতির কারণে ক্রমেই অবনতির শেষ প্রান্তে উপনীত হয়েছে উত্তর কোরিয়া। প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর হলেও বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে গরিব ও ক্ষুধাপীড়িত দেশগুলোর অন্যতম দেশটি। নাগরিকরা মৌলিক অধিকারগুলো থেকে বঞ্চিত।

মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, জ্বালানিসহ মৌলিক বিষয়গুলোতে তারা শিকার হচ্ছেন মানবাধিকার লংঘনের। কিম জং আন ও তার পরিবারের প্রতি পুরোপুরি আনুগত্য দেখিয়ে জীবন কাটাতে হচ্ছে নাগরিকদের।

প্রত্যেক নাগরিকের ওপর রয়েছে ব্যাপক গোয়েন্দা নজরদারি। সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণে দেশের অর্থনীতি। বেইজিংয়ে রেনমিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও উত্তর কোরিয়া বিশেষজ্ঞ চেং শিয়াওহে বলেন, ‘বলতে গেলে দেশটির অর্থনীতি এখন ভয়াবহ নাজুক অবস্থায় রয়েছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

ত্রাণ নয় বিনিয়োগ চান, বাপ-দাদার মতো বোকা না কিম

আপডেট সময় ০৭:০৫:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জুন ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আজই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বহুল কাঙ্ক্ষিত সেই আলোচনায় বসবেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। প্রশ্ন হচ্ছে, ট্রাম্পের সঙ্গে এ বৈঠক থেকে কি চান কিম। সম্প্রতি দেয়া এ বক্তব্যের মধ্যেই এ প্রশ্নের উত্তর নিহিত রয়েছে।

চলতি বছর নববর্ষের ভাষণে বিশ্বের উদ্দেশে কিম বলেন, দেশের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্নতি অর্জন করেছি আমরা। এখন থেকে আমরা আর ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাতে চাই না। এখন উত্তর কোরিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে মনোযোগ দিতে চাই আমরা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, কিমের এ বক্তব্যই প্রমাণ করে বাপ-দাদার মতো বোকা নন তিনি। দেশের অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য ত্রাণ নয়, বৈদেশিক বিনিয়োগ চান তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, নিজের স্বার্থেই দেশের অর্থনীতির উন্নয়ন চান কিম। আরও অনেকটা সময় উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতায় থাকতে চান তিনি। আর দেশটির অর্থনৈতিক উন্নতির ওপরই নির্ভর করছে তার ক্ষমতা। তিন পুরুষ ধরে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন এই দেশটিকে শাসন করে আসছে কিম পরিবার।

১৯৫০-৫৩ পর্যন্ত চলা কোরীয় যুদ্ধের মাধ্যমে আলাদা হওয়ার পর গত ৬৮ বছরে অর্থনীতির ক্ষেত্রে সহোদর দেশ দক্ষিণ কোরিয়া ও প্রতিবেশী মিত্র দেশ চীন ব্যাপক উন্নয়ন করেছে।

অন্যদিকে কিমের বাপ-দাদার নানা ভুল নীতির কারণে ক্রমেই অবনতির শেষ প্রান্তে উপনীত হয়েছে উত্তর কোরিয়া। প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর হলেও বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে গরিব ও ক্ষুধাপীড়িত দেশগুলোর অন্যতম দেশটি। নাগরিকরা মৌলিক অধিকারগুলো থেকে বঞ্চিত।

মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, জ্বালানিসহ মৌলিক বিষয়গুলোতে তারা শিকার হচ্ছেন মানবাধিকার লংঘনের। কিম জং আন ও তার পরিবারের প্রতি পুরোপুরি আনুগত্য দেখিয়ে জীবন কাটাতে হচ্ছে নাগরিকদের।

প্রত্যেক নাগরিকের ওপর রয়েছে ব্যাপক গোয়েন্দা নজরদারি। সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণে দেশের অর্থনীতি। বেইজিংয়ে রেনমিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও উত্তর কোরিয়া বিশেষজ্ঞ চেং শিয়াওহে বলেন, ‘বলতে গেলে দেশটির অর্থনীতি এখন ভয়াবহ নাজুক অবস্থায় রয়েছে।’