ঢাকা ০৩:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস আবারও ঢাকায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ, মানুষের ভোগান্তি ‘আগামীতে যারা ক্ষমতায় যাবেন তারা যেন প্রবাসীদের নিয়ে কাজ করেন’:নজরুল ইসলাম নির্বাচনে কোনও ব্যাঘাত ঘটলে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বিঘ্নিত হবে: শামসুজ্জামান দুদু নাজমুলের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ক্রিকেটাররা, মাঠে যাননি কেউ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে হামলা হতে পারে: রয়টার্স আওয়ামী লীগ ভুল স্বীকার করলে রিকনসিলিয়েশন সম্ভব: প্রধান উপদেষ্টা নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত

আমাকে হত্যার উদ্দেশে হামলা করা হয়েছে: উপাচার্য

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান বলেছেন, কোটার সঙ্গে আমার কোনো সংযোগ নেই। এর পরও হামলা করা হয়েছে। আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এ হামলা চালানো হয়েছে। সোমবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

উপাচার্য বলেন, আমি উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের কোটার বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনার ব্যবস্থা করেছি। শিক্ষার্থীদের বক্তব্য তাদের জানানো হয়েছে। এর পরও আমার বাসায় তাণ্ডব পরিচালিত হয়েছে। এটি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। সেখানে আমার পরিবার ছিল। তাদের জীবন ঝুঁকিতে ছিল। সবাইকে মেরে ফেলার চেষ্টা ছিল। কিছু ছাত্র আমার প্রাণ রক্ষা করেছে। এখানে লাশের রাজনীতি ছিল। এখানে আমাকে হত্যার পরিকল্পনা থেকে এ হামলা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, হামলার ঘটনায় অনেক প্রাণহানি ঘটতে পারত। আন্দোলনরত ব্যক্তিরা ৪০-৪৫ মিনিট চেষ্টার মাধ্যমে দরজা ভেঙেছে। আমি নিজের নিরাপত্তার কথা ভুলে শিক্ষার্থীদের অবস্থা দেখার জন্য বারান্দায় এসে দাঁড়িয়েছিলাম। এ জন্য বেঁচে গেছি। বেডরুমে থাকলে আমি মারা যেতাম।

হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে আখতারুজ্জামান বলেন, আইন নিজের গতিতে চলবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা রোববার গভীর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসভবনে ব্যাপক ভাঙচুর চালান। পরে বাসভবনের সামনে রাখা গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেন বিক্ষুব্ধরা।

রাত দেড়টা থেকে ২টার মধ্যে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় আন্দোলনকারীরা উপাচার্যের বাসভবনের ভেতর তছনছ ও ব্যাপক ভাঙচুর করেন।

বাসভবনের শোবারঘর থেকে বাথরুম, রান্নাঘরসহ সবখানে তারা ভাঙচুর চালান। সেই সময় তারা বাসভবনের সামনে আগুন ধরিয়ে দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে,সতর্ক থাকার আহ্বান : মির্জা আব্বাস

আমাকে হত্যার উদ্দেশে হামলা করা হয়েছে: উপাচার্য

আপডেট সময় ১১:২০:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান বলেছেন, কোটার সঙ্গে আমার কোনো সংযোগ নেই। এর পরও হামলা করা হয়েছে। আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এ হামলা চালানো হয়েছে। সোমবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

উপাচার্য বলেন, আমি উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের কোটার বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনার ব্যবস্থা করেছি। শিক্ষার্থীদের বক্তব্য তাদের জানানো হয়েছে। এর পরও আমার বাসায় তাণ্ডব পরিচালিত হয়েছে। এটি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। সেখানে আমার পরিবার ছিল। তাদের জীবন ঝুঁকিতে ছিল। সবাইকে মেরে ফেলার চেষ্টা ছিল। কিছু ছাত্র আমার প্রাণ রক্ষা করেছে। এখানে লাশের রাজনীতি ছিল। এখানে আমাকে হত্যার পরিকল্পনা থেকে এ হামলা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, হামলার ঘটনায় অনেক প্রাণহানি ঘটতে পারত। আন্দোলনরত ব্যক্তিরা ৪০-৪৫ মিনিট চেষ্টার মাধ্যমে দরজা ভেঙেছে। আমি নিজের নিরাপত্তার কথা ভুলে শিক্ষার্থীদের অবস্থা দেখার জন্য বারান্দায় এসে দাঁড়িয়েছিলাম। এ জন্য বেঁচে গেছি। বেডরুমে থাকলে আমি মারা যেতাম।

হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে আখতারুজ্জামান বলেন, আইন নিজের গতিতে চলবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা রোববার গভীর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসভবনে ব্যাপক ভাঙচুর চালান। পরে বাসভবনের সামনে রাখা গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেন বিক্ষুব্ধরা।

রাত দেড়টা থেকে ২টার মধ্যে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় আন্দোলনকারীরা উপাচার্যের বাসভবনের ভেতর তছনছ ও ব্যাপক ভাঙচুর করেন।

বাসভবনের শোবারঘর থেকে বাথরুম, রান্নাঘরসহ সবখানে তারা ভাঙচুর চালান। সেই সময় তারা বাসভবনের সামনে আগুন ধরিয়ে দেন।