ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশের সীমান্ত খোলা থাকবে: কাদের

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সীমান্ত খোলা থাকবে। রোববার সকালে রাজধানীর বনানীতে ফিটনেসবিহীন পরিবহনের বিরুদ্ধে বিআরটিএর অভিযান দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, মানবিক কারণেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশে আবারও নতুন করে রোহিঙ্গা ঢল আসতে পারে বলে জাতিসংঘের মানবিক ত্রাণ দপ্তরের প্রধান মার্ক লোকক দুই দিন আগে সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন ছিটেফোঁটা লোক আসছে। কিভাবে জনস্রোত আসছিলো সেটা আমি দেখেছি। তবে এখন আর সেই জনস্রোত নেই। আসতে পারে সেই আশঙ্কা জাতিসংঘ করছে। কাজেই জাতিসংঘেরই এখানে কঠোর অবস্থান নেয়া উচিত। যাতে করে নতুন করে ইনফ্লাক্স না হতে পারে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের কূটনৈতিক তৎপরতা যদি ব্যর্থ হতো, তাহলে মিয়ানমারের সুর নরম হলো কেন? মিয়ানমারের মন্ত্রী সফরে এসে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমাদের সব কিছুর আরেকটু ধৈর্য্য ধরে ঠান্ডা মাথায় অপেক্ষা করতে হবে। উস্কানির ফাঁদে পা দিলে ক্ষতি হবে গোটা দেশের, এ অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নষ্ট হবে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি রোহিঙ্গা সমস্যা সম্পর্কে কতটুকু আন্তরিক সেটা আজকে দেখতে হবে। বাংলাদেশ যে সংকটে পড়ছে তা নিয়ে তারা কতটুকু কনসার্ন। দেশের এ গভীর সংকটের সময় তাদের নেত্রী দেশে আসার তারিখ দিয়েও আসছেন না। এছাড়া তাদের এক নম্বর নেতার তো কোন উদ্বেগের বিষয় চোখে পড়ছে না। আর দেশে যারা আছেন তারাও সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যাচার করছেন। চেয়ারপারসনের অনুপস্থিতিতে হতাশ কর্মীদের চাঙ্গা করতে আবোল তাবোল বকছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা

রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশের সীমান্ত খোলা থাকবে: কাদের

আপডেট সময় ১১:৩৫:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সীমান্ত খোলা থাকবে। রোববার সকালে রাজধানীর বনানীতে ফিটনেসবিহীন পরিবহনের বিরুদ্ধে বিআরটিএর অভিযান দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, মানবিক কারণেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশে আবারও নতুন করে রোহিঙ্গা ঢল আসতে পারে বলে জাতিসংঘের মানবিক ত্রাণ দপ্তরের প্রধান মার্ক লোকক দুই দিন আগে সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন ছিটেফোঁটা লোক আসছে। কিভাবে জনস্রোত আসছিলো সেটা আমি দেখেছি। তবে এখন আর সেই জনস্রোত নেই। আসতে পারে সেই আশঙ্কা জাতিসংঘ করছে। কাজেই জাতিসংঘেরই এখানে কঠোর অবস্থান নেয়া উচিত। যাতে করে নতুন করে ইনফ্লাক্স না হতে পারে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের কূটনৈতিক তৎপরতা যদি ব্যর্থ হতো, তাহলে মিয়ানমারের সুর নরম হলো কেন? মিয়ানমারের মন্ত্রী সফরে এসে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমাদের সব কিছুর আরেকটু ধৈর্য্য ধরে ঠান্ডা মাথায় অপেক্ষা করতে হবে। উস্কানির ফাঁদে পা দিলে ক্ষতি হবে গোটা দেশের, এ অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নষ্ট হবে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি রোহিঙ্গা সমস্যা সম্পর্কে কতটুকু আন্তরিক সেটা আজকে দেখতে হবে। বাংলাদেশ যে সংকটে পড়ছে তা নিয়ে তারা কতটুকু কনসার্ন। দেশের এ গভীর সংকটের সময় তাদের নেত্রী দেশে আসার তারিখ দিয়েও আসছেন না। এছাড়া তাদের এক নম্বর নেতার তো কোন উদ্বেগের বিষয় চোখে পড়ছে না। আর দেশে যারা আছেন তারাও সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যাচার করছেন। চেয়ারপারসনের অনুপস্থিতিতে হতাশ কর্মীদের চাঙ্গা করতে আবোল তাবোল বকছে।