আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
দুর্দান্ত শুরু এনে দিয়েছিলেন নিজাকাত খান ও অংশুমান রাথ। তবে রেশটা ধরে রাখতে পারলেন না ক্রিস্টোফার কার্টার ও বাবর হায়াত। কিছুক্ষণ আগেই মাত্র ৩ রান করে ফেরেন কার্টার। ফের শিকারী খলিল। তার দুর্দান্ত ডেলিভেরিতে ধোনিকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
এবার তার পথ অনুসরণ করলেন বাবর। ব্যক্তিগত ১৮ রান করে যুজবেন্দ্র চাহালের শিকার হয়ে ফিরলেন তিনি।
শেষ খবর পর্যন্ত ৪১ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ২০৩ রান তুলেছে হংকং। জয়ের জন্য এখন তাদের দরকার ৮৩ রান। কিনচিত শাহ ৪ ও এহসান খান ২ রান নিয়ে ব্যাট করছেন।
জবাবে শুরুটা শুভ করেন হংকংয়ের দুই ওপেনার নিজাকাত খান ও অংশুমান রাথ। দুর্দান্ত জুটি গড়ে তুলেছিলেন তারা। ভারতীয় বোলারদের ঘাম ঝরিয়ে ছাড়ছিলেন এ ওপেনিং জুটি। তাতে দুরন্ত গতিতে ছুটছিল নবাগত দলটি।
তবে হঠাৎই ছন্দপতন। কুলদ্বীপ যাদবকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ফেরেন রাথ। ফেরার আগে ক্যারিয়ারের সপ্তম হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। ৯৭ বলে ৪ চারে ৭২ রানের কাঁপন ধরানো ইনিংস খেলে সাজঘরের পথ ধরেন হংকং অধিনায়ক।
সঙ্গী হারিয়ে স্থায়ী হতে পারেননি নিজাকাতও। খলিল আহমেদের এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে ফেরেন তিনি। ফেরার আগে ক্যারিয়ারের তৃতীয় হাফসেঞ্চুরি হাঁকান এ ওপেনার। ১১৫ বলে ১২ চার ও ১ ছক্কায় ৯২ রান করেন তিনি।
এর আগে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৭ উইকেটে ২৮৫ রান করে ভারত। দুর্দান্ত সেঞ্চুরি তুলে নেন শিখর ধাওয়ান (১২৭)। এটি তার ক্যারিয়ারের ১৪তম সেঞ্চুরি। ১২০ বলে ১৫ চার ও ২ ছক্কায় এ ঝকঝকে ইনিংস খেলেন তিনি। এর মাঝে হাফসেঞ্চুরি করেন আম্বাতি রাইডু (৬০)।
প্রথমদিকে ভালোই রান ছিল রোহিত বাহিনীর। এক পর্যায়ে ২ উইকেটেই ২৪০ রান করে ফেলেন তারা। তবে ধাওয়ান ফেরার পরই মড়ক লাগে ভারতীয় শিবিরে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। ধোনি তো রানের খাতাই খুলতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত কার্তিকের ৩৩ রান ও কেদার যাদবের ২৮ রানের সুবাদে ৭ উইকেটে ২৮৫ রান তোলে ভারত।
হংকংয়ের হয়ে কিনচিত শাহ নেন ৩ উইকেট। ২ উইকেট শিকার করেন এহসান খান। ১টি করে উইকেট ঝুলিতে ভরেন এহসান নেওয়াজ ও আইজাজ খান।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 























