ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

২০১৬-১৭ অর্থবছরের রাজস্ব আয়ের প্রবৃদ্ধি ১৯ শতাংশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এনবিআরের রাজস্ব আহরণের পরিমাণ প্রায় ১৯ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া বিদায়ী ২০১৬-১৭ অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি নিয়ে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আয় করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিঅর)। এনবিআরের হিসাবে,গত ২৪ জুলাই পর্যন্ত আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (মূসক) ও শুল্ক মিলিয়ে এক লাখ ৮৫ হাজার ৩ কোটি টাকার রাজস্ব আয় হয়েছে। সংশোধিত লক্ষ্য ছিল এক লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রাজস্ব বোর্ডের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান এসব তথ্য জানান।

নজিবুর রহমান বলেন, ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের সংশোধিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা। ২৪ জুলাই পর্যন্ত প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে সংগৃহিত হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩ কোটি টাকা। সেপ্টেম্বরে চূড়ান্ত হিসাব পাওয়া গেলে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ আরো বেড়ে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। নজিবুর রহমান আরো বলেন,পেট্রোবাংলা ও বিপিসির কাছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব বকেয়া রয়ে গেছে।দীর্ঘ দিনের পুঞ্জিভূত এই বকেয়া রাজস্ব পাওয়া গেলে গত অর্থবছরে সরকার নির্ধারিত মূল লক্ষ্যমাত্রা দুই লাখ ৩ হাজার ১৫২ কোটি টাকা রাজস্ব অর্জণ সম্ভব ছিল।

২০১৫-১৬ অর্থবছরে এনবিআর রাজস্ব আহরণ করেছিল এক লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার। সেই হিসেবে গত কয়েকবছরের মধ্যে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে রাজস্ব আয়ে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।এর আগের ২০১৫-১৬ ও ২০১৪-১৫ অর্থবছরে এনবিআরো রাজস্ব আয়ের প্রবৃদ্ধি ছিল যথাক্রমে ১৪ দশমিক ৬০ এবং ১২ দশমিক ৩২ শতাংশ।

এছাড়া রাজস্ব আহরণের অন্যতম খাত হলো ‘উৎসে ভ্যাট ও আয়কর’। অর্থবছরের শেষ সময়ে ঈদের র্দীঘ ছুটির কারণে সরকারী-বেসরকারী অফিসে কাজকর্ম কমে যায় এবং রাজস্ব আহরণের ক্ষেত্রে প্রভাব পড়ে। ব্যাংকিং খাতে ১৪ শতাংশ নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির জন্যে আয়কর খাতে রাজস্ব আহরণ হ্রাস পেয়েছে। নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়নকে সামনে রেখে ভ্যাট ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের কর্মঘন্টার একটা বড় অংশ এ আইন নিয়ে কাউন্সেলিং ও সভা সেমিনারে ব্যয় হয়েছে। ফলে অন্যান্য অর্থবছরের মতো কর্মকর্তাগণ রাজস্ব আহরণে স্বাভাবিক মনোযোগ দিতে পারেননি। আমদানি পর্যায়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রকল্পসমূহকে আমদানি শুল্ক হতে অব্যাহতি প্রদান করে। এর মধ্যে জ্বালানি খাতকে উৎসাহিত করার জন্যে প্রদত্ত অব্যাহতি উল্লেখযোগ্য।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

২০১৬-১৭ অর্থবছরের রাজস্ব আয়ের প্রবৃদ্ধি ১৯ শতাংশ

আপডেট সময় ০৫:৫০:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এনবিআরের রাজস্ব আহরণের পরিমাণ প্রায় ১৯ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া বিদায়ী ২০১৬-১৭ অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি নিয়ে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আয় করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিঅর)। এনবিআরের হিসাবে,গত ২৪ জুলাই পর্যন্ত আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (মূসক) ও শুল্ক মিলিয়ে এক লাখ ৮৫ হাজার ৩ কোটি টাকার রাজস্ব আয় হয়েছে। সংশোধিত লক্ষ্য ছিল এক লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রাজস্ব বোর্ডের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান এসব তথ্য জানান।

নজিবুর রহমান বলেন, ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের সংশোধিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা। ২৪ জুলাই পর্যন্ত প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে সংগৃহিত হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩ কোটি টাকা। সেপ্টেম্বরে চূড়ান্ত হিসাব পাওয়া গেলে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ আরো বেড়ে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। নজিবুর রহমান আরো বলেন,পেট্রোবাংলা ও বিপিসির কাছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব বকেয়া রয়ে গেছে।দীর্ঘ দিনের পুঞ্জিভূত এই বকেয়া রাজস্ব পাওয়া গেলে গত অর্থবছরে সরকার নির্ধারিত মূল লক্ষ্যমাত্রা দুই লাখ ৩ হাজার ১৫২ কোটি টাকা রাজস্ব অর্জণ সম্ভব ছিল।

২০১৫-১৬ অর্থবছরে এনবিআর রাজস্ব আহরণ করেছিল এক লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার। সেই হিসেবে গত কয়েকবছরের মধ্যে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে রাজস্ব আয়ে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।এর আগের ২০১৫-১৬ ও ২০১৪-১৫ অর্থবছরে এনবিআরো রাজস্ব আয়ের প্রবৃদ্ধি ছিল যথাক্রমে ১৪ দশমিক ৬০ এবং ১২ দশমিক ৩২ শতাংশ।

এছাড়া রাজস্ব আহরণের অন্যতম খাত হলো ‘উৎসে ভ্যাট ও আয়কর’। অর্থবছরের শেষ সময়ে ঈদের র্দীঘ ছুটির কারণে সরকারী-বেসরকারী অফিসে কাজকর্ম কমে যায় এবং রাজস্ব আহরণের ক্ষেত্রে প্রভাব পড়ে। ব্যাংকিং খাতে ১৪ শতাংশ নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির জন্যে আয়কর খাতে রাজস্ব আহরণ হ্রাস পেয়েছে। নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়নকে সামনে রেখে ভ্যাট ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের কর্মঘন্টার একটা বড় অংশ এ আইন নিয়ে কাউন্সেলিং ও সভা সেমিনারে ব্যয় হয়েছে। ফলে অন্যান্য অর্থবছরের মতো কর্মকর্তাগণ রাজস্ব আহরণে স্বাভাবিক মনোযোগ দিতে পারেননি। আমদানি পর্যায়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রকল্পসমূহকে আমদানি শুল্ক হতে অব্যাহতি প্রদান করে। এর মধ্যে জ্বালানি খাতকে উৎসাহিত করার জন্যে প্রদত্ত অব্যাহতি উল্লেখযোগ্য।