ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করতে হবে’:শিল্পমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় অর্থনীতিতে কুটির, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি পর্যায়ে উন্নীত করতে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক)-এর কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সিএমএসএমই খাতকে আরো শক্তিশালী করতে হবে।

আজ রবিবার রাজধানীর বিসিক ভবনে বিসিক বর্ষা মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন।

মন্ত্রী বলেন, বিসিক শিল্পনগরীগুলো বর্তমানে জাতীয় অর্থনীতিতে বছরে প্রায় ৬৫ হাজার কোটি টাকা অবদান রাখছে। তবে, দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার তুলনায় এ উৎপাদন এখনো সন্তোষজনক নয়।

তিনি ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, ওই দেশগুলোতে সিএমএসএমই খাত অর্থনীতিতে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশের বেশি অবদান রাখছে। বাংলাদেশেও এ খাতের অংশীদারিত্ব ৬০ শতাংশের বেশি উন্নীত করা গেলে আয় বৈষম্য কমবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ আরও বাড়বে।

শিল্পমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত বা পরিত্যক্ত শিল্প প্লট দ্রুত চিহ্নিত করে সেগুলো পুনরুদ্ধার এবং উৎপাদনমুখী উদ্যোক্তাদের কাছে পুনর্বণ্টনের জন্য জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, অব্যবহৃত শিল্প সম্পদ উৎপাদনে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে জেলা কর্মকর্তাদের সাফল্যই তাদের কর্মদক্ষতা মূল্যায়নের অন্যতম প্রধান সূচক হবে।

ভবিষ্যৎ শিল্পায়নের প্রসারে যেসব শিল্পনগরীর জমি পুরোপুরি ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলো সম্প্রসারণ এবং চাহিদাসম্পন্ন এলাকায় নতুন শিল্পনগরী স্থাপনের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনার ঘোষণা দেন মন্ত্রী।

দীর্ঘদিনের বিলম্বিত প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, ‘সবুজ পাতা’ প্রকল্পের আওতায় নতুন উদ্যোগগুলো চলতি বছরের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হবে।

কৃষিভিত্তিক শিল্প ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংকে আঞ্চলিক শিল্পায়নের অগ্রাধিকার খাত হিসেবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিজ নিজ জেলার শিল্প সম্ভাবনার ভিত্তিতে এক সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত সুপারিশ জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, এসব প্রস্তাব পরবর্তী সপ্তাহে জেলা ও শিল্পভিত্তিক বৈঠকে আলোচনা করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি উন্নীত করা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে সরকারের সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি করতে হবে’:শিল্পমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৩০:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় অর্থনীতিতে কুটির, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি পর্যায়ে উন্নীত করতে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক)-এর কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সিএমএসএমই খাতকে আরো শক্তিশালী করতে হবে।

আজ রবিবার রাজধানীর বিসিক ভবনে বিসিক বর্ষা মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন।

মন্ত্রী বলেন, বিসিক শিল্পনগরীগুলো বর্তমানে জাতীয় অর্থনীতিতে বছরে প্রায় ৬৫ হাজার কোটি টাকা অবদান রাখছে। তবে, দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার তুলনায় এ উৎপাদন এখনো সন্তোষজনক নয়।

তিনি ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, ওই দেশগুলোতে সিএমএসএমই খাত অর্থনীতিতে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশের বেশি অবদান রাখছে। বাংলাদেশেও এ খাতের অংশীদারিত্ব ৬০ শতাংশের বেশি উন্নীত করা গেলে আয় বৈষম্য কমবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ আরও বাড়বে।

শিল্পমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত বা পরিত্যক্ত শিল্প প্লট দ্রুত চিহ্নিত করে সেগুলো পুনরুদ্ধার এবং উৎপাদনমুখী উদ্যোক্তাদের কাছে পুনর্বণ্টনের জন্য জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, অব্যবহৃত শিল্প সম্পদ উৎপাদনে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে জেলা কর্মকর্তাদের সাফল্যই তাদের কর্মদক্ষতা মূল্যায়নের অন্যতম প্রধান সূচক হবে।

ভবিষ্যৎ শিল্পায়নের প্রসারে যেসব শিল্পনগরীর জমি পুরোপুরি ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলো সম্প্রসারণ এবং চাহিদাসম্পন্ন এলাকায় নতুন শিল্পনগরী স্থাপনের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনার ঘোষণা দেন মন্ত্রী।

দীর্ঘদিনের বিলম্বিত প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, ‘সবুজ পাতা’ প্রকল্পের আওতায় নতুন উদ্যোগগুলো চলতি বছরের মধ্যেই বাস্তবায়ন করা হবে।

কৃষিভিত্তিক শিল্প ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংকে আঞ্চলিক শিল্পায়নের অগ্রাধিকার খাত হিসেবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিজ নিজ জেলার শিল্প সম্ভাবনার ভিত্তিতে এক সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত সুপারিশ জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, এসব প্রস্তাব পরবর্তী সপ্তাহে জেলা ও শিল্পভিত্তিক বৈঠকে আলোচনা করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, সিএমএসএমই খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি উন্নীত করা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে সরকারের সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।