ঢাকা ০১:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এখন কি বলা যাবে উনি ঋণখেলাপি ছিলেন, আসলাম চৌধুরী প্রসঙ্গে জামায়াত এমপি বাবাকে অপমানের ক্ষোভে ৫ বছরের শিশুকে হত্যা করেন নিহা ‘রিফাইন্ড’ বা অন্য নামেও আওয়ামী লীগ কর্মসূচি করতে পারবে না : তথ্য উপদেষ্টা গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূতি উপলক্ষে জামায়াতের মাসব্যাপী কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল রাজধানীর তিন সরকারি হাসপাতালে র‍্যাবের অভিযান, আটক ১৩ পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনা প্রত্যাহার করল বিরোধী দল ১১ বছর পর রায়, বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

এখন কি বলা যাবে উনি ঋণখেলাপি ছিলেন, আসলাম চৌধুরী প্রসঙ্গে জামায়াত এমপি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

উচ্চ আদালতে চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিলের বিষয়ে সংসদে প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতের সংসদ-সদস্য (এমপি) মো. নাজিবুর রহমান।

তিনি সংসদে বলেছেন, ‘আজকে ঋণখেলাপের দায়ে এক ব্যক্তির মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এখন কি বলতে পারব, উনি ঋণখেলাপি ছিলেন।’ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে একথা বলেন তিনি।

‘ঋণখেলাপিদের এই সংসদে’ দাঁড়িয়ে বলতে হচ্ছে-স্বতন্ত্র সংসদ-সদস্য রুমিন ফারহানার এমন বক্তব্য নিয়ে ১৮ জুন সংসদে বিতর্ক হয়।

ওই বিষয়টির দিকে ইঙ্গিত করে নাজিবুর রহমান বলেন, কয়েকদিন আগে আমাদের একজন সংসদ-সদস্য আপনার (স্পিকার) কাছে জানতে চেয়েছিলেন, সংসদে কোনো ঋণখেলাপি আছে কিনা? তখন আপনি বলেছিলেন, বিচারাধীন বিষয়ে বলতে পারছেন না। আজকে ঋণখেলাপের দায়ে এক ব্যক্তির মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এখন কি বলতে পারব উনি ঋণখেলাপি ছিলেন।

পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, এটা পয়েন্ট অব অর্ডার হলো না। একজন সদস্যের সদস্য পদ থাকবে কি থাকবে না-এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সিদ্ধান্ত নেবে। ইসি আদালতের নির্দেশনায় আদেশ জারি করলে এ ব্যাপারে আমি আপনাদের জানাতে পারব। তাই ইসির চূড়ান্ত রায়ের জন্য আমাদের আরও অপেক্ষা করতে হবে, তখন চূড়ান্ত মন্তব্য করা যাবে।

পরে পয়েন্ট অব অর্ডারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা সেদিন বলেছিলাম, এ সংসদে কোনো ঋণখেলাপি সদস্য নেই, ঋণগ্রস্ত থাকতে পারেন। উনি (জামায়াত এমপি) যে প্রসঙ্গটা তুললেন, এটা যেহেতু আদালতে ফয়সালা হয়ে গেছে, কিন্তু উনিতো সংসদ-সদস্যের শপথ নিয়ে এখানে আসেননি। উনি সংসদ-সদস্য নন। তার প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ হয়েছে, উচ্চ আদালত রায় দিয়েছেন। এটাই শেষ। উনি সংসদ-সদস্য থাকলে একথা বলা যেত। এটা কোনো পয়েন্ট অব অর্ডার নয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে স্পিকার বলেন, পয়েন্ট অব অর্ডারের বিষয়ে আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে দিন। কিন্তু তিনি (আসলাম চৌধুরী) সংসদ-সদস্য নন, আপনার এই ব্যাখ্যা ঠিক আছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এখন কি বলা যাবে উনি ঋণখেলাপি ছিলেন, আসলাম চৌধুরী প্রসঙ্গে জামায়াত এমপি

এখন কি বলা যাবে উনি ঋণখেলাপি ছিলেন, আসলাম চৌধুরী প্রসঙ্গে জামায়াত এমপি

আপডেট সময় ১১:৩০:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

উচ্চ আদালতে চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিলের বিষয়ে সংসদে প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতের সংসদ-সদস্য (এমপি) মো. নাজিবুর রহমান।

তিনি সংসদে বলেছেন, ‘আজকে ঋণখেলাপের দায়ে এক ব্যক্তির মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এখন কি বলতে পারব, উনি ঋণখেলাপি ছিলেন।’ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে একথা বলেন তিনি।

‘ঋণখেলাপিদের এই সংসদে’ দাঁড়িয়ে বলতে হচ্ছে-স্বতন্ত্র সংসদ-সদস্য রুমিন ফারহানার এমন বক্তব্য নিয়ে ১৮ জুন সংসদে বিতর্ক হয়।

ওই বিষয়টির দিকে ইঙ্গিত করে নাজিবুর রহমান বলেন, কয়েকদিন আগে আমাদের একজন সংসদ-সদস্য আপনার (স্পিকার) কাছে জানতে চেয়েছিলেন, সংসদে কোনো ঋণখেলাপি আছে কিনা? তখন আপনি বলেছিলেন, বিচারাধীন বিষয়ে বলতে পারছেন না। আজকে ঋণখেলাপের দায়ে এক ব্যক্তির মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এখন কি বলতে পারব উনি ঋণখেলাপি ছিলেন।

পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, এটা পয়েন্ট অব অর্ডার হলো না। একজন সদস্যের সদস্য পদ থাকবে কি থাকবে না-এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সিদ্ধান্ত নেবে। ইসি আদালতের নির্দেশনায় আদেশ জারি করলে এ ব্যাপারে আমি আপনাদের জানাতে পারব। তাই ইসির চূড়ান্ত রায়ের জন্য আমাদের আরও অপেক্ষা করতে হবে, তখন চূড়ান্ত মন্তব্য করা যাবে।

পরে পয়েন্ট অব অর্ডারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা সেদিন বলেছিলাম, এ সংসদে কোনো ঋণখেলাপি সদস্য নেই, ঋণগ্রস্ত থাকতে পারেন। উনি (জামায়াত এমপি) যে প্রসঙ্গটা তুললেন, এটা যেহেতু আদালতে ফয়সালা হয়ে গেছে, কিন্তু উনিতো সংসদ-সদস্যের শপথ নিয়ে এখানে আসেননি। উনি সংসদ-সদস্য নন। তার প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ হয়েছে, উচ্চ আদালত রায় দিয়েছেন। এটাই শেষ। উনি সংসদ-সদস্য থাকলে একথা বলা যেত। এটা কোনো পয়েন্ট অব অর্ডার নয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে স্পিকার বলেন, পয়েন্ট অব অর্ডারের বিষয়ে আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে দিন। কিন্তু তিনি (আসলাম চৌধুরী) সংসদ-সদস্য নন, আপনার এই ব্যাখ্যা ঠিক আছে।