ঢাকা ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

এক লাখ ৫২ হাজার মানুষের মৃত্যু হবে! কারণটা জানলে চমকে যাবেন

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ঠেকাতে কার্যকরী কিছু করা না হলে আগামী ২১০০ সালের মধ্যে চরম আবহাওয়ায় ইউরোপে প্রতি বছর এক লাখ ৫২ হাজার মানুষ মারা যেতে পারে। এমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ল্যানসেট প্ল্যানেটারি হেলথ সাময়িকীতে প্রকাশিত ওই গবেষণা প্রতিবেদনে যে পরিমাণ মানুষের মৃত্যু ঘটবে বলে বলা হয়েছে তা বর্তমান সংখ্যার তুলনায় ৫০ গুণ বেশি বলে জানিয়েছে বিবিসি।

আবহাওয়াজনিত এই মৃত্যুগুলোর মধ্যে তাপপ্রবাহে ৯৯ শতাংশ মানুষ মারা যাবে বলে প্রতিবেদনেটিতে বলা হয়েছে। ইউরোপের দক্ষিণাঞ্চলগুলো এই পরিস্থিতির সবচেয়ে বড় শিকারে পরিণত হবে। ইউরোপিয়ান কমিশনের জয়েন্ট রিসার্চ সেন্টারের ওই গবেষণা প্রতিবেদনে যেসব তথ্য প্রকাশ পেয়েছে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস করতে কিছুই না করা হলে ও চরম আবহাওয়ার জন্য দায়ী বিষয়গুলোর প্রভাব হ্রাস করতে নীতিগুলোর উন্নয়ন করা না গেলে যা ঘটবে বলে বলা হয়েছে তা হল:

১৯৮১ সালে থেকে ২০১০ সালের মধ্যে প্রতি বছর চরম আবহাওয়াজনিত কারণে মৃত্যুর সংখ্যা তিন হাজার থেকে বেড়ে ২০৭১ থেকে ২১০০ সালের মধ্যে প্রতি বছর ১,৫২,০০০ জনে দাঁড়াবে।
চলতি শতাব্দির শুরুতে যেখানে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ইউরোপের প্রতি ২০ জনের মধ্যে একজন ক্ষতিগ্রস্থ হত তা বেড়ে প্রতি তিনজনের মধ্যে দুইজন ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
শতাব্দির শুরুতে উপকূলীয় বন্যায় প্রতি বছর ছয়জনের মৃত্যুর জায়গায় শতাব্দির শেষ দিকে প্রতি বছর ২৩৩ জন করে মারা যাবে।
গবেষণায় সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে ও আইসল্যান্ডসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ২৮টি দেশে তাপপ্রবাহ, হঠাৎ শৈত্যপ্রবাহ, দাবানল, খরা, নদী ও উপকূলীয় বন্যা এবং ঝড়ের মতো আবহাওয়াজনিত সবচেয়ে মারাত্মক সাতটি প্রভাব বিশ্লেষণ করে দেখা হয়েছে। গবেষক দলটি ১৯৮১ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত দেশগুলোর প্রাকৃতিক দুর্যোগের রেকর্ডগুলো পরীক্ষা করে জনগণের দুর্যোগ মোকাবিলার সামর্থ্য খতিয়ে দেখেছে। এরপর এই তথ্যগুলো আবহাওয়া পরিবর্তনের অগ্রগতি এবং জনসংখ্যার বৃদ্ধি ও অভিবাসনের সম্ভাব্য ফলাফলগুলো সঙ্গে একত্র করে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এক লাখ ৫২ হাজার মানুষের মৃত্যু হবে! কারণটা জানলে চমকে যাবেন

আপডেট সময় ১০:৩৭:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ঠেকাতে কার্যকরী কিছু করা না হলে আগামী ২১০০ সালের মধ্যে চরম আবহাওয়ায় ইউরোপে প্রতি বছর এক লাখ ৫২ হাজার মানুষ মারা যেতে পারে। এমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ল্যানসেট প্ল্যানেটারি হেলথ সাময়িকীতে প্রকাশিত ওই গবেষণা প্রতিবেদনে যে পরিমাণ মানুষের মৃত্যু ঘটবে বলে বলা হয়েছে তা বর্তমান সংখ্যার তুলনায় ৫০ গুণ বেশি বলে জানিয়েছে বিবিসি।

আবহাওয়াজনিত এই মৃত্যুগুলোর মধ্যে তাপপ্রবাহে ৯৯ শতাংশ মানুষ মারা যাবে বলে প্রতিবেদনেটিতে বলা হয়েছে। ইউরোপের দক্ষিণাঞ্চলগুলো এই পরিস্থিতির সবচেয়ে বড় শিকারে পরিণত হবে। ইউরোপিয়ান কমিশনের জয়েন্ট রিসার্চ সেন্টারের ওই গবেষণা প্রতিবেদনে যেসব তথ্য প্রকাশ পেয়েছে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস করতে কিছুই না করা হলে ও চরম আবহাওয়ার জন্য দায়ী বিষয়গুলোর প্রভাব হ্রাস করতে নীতিগুলোর উন্নয়ন করা না গেলে যা ঘটবে বলে বলা হয়েছে তা হল:

১৯৮১ সালে থেকে ২০১০ সালের মধ্যে প্রতি বছর চরম আবহাওয়াজনিত কারণে মৃত্যুর সংখ্যা তিন হাজার থেকে বেড়ে ২০৭১ থেকে ২১০০ সালের মধ্যে প্রতি বছর ১,৫২,০০০ জনে দাঁড়াবে।
চলতি শতাব্দির শুরুতে যেখানে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ইউরোপের প্রতি ২০ জনের মধ্যে একজন ক্ষতিগ্রস্থ হত তা বেড়ে প্রতি তিনজনের মধ্যে দুইজন ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
শতাব্দির শুরুতে উপকূলীয় বন্যায় প্রতি বছর ছয়জনের মৃত্যুর জায়গায় শতাব্দির শেষ দিকে প্রতি বছর ২৩৩ জন করে মারা যাবে।
গবেষণায় সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে ও আইসল্যান্ডসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ২৮টি দেশে তাপপ্রবাহ, হঠাৎ শৈত্যপ্রবাহ, দাবানল, খরা, নদী ও উপকূলীয় বন্যা এবং ঝড়ের মতো আবহাওয়াজনিত সবচেয়ে মারাত্মক সাতটি প্রভাব বিশ্লেষণ করে দেখা হয়েছে। গবেষক দলটি ১৯৮১ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত দেশগুলোর প্রাকৃতিক দুর্যোগের রেকর্ডগুলো পরীক্ষা করে জনগণের দুর্যোগ মোকাবিলার সামর্থ্য খতিয়ে দেখেছে। এরপর এই তথ্যগুলো আবহাওয়া পরিবর্তনের অগ্রগতি এবং জনসংখ্যার বৃদ্ধি ও অভিবাসনের সম্ভাব্য ফলাফলগুলো সঙ্গে একত্র করে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।