ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভালো রাজনৈতিক সংস্কৃতির চর্চা সংসদ থেকে শুরু করতে চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের ভারত ও আ. লীগের সঙ্গে সমঝোতাকারীদের বয়কট করতে হবে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে, ইরানে আঘাত করার মতো কিছুই বাকি নেই: ট্রাম্প নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে: নাহিদ ইসলাম যারা আমাদের নেতাকে হত্যা করেছে, তাদের দেশে বিশ্বকাপ খেলতে যাব না: ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী মানবাধিকার পরিস্থিতির সূচক উন্নতির দিকে: আইনমন্ত্রী জুনে চালু হতে পারে ই-হেলথ কার্ড: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বর্তমান সরকার সবার, কারও প্রতিপক্ষ নয়: প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নূর সংসদের অধিবেশন কক্ষে কালিমা তাইয়্যেবা লেখা আরবি ক্যালিগ্রাফি স্থাপন

জুনে চালু হতে পারে ই-হেলথ কার্ড: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও শক্তিশালী, সমন্বিত ও কার্যকর করতে জাতীয় ই-হেলথ কার্ড আগামী জুনে চালু করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের সেবা জোরদারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত উদ্যোগ হিসেবে এ কার্ড বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছেন।

বুধবার (১১ মার্চ) ঢাকায় অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। কর্মশালাটি আয়োজন করেছে আইসিটি বিভাগের এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রোগ্রাম, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ই-হেলথ কার্ডের সুবিধা হলো- রোগীর স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত তথ্য চিকিৎসকের কাছে সহজলভ্য হবে, যেকোনো স্থানে চিকিৎসা নেওয়ার সময় তা ব্যবহার করা যাবে।

তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য খাতে এটি একটি মৌলিক পরিচয় কাঠামো হিসেবে কাজ করবে, যা হাসপাতালে, ক্লিনিক ও অন্যান্য সেবা প্রতিষ্ঠানে তথ্য নিরাপদভাবে বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন উল্লেখ করেন, বিএনপি সরকারের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড ইতোমধ্যে চালু হয়েছে। বাকি দুই উদ্যোগ—ই-হেলথ কার্ড ও ফারমারস কার্ড—চলমান রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জুনের শেষ নাগাদ ই-হেলথ কার্ড কার্যক্রমে আসবে।

কর্মশালার শেষ দিনে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী অধিবেশনে হেলথ আইডি, ইলেকট্রনিক মেডিকেল রেকর্ড (ইএমআর) এবং শেয়ারেবল হেলথ রেকর্ড (এসএইচআর) বাস্তবায়নের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, অবকাঠামোগত প্রস্তুতি ও প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। এ ছাড়া এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোহা. আব্দুর রফিক, চিফ টেকনোলজি অ্যাডভাইজার মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, ইন্টারন্যাশনাল প্রজেক্ট ম্যানেজার মাহা আবু এমায়ের এবং এডিবির সিনিয়র হেলথ স্পেশালিস্ট রুই লিওসহ সরকারের জ্যেষ্ঠ নীতিনির্ধারক, স্বাস্থ্য খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা কর্মশালায় অংশ নেন।

কর্মশালায় জানানো হয়, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ইএমআর ব্যবহারের বর্তমান অবস্থা, এসএইচআর-এর স্থাপত্য, এপিআই মানদণ্ড, আন্তঃকার্যকারিতা কাঠামো, গোপনীয়তা ও সম্মতি ব্যবস্থাপনা এবং বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর সংযুক্তির প্রস্তুতি নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়েছে। একইসঙ্গে প্রযুক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও গভর্ন্যান্স-সংক্রান্ত ঘাটতি চিহ্নিত করে জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য একটি কার্যকর রোডম্যাপ প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভালো রাজনৈতিক সংস্কৃতির চর্চা সংসদ থেকে শুরু করতে চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জুনে চালু হতে পারে ই-হেলথ কার্ড: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:১০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও শক্তিশালী, সমন্বিত ও কার্যকর করতে জাতীয় ই-হেলথ কার্ড আগামী জুনে চালু করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের সেবা জোরদারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত উদ্যোগ হিসেবে এ কার্ড বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছেন।

বুধবার (১১ মার্চ) ঢাকায় অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। কর্মশালাটি আয়োজন করেছে আইসিটি বিভাগের এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রোগ্রাম, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ই-হেলথ কার্ডের সুবিধা হলো- রোগীর স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত তথ্য চিকিৎসকের কাছে সহজলভ্য হবে, যেকোনো স্থানে চিকিৎসা নেওয়ার সময় তা ব্যবহার করা যাবে।

তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য খাতে এটি একটি মৌলিক পরিচয় কাঠামো হিসেবে কাজ করবে, যা হাসপাতালে, ক্লিনিক ও অন্যান্য সেবা প্রতিষ্ঠানে তথ্য নিরাপদভাবে বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন উল্লেখ করেন, বিএনপি সরকারের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড ইতোমধ্যে চালু হয়েছে। বাকি দুই উদ্যোগ—ই-হেলথ কার্ড ও ফারমারস কার্ড—চলমান রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জুনের শেষ নাগাদ ই-হেলথ কার্ড কার্যক্রমে আসবে।

কর্মশালার শেষ দিনে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী অধিবেশনে হেলথ আইডি, ইলেকট্রনিক মেডিকেল রেকর্ড (ইএমআর) এবং শেয়ারেবল হেলথ রেকর্ড (এসএইচআর) বাস্তবায়নের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, অবকাঠামোগত প্রস্তুতি ও প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী। এ ছাড়া এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোহা. আব্দুর রফিক, চিফ টেকনোলজি অ্যাডভাইজার মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, ইন্টারন্যাশনাল প্রজেক্ট ম্যানেজার মাহা আবু এমায়ের এবং এডিবির সিনিয়র হেলথ স্পেশালিস্ট রুই লিওসহ সরকারের জ্যেষ্ঠ নীতিনির্ধারক, স্বাস্থ্য খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা কর্মশালায় অংশ নেন।

কর্মশালায় জানানো হয়, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ইএমআর ব্যবহারের বর্তমান অবস্থা, এসএইচআর-এর স্থাপত্য, এপিআই মানদণ্ড, আন্তঃকার্যকারিতা কাঠামো, গোপনীয়তা ও সম্মতি ব্যবস্থাপনা এবং বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর সংযুক্তির প্রস্তুতি নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়েছে। একইসঙ্গে প্রযুক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও গভর্ন্যান্স-সংক্রান্ত ঘাটতি চিহ্নিত করে জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য একটি কার্যকর রোডম্যাপ প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।