ঢাকা ১১:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকার সবসময় দুর্গত মানুষের পাশে আছে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী একটি মহলের অতি লোভের কারণে ইসলাম বিজয়ী হয়নি: চরমোনাই পীর ২৫ বছরের আগে পদত্যাগ করলে পেনশন সুবিধা পাবেন না সরকারি চাকরিজীবীরা চলতি বছরেই প্রতি উপজেলা হাসপাতালে স্থাপন হবে ক্যাথ ল্যাব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্বর্ণপদকজয়ী শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎ শেখ হাসিনার ১ বছরে খাওয়া-দাওয়ার খরচ হয়েছে ৩৫ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী নাটোরে নবজাতকের মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ আমরা সরকার গঠন করে শেখ হাসিনাকে ফাঁসিতে ঝুলাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দরজা খুলেই দেখলেন শাশুড়ির রক্তাক্ত লাশ, পাশের কক্ষে কাঁদছিল দুই বছরের মেয়ে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল মা ও দুই সন্তানসহ ৪ জনের

অভিনেতা আলভীর প্ররোচনায় আত্মহত্যা করেন তার স্ত্রী,পল্লবী থানায় বাবার মামলা

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

‘তুই মরলেও আমার কিছু যায় আসে না, তোর যা মন চায়, তুই কর’। মায়ের প্ররোচনায় ছোটপর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভী প্রায়ই স্ত্রীকে এমন উসকানিমূলক কথাবার্তা বলতেন।

আলভীর এমন উসকানিমূলক কথাবার্তায় প্ররোচিত হয়ে তার স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরা আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

রোববার মৃত ইকরার পিতা কবির হায়াত খান রাজধানীর পল্লবী থানায় একটি আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে জাহের আলভী ও তার মা নাসরিন সুলতানা শিউলী।

গত শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার এভিনিউ-২ এর ১৭ নম্বর রোডের একটি বাড়িতে অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মামলার এজাহারে ভিকটিমের পিতা উল্লেখ করেন, মামলার প্রধান আসামি জাহের আলভীর সঙ্গে তার মেয়ে ইকরার ২০১৩ সালে প্রেমের সম্পর্কে বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের ৫ বছরের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। বিয়ের পর জাহের আলভী তার মা শিউলীর প্ররোচনায় স্ত্রী ইকরাকে মানসিক নির্যাতন করতেন। ভিকটিমের পিতা বিয়য়টি জানতে পেরে শিউলীর মাধ্যমে পারিবারিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করলেও শিউলী তাদের কথায় কর্ণপাত করেনি।

প্রায় ২ বছর আগে ইকরা জানতে পারেন- তার স্বামী আলভী অজ্ঞাতনামা এক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত। এ ঘটনায় স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ইকরাকে তাদের জীবন থেকে সরে যাওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে প্ররোচনা করেন জাহের আলভী ও তার মা শিউলী। এমনকি ভিকটিমকে গালিগালাজ, অপমান ও বিভিন্ন ধরনের উসকানিমূলক কথাবার্তা বলে তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করেন।

আলভী তার স্ত্রীকে প্রায়ই বলতেন, ‘তুই মরলেও আমার কিছু যায় আসে না। তোর যা মন চায়, তুই কর।’ একপর্যায়ে মামলার আসামিদের অপমান, অবহেলা ও উসকানিমূলক কথাবার্তা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন ইকরা।

পল্লবী থানার ওসি একেএম আলমগীর জাহান বলেন, আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। আসামিরা পলাতক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার সবসময় দুর্গত মানুষের পাশে আছে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

অভিনেতা আলভীর প্ররোচনায় আত্মহত্যা করেন তার স্ত্রী,পল্লবী থানায় বাবার মামলা

আপডেট সময় ০৫:১০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

‘তুই মরলেও আমার কিছু যায় আসে না, তোর যা মন চায়, তুই কর’। মায়ের প্ররোচনায় ছোটপর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভী প্রায়ই স্ত্রীকে এমন উসকানিমূলক কথাবার্তা বলতেন।

আলভীর এমন উসকানিমূলক কথাবার্তায় প্ররোচিত হয়ে তার স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরা আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

রোববার মৃত ইকরার পিতা কবির হায়াত খান রাজধানীর পল্লবী থানায় একটি আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে জাহের আলভী ও তার মা নাসরিন সুলতানা শিউলী।

গত শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার এভিনিউ-২ এর ১৭ নম্বর রোডের একটি বাড়িতে অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মামলার এজাহারে ভিকটিমের পিতা উল্লেখ করেন, মামলার প্রধান আসামি জাহের আলভীর সঙ্গে তার মেয়ে ইকরার ২০১৩ সালে প্রেমের সম্পর্কে বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের ৫ বছরের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। বিয়ের পর জাহের আলভী তার মা শিউলীর প্ররোচনায় স্ত্রী ইকরাকে মানসিক নির্যাতন করতেন। ভিকটিমের পিতা বিয়য়টি জানতে পেরে শিউলীর মাধ্যমে পারিবারিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করলেও শিউলী তাদের কথায় কর্ণপাত করেনি।

প্রায় ২ বছর আগে ইকরা জানতে পারেন- তার স্বামী আলভী অজ্ঞাতনামা এক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত। এ ঘটনায় স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ইকরাকে তাদের জীবন থেকে সরে যাওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে প্ররোচনা করেন জাহের আলভী ও তার মা শিউলী। এমনকি ভিকটিমকে গালিগালাজ, অপমান ও বিভিন্ন ধরনের উসকানিমূলক কথাবার্তা বলে তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করেন।

আলভী তার স্ত্রীকে প্রায়ই বলতেন, ‘তুই মরলেও আমার কিছু যায় আসে না। তোর যা মন চায়, তুই কর।’ একপর্যায়ে মামলার আসামিদের অপমান, অবহেলা ও উসকানিমূলক কথাবার্তা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন ইকরা।

পল্লবী থানার ওসি একেএম আলমগীর জাহান বলেন, আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। আসামিরা পলাতক।