ঢাকা ০৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে নিজের অবদান বলতে গিয়ে অন্যের অবদানকে হাতুড়িপেটা করেছেন :শফিকুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের তুলনা করা অন্যায় : ফজলুর রহমান বিরোধী দলের অনেকেই আমাকে ‘ফজা পাগলা’ বলে ডাকে: সংসদে ফজলুর রহমান থানায় মামলা করতে গিয়ে হয়রানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জ্বালানি লোডিং শুরু, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ বাণিজ্যমন্ত্রীর রাজধানীতে বিদেশি নাগরিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ এনসিপির নুসরাতের মনোনয়ন গ্রহণ করবে ইসি, আপিল না করার সিদ্ধান্ত প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনায় আহত সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর গণতন্ত্রের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

যে ফ্লাটে ভাড়া দিতে হয় না, উল্টো বাড়িওয়ালা দেয় লাখ টাকা

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

সাধারণত কোনো বহুতল ভবন বা ফ্ল্যাটে থাকতে গেলে ভাড়া দিতে হয়। কিন্তু মুম্বাইয়ের ‘জলি মেকার’ নামে একটি বহুতল ভবনে থাকলেই ভাড়া দিতে হয় না, উল্টো বাড়িওয়ালা ফ্ল্যাট মালিকদের প্রতি মাসে লাখ টাকা দেন।

এই অদ্ভুত ঘটনার পেছনে রয়েছে ১৯৭০ সালের একটি ব্যবসায়িক চুক্তি। তখন ‘জলি মেকার’ নির্মাতা ফ্ল্যাট বিক্রি করার সময় ক্রেতাদের একটি প্রস্তাব দেন। তিনি চাইলেন, ক্রেতারা নরিমান পয়েন্টে নির্মাণাধীন তার অন্য একটি ভবনে বিনিয়োগ করুন।

ফলে জলি মেকারের ফ্ল্যাটের দাম থেকে ৪০ শতাংশ অতিরিক্ত টাকা ক্রেতারা নরিমান পয়েন্টে বিনিয়োগ করেন। বর্তমানে সেই ভবন প্রতি মাসে ৫০ লাখ টাকা ভাড়া দেয়। সেই আয় থেকে জলি মেকারের রক্ষণাবেক্ষণ ও ফ্ল্যাট মালিকদের মাসিক টাকা দেওয়া হয়।

ফলস্বরূপ, জলি মেকার ফ্ল্যাটের মালিকদের কোনো রক্ষণাবেক্ষণ খরচ দিতে হয় না। উল্টো তারা প্রতি মাসে ৩ লাখেরও বেশি টাকা উপার্জন করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে নিজের অবদান বলতে গিয়ে অন্যের অবদানকে হাতুড়িপেটা করেছেন :শফিকুর রহমান

যে ফ্লাটে ভাড়া দিতে হয় না, উল্টো বাড়িওয়ালা দেয় লাখ টাকা

আপডেট সময় ১১:১৬:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

সাধারণত কোনো বহুতল ভবন বা ফ্ল্যাটে থাকতে গেলে ভাড়া দিতে হয়। কিন্তু মুম্বাইয়ের ‘জলি মেকার’ নামে একটি বহুতল ভবনে থাকলেই ভাড়া দিতে হয় না, উল্টো বাড়িওয়ালা ফ্ল্যাট মালিকদের প্রতি মাসে লাখ টাকা দেন।

এই অদ্ভুত ঘটনার পেছনে রয়েছে ১৯৭০ সালের একটি ব্যবসায়িক চুক্তি। তখন ‘জলি মেকার’ নির্মাতা ফ্ল্যাট বিক্রি করার সময় ক্রেতাদের একটি প্রস্তাব দেন। তিনি চাইলেন, ক্রেতারা নরিমান পয়েন্টে নির্মাণাধীন তার অন্য একটি ভবনে বিনিয়োগ করুন।

ফলে জলি মেকারের ফ্ল্যাটের দাম থেকে ৪০ শতাংশ অতিরিক্ত টাকা ক্রেতারা নরিমান পয়েন্টে বিনিয়োগ করেন। বর্তমানে সেই ভবন প্রতি মাসে ৫০ লাখ টাকা ভাড়া দেয়। সেই আয় থেকে জলি মেকারের রক্ষণাবেক্ষণ ও ফ্ল্যাট মালিকদের মাসিক টাকা দেওয়া হয়।

ফলস্বরূপ, জলি মেকার ফ্ল্যাটের মালিকদের কোনো রক্ষণাবেক্ষণ খরচ দিতে হয় না। উল্টো তারা প্রতি মাসে ৩ লাখেরও বেশি টাকা উপার্জন করেন।