ঢাকা ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

রাতে ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরেন, সকালে জানালা দিয়ে মা দেখলেন- ফ্যানে ঝুলছে মরদেহ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে অনন্য গাঙ্গুলি (২৬) নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

অনন্য গাঙ্গুলি একই এলাকার পৌর মহিলা কলেজের (অব.) অধ্যাপক পি কে গাঙ্গুলি ও সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রাধা রানী গাঙ্গুলির ছেলে।

দীর্ঘদিন ধরে অনন্য গাঙ্গুলি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। শনিবার রাতে ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরে মায়ের সঙ্গে কথা বলে রাতের খাবার খান। সকাল ৮টার দিকে পরিবারের সদস্যরা জানালা দিয়ে দেখতে পান অনন্যের মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। এরপর ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

অনন্যের মা রাধা রানী গাঙ্গুলি বলেন, শনিবার রাতে অনন্য ঢাকা থেকে বাড়িতে আসে। রাতে খাবার খেয়ে সে তার শোবার ঘরে চলে যায়। সকাল ৮দিকে নাস্তা বানিয়ে খাবার জন্য ডাকছিলাম। এসময় তার কোনো সাড়া না পেয়ে পাশের জানালা দিয়ে উকি দিয়ে দেখতে পাই ফ্যানের সঙ্গে অনন্যা ঝুলছে। এরপর পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে স্বজনদের সহায়তায় মরেদেহ উদ্ধার করে।

কোটচাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান বলেন, শনিবার রাতেই অনন্য ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। আজ সকালে তার মরদেহ ঝুলছে এমন খবর পাই। ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ পাই। এরপর দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে অনন্যের মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় পুলিশ। তার ঘরের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ছড়ানো ছিল।

ওসি আরও বলেন, নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানছে, অনন্য দীর্ঘদিন ধরে মানসিক বিষন্নতাজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষণ্ণতার কারণেই এমন ঘটনা ঘটাতে পারে। তবে তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত জানা যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাতে ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরেন, সকালে জানালা দিয়ে মা দেখলেন- ফ্যানে ঝুলছে মরদেহ

আপডেট সময় ১০:১৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে অনন্য গাঙ্গুলি (২৬) নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

অনন্য গাঙ্গুলি একই এলাকার পৌর মহিলা কলেজের (অব.) অধ্যাপক পি কে গাঙ্গুলি ও সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রাধা রানী গাঙ্গুলির ছেলে।

দীর্ঘদিন ধরে অনন্য গাঙ্গুলি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। শনিবার রাতে ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরে মায়ের সঙ্গে কথা বলে রাতের খাবার খান। সকাল ৮টার দিকে পরিবারের সদস্যরা জানালা দিয়ে দেখতে পান অনন্যের মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। এরপর ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

অনন্যের মা রাধা রানী গাঙ্গুলি বলেন, শনিবার রাতে অনন্য ঢাকা থেকে বাড়িতে আসে। রাতে খাবার খেয়ে সে তার শোবার ঘরে চলে যায়। সকাল ৮দিকে নাস্তা বানিয়ে খাবার জন্য ডাকছিলাম। এসময় তার কোনো সাড়া না পেয়ে পাশের জানালা দিয়ে উকি দিয়ে দেখতে পাই ফ্যানের সঙ্গে অনন্যা ঝুলছে। এরপর পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে স্বজনদের সহায়তায় মরেদেহ উদ্ধার করে।

কোটচাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান বলেন, শনিবার রাতেই অনন্য ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। আজ সকালে তার মরদেহ ঝুলছে এমন খবর পাই। ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ পাই। এরপর দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে অনন্যের মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় পুলিশ। তার ঘরের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ছড়ানো ছিল।

ওসি আরও বলেন, নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানছে, অনন্য দীর্ঘদিন ধরে মানসিক বিষন্নতাজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষণ্ণতার কারণেই এমন ঘটনা ঘটাতে পারে। তবে তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত জানা যাবে।