ঢাকা ০৬:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসির রোডম্যাপ কাল চূড়ান্ত হতে পারে

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) রোডম্যাপ বা কর্মপরিকল্পনা আগামীকাল চূড়ান্ত হতে পারে।

ইসি সচিবালয়ের সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জানান, আগামীকাল কমিশন বৈঠকে এই রোডম্যাপ নিয়ে পর্যালোচনা করে তা চূড়ান্ত হতে পারে। রোডম্যাপটি চূড়ান্ত করার পর তা ১৬ জুলাই বই আকারে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।

ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, রোডম্যাপে নির্বাচনী আইন ও বিধি সংশোধন, সংসদীয় এলাকার সীমানা পুন:নির্ধারণ, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সাথে সংলাপসহ সাতটি বিষয় প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে।

সূত্র জানায়, গত ২৩ মে মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা খসড়া রোডম্যাপ ঘোষণা করেন। ওই সময়ে যে সাতটি বিষয়টি সিইসি উল্লেখ করেছেন সেগুলোকে রোডম্যাপে প্রাধান্য দিয়ে আনুষঙ্গিক বিষয়গুলোতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এসব বিষয় নিয়ে সিইসি ও কমিশনাররা কয়েক দফা বৈঠক করছেন।

ইসির কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন দেয়া হবে। পাশাপাশি নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলের উপর নীরিক্ষা চালানো হবে। আগামী নির্বাচনের আগে নতুন দলের নিবন্ধন দেয়ার পাশাপাশি নিবন্ধিত দলগুলোর বিষয়ে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিবন্ধন বহাল বা বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আগামী বছরের মার্চের মধ্যে নতুন দলের নিবন্ধন দেয়া এবং আগে নিবন্ধিত দলগুলো বিধিবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে কি না সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আগস্ট থেকে কার্যক্রম শুরু করে আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে নির্বাচনী এলাকার সীমানা চূড়ান্ত করে গেজেট প্রকাশ করা হবে।

ইসির খসড়া কর্মপরিকল্পনায় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২০১৮ সালের জুনে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের কাজ শুরু হবে। ওই বছরের জুলাই মাসে নির্বাচনী এলাকাভিত্তিক ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং তা স্থানীয় রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হবে।
একই বছরের আগস্টে খসড়া ভোটকেন্দ্রের উপর দাবি বা আপত্তি গ্রহণ এবং তা নিষ্পত্তি করা হবে। ভোটগ্রহণের ৩৫দিন আগে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। নির্বাচনের তফসলি ঘোষণার পর ওই গেজেট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানো হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আগামী ২৫ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম। আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারি এ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এছাড়া আগামী বছরের জুনে ৩শ’ নির্বাচনী এলাকার জন্য ভোটার তালিকা মদ্রণ, ছবিসহ ও ছবিছাড়া ভোটার তালিকার সিডি প্রণয়ন ও বিতরণ করা হবে।

এ ছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে নির্বাচনী আইন ও বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হবে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) রোডম্যাপ বা কর্মপরিকল্পনা আগামীকাল চূড়ান্ত হতে পারে। ইসি সচিবালয়ের সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জানান, আগামীকাল কমিশন বৈঠকে এই রোডম্যাপ নিয়ে পর্যালোচনা করে তা চূড়ান্ত হতে পারে। রোডম্যাপটি চূড়ান্ত করার পর তা ১৬ জুলাই বই আকারে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, রোডম্যাপে নির্বাচনী আইন ও বিধি সংশোধন, সংসদীয় এলাকার সীমানা পুন:নির্ধারণ, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সাথে সংলাপসহ সাতটি বিষয় প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। সূত্র জানায়, গত ২৩ মে মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা খসড়া রোডম্যাপ ঘোষণা করেন। ওই সময়ে যে সাতটি বিষয়টি সিইসি উল্লেখ করেছেন সেগুলোকে রোডম্যাপে প্রাধান্য দিয়ে আনুষঙ্গিক বিষয়গুলোতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এসব বিষয় নিয়ে সিইসি ও কমিশনাররা কয়েক দফা বৈঠক করছেন। ইসির কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন দেয়া হবে। পাশাপাশি নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলের উপর নীরিক্ষা চালানো হবে। আগামী নির্বাচনের আগে নতুন দলের নিবন্ধন দেয়ার পাশাপাশি নিবন্ধিত দলগুলোর বিষয়ে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিবন্ধন বহাল বা বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আগামী বছরের মার্চের মধ্যে নতুন দলের নিবন্ধন দেয়া এবং আগে নিবন্ধিত দলগুলো বিধিবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে কি না সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আগস্ট থেকে কার্যক্রম শুরু করে আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে নির্বাচনী এলাকার সীমানা চূড়ান্ত করে গেজেট প্রকাশ করা হবে। ইসির খসড়া কর্মপরিকল্পনায় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২০১৮ সালের জুনে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের কাজ শুরু হবে। ওই বছরের জুলাই মাসে নির্বাচনী এলাকাভিত্তিক ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং তা স্থানীয় রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হবে। একই বছরের আগস্টে খসড়া ভোটকেন্দ্রের উপর দাবি বা আপত্তি গ্রহণ এবং তা নিষ্পত্তি করা হবে। ভোটগ্রহণের ৩৫দিন আগে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। নির্বাচনের তফসলি ঘোষণার পর ওই গেজেট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানো হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আগামী ২৫ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম। আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারি এ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এছাড়া আগামী বছরের জুনে ৩শ’ নির্বাচনী এলাকার জন্য ভোটার তালিকা মদ্রণ, ছবিসহ ও ছবিছাড়া ভোটার তালিকার সিডি প্রণয়ন ও বিতরণ করা হবে। এ ছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে নির্বাচনী আইন ও বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসির রোডম্যাপ কাল চূড়ান্ত হতে পারে

আপডেট সময় ০৩:২১:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ জুলাই ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) রোডম্যাপ বা কর্মপরিকল্পনা আগামীকাল চূড়ান্ত হতে পারে।

ইসি সচিবালয়ের সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জানান, আগামীকাল কমিশন বৈঠকে এই রোডম্যাপ নিয়ে পর্যালোচনা করে তা চূড়ান্ত হতে পারে। রোডম্যাপটি চূড়ান্ত করার পর তা ১৬ জুলাই বই আকারে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।

ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, রোডম্যাপে নির্বাচনী আইন ও বিধি সংশোধন, সংসদীয় এলাকার সীমানা পুন:নির্ধারণ, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সাথে সংলাপসহ সাতটি বিষয় প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে।

সূত্র জানায়, গত ২৩ মে মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা খসড়া রোডম্যাপ ঘোষণা করেন। ওই সময়ে যে সাতটি বিষয়টি সিইসি উল্লেখ করেছেন সেগুলোকে রোডম্যাপে প্রাধান্য দিয়ে আনুষঙ্গিক বিষয়গুলোতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এসব বিষয় নিয়ে সিইসি ও কমিশনাররা কয়েক দফা বৈঠক করছেন।

ইসির কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন দেয়া হবে। পাশাপাশি নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলের উপর নীরিক্ষা চালানো হবে। আগামী নির্বাচনের আগে নতুন দলের নিবন্ধন দেয়ার পাশাপাশি নিবন্ধিত দলগুলোর বিষয়ে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিবন্ধন বহাল বা বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আগামী বছরের মার্চের মধ্যে নতুন দলের নিবন্ধন দেয়া এবং আগে নিবন্ধিত দলগুলো বিধিবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে কি না সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আগস্ট থেকে কার্যক্রম শুরু করে আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে নির্বাচনী এলাকার সীমানা চূড়ান্ত করে গেজেট প্রকাশ করা হবে।

ইসির খসড়া কর্মপরিকল্পনায় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২০১৮ সালের জুনে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের কাজ শুরু হবে। ওই বছরের জুলাই মাসে নির্বাচনী এলাকাভিত্তিক ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং তা স্থানীয় রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হবে।
একই বছরের আগস্টে খসড়া ভোটকেন্দ্রের উপর দাবি বা আপত্তি গ্রহণ এবং তা নিষ্পত্তি করা হবে। ভোটগ্রহণের ৩৫দিন আগে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। নির্বাচনের তফসলি ঘোষণার পর ওই গেজেট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানো হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আগামী ২৫ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম। আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারি এ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এছাড়া আগামী বছরের জুনে ৩শ’ নির্বাচনী এলাকার জন্য ভোটার তালিকা মদ্রণ, ছবিসহ ও ছবিছাড়া ভোটার তালিকার সিডি প্রণয়ন ও বিতরণ করা হবে।

এ ছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে নির্বাচনী আইন ও বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হবে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) রোডম্যাপ বা কর্মপরিকল্পনা আগামীকাল চূড়ান্ত হতে পারে। ইসি সচিবালয়ের সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জানান, আগামীকাল কমিশন বৈঠকে এই রোডম্যাপ নিয়ে পর্যালোচনা করে তা চূড়ান্ত হতে পারে। রোডম্যাপটি চূড়ান্ত করার পর তা ১৬ জুলাই বই আকারে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, রোডম্যাপে নির্বাচনী আইন ও বিধি সংশোধন, সংসদীয় এলাকার সীমানা পুন:নির্ধারণ, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সাথে সংলাপসহ সাতটি বিষয় প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। সূত্র জানায়, গত ২৩ মে মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা খসড়া রোডম্যাপ ঘোষণা করেন। ওই সময়ে যে সাতটি বিষয়টি সিইসি উল্লেখ করেছেন সেগুলোকে রোডম্যাপে প্রাধান্য দিয়ে আনুষঙ্গিক বিষয়গুলোতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এসব বিষয় নিয়ে সিইসি ও কমিশনাররা কয়েক দফা বৈঠক করছেন। ইসির কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন দেয়া হবে। পাশাপাশি নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলের উপর নীরিক্ষা চালানো হবে। আগামী নির্বাচনের আগে নতুন দলের নিবন্ধন দেয়ার পাশাপাশি নিবন্ধিত দলগুলোর বিষয়ে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিবন্ধন বহাল বা বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আগামী বছরের মার্চের মধ্যে নতুন দলের নিবন্ধন দেয়া এবং আগে নিবন্ধিত দলগুলো বিধিবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে কি না সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আগস্ট থেকে কার্যক্রম শুরু করে আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে নির্বাচনী এলাকার সীমানা চূড়ান্ত করে গেজেট প্রকাশ করা হবে। ইসির খসড়া কর্মপরিকল্পনায় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২০১৮ সালের জুনে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের কাজ শুরু হবে। ওই বছরের জুলাই মাসে নির্বাচনী এলাকাভিত্তিক ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং তা স্থানীয় রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হবে। একই বছরের আগস্টে খসড়া ভোটকেন্দ্রের উপর দাবি বা আপত্তি গ্রহণ এবং তা নিষ্পত্তি করা হবে। ভোটগ্রহণের ৩৫দিন আগে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে। নির্বাচনের তফসলি ঘোষণার পর ওই গেজেট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানো হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আগামী ২৫ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম। আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারি এ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এছাড়া আগামী বছরের জুনে ৩শ’ নির্বাচনী এলাকার জন্য ভোটার তালিকা মদ্রণ, ছবিসহ ও ছবিছাড়া ভোটার তালিকার সিডি প্রণয়ন ও বিতরণ করা হবে। এ ছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে নির্বাচনী আইন ও বিধিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হবে।